এদিন বিকেল ৪টে থেকে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। দেখা গেল, এক এক করে আসেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোককুমার দেব এবং বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কিন্তু, সেই সংখ্যাটা ২০-তে আটকে যায়। তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ৮০। সেখানে মাত্র ২০ জন কেন বৈঠকে এসেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।


২০-৬০! কালীঘাটে অনাস্থা প্রকাশ? বিধায়করা কোথায় যুক্তি দিলেন কুণাল
তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক কেন বাতিল হল?

দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিকেল ৪টে থেকে বৈঠক। সময় গড়িয়ে গেল। এক এক করে বিধায়করা মমতার কালীঘাটের বাড়িতে আসছেন। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা দেখেই শোরগোল পড়ল রাজ্য রাজনীতিতে। মমতার ডাকা বৈঠকে মাত্র জনা কুড়ি বিধায়ক হাজির। তাঁদের বেশিরভাগই প্রবীণ বিধায়ক। বাকিরা আসেননি কেন? এই নিয়ে জল্পনা বাড়তে লাগল। তাহলে কি তৃণমূলে ভাঙন ধরল? সেই জল্পনার মধ্যেই মমতার কালীঘাটের বাড়ির বাইরে এসে দলের ‘ঐক্য’ তুলে ধরার চেষ্টা করলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সাংবাদিকদের জানালেন, বেশিরভাগ বিধায়ক নিজের এলাকায় কর্মসূচিতে ব্যস্ত। তাই, এদিনের বৈঠক বাতিল করা হয়েছে।


গতকাল সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিগৃহীত হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে সই জালের অভিযোগ ঘিরে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। এই আবহে বিধায়কদের নিয়ে এদিন মমতার বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এদিন বিকেল ৪টে থেকে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। দেখা গেল, এক এক করে আসেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোককুমার দেব এবং বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কিন্তু, সেই সংখ্যাটা ২০-তে আটকে যায়। তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ৮০। সেখানে মাত্র ২০ জন কেন বৈঠকে এসেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।


শনিতে সঞ্জুকে 'সমাজসেবক' বলেছিলেন অভিষেক, রবিতে বেরল অন্য পরিচয়
'এরপর মায়ের যদি কিছু হয়ে যায়...' নেটিজেনদের কাছে কাতর আর্জি সায়নীর দিদির
কী বললেন কুণাল ঘোষ?


দলের সুপ্রিমো বৈঠক ডাকার পরও মাত্র কেন ২০ জন বিধায়ক উপস্থিত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। তখনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বললেন, “গতকাল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। আজ আবার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারই প্রতিবাদে তৃণমূলের বিধায়করা নিজের এলাকায় কর্মসূচি পালন করছেন। পুলিশ অনেককে আটক করেছে। সেইসব কর্মীদের ছাড়াতে ব্যস্ত বিধায়করা। তাই, দলের কাছে তাঁরা ফোনে অনুরোধ করেন, এদিনের বৈঠক স্থগিত করার জন্য। এদিনও ফোন এসেছে। তাই, এদিনের বৈঠক স্থগিত করা হল। আর যাঁরা এসেছেন, সবাই মিলে ঘরোয়া বৈঠক করলাম।”

এরপরই তিনি জানান, আগামিকাল ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে, ব্লকে ব্লকে প্রতিবাদ মিছিল করবেন তৃণমূল কর্মীরা। আর ২ জুন রানি রাসমণি রোডে অভিষেকের উপর হামলা ও হকার উচ্ছেদ-সহ বিভিন্ন ইস্যুতে একদিনের ধরনায় বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিধায়কদের নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর বৈঠক বাতিল নিয়ে কটাক্ষ করলেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। তিনি বলেন, “মমতার উপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন তৃণমূল বিধায়করা।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours