মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকি দিতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেছেন, "আপনার তথাকথিত 'ব্লকেড'র জন্য শীঘ্রই ৪-৫ ডলারের গ্যাস নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে হবে।"

আবার ১০৫ ডলার পার অপরিশোধিত তেলের! ট্রাম্পের 'রাগে'র মাশুল দিতে হবে আমজনতাকে?
প্রতীকী চিত্র।

 টানা ৪০ দিন ধরে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। ইরান-আমেরিকার সংঘর্ষবিরতি (Iran-US Ceasefire) যেন গোটা বিশ্বের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছিল। যুদ্ধের জেরে হু হু করে বেড়েছিল তেলের দাম। ব্য়ারেল প্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার পার করেছিল। সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা হতেই সেই দাম আবার কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু আবারও বেড়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম। ফের একবার ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করল তেলের দাম। তবে কি ভারতেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে?


ইসলামাবাদে যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতা করতে আলোচনায় বসেছিল আমেরিকা ও ইরান। তবে সেই বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। আবারও একবার দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতেই আন্তর্জাতিক বাজারে চড়চড়িয়ে বাড়তে শুরু করেছে তেলের দাম। সোমবার সকালে অপরিশোধিত ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪.২৫ ডলারে পৌঁছেছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০১ ডলারে পৌঁছেছে।



জিতেন্দ্র তিওয়ারি জিতলে বড় পদ দেওয়ার আশ্বাস অমিত শাহের
তেলের দাম বাড়ার কারণ-
তেলের দাম আবার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণেই বাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক হয়ে গিয়েছেন। ইরান-আমেরিকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ইরানের পাল্টা জবাবে এবার আমেরিকাও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। আজ থেকেই সমস্ত দেশের জাহাজ ইরানের বন্দরে ঢুকতে ও বেরতে বাধা দেবে আমেরিকা, এমনটাই জানিয়েছে। হরমুজ প্রণালী ফের একবার বন্ধ হলে, আবার বিশ্ব বাজারে তেলের ব্যাপক ঘাটতি ও সঙ্কট দেখা দেবে।

প্রসঙ্গত, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে, ৭ এপ্রিল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ১১৭ ডলার। ৭ ও ৮ এপ্রিলের রাতে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দাম হঠাৎ কমে যায়। এই পতনের পর, ১১ এপ্রিল দাম কমে ব্যারেল প্রতি ৯১ ডলারে পৌঁছয়। ফের ১১-১২ এপ্রিল ২১ ঘণ্টা ধরে ইরান-আমেরিকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, দাম আবার বাড়তে শুরু করে। এখন তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪ ডলারের পৌঁছেছে।



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকি দিতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “আপনার তথাকথিত ‘ব্লকেড’র জন্য শীঘ্রই ৪-৫ ডলারের গ্যাস নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে হবে।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours