শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় ইউএপিএ (UAPA) বা 'বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন'-এর ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র প্রধান বিচারপতির। তাই এই ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি সম্ভব নয়।
বড় ধাক্কা! বেলডাঙা মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি! কেন?
কলকাতা হাইকোর্ট
বেলডাঙা হিংসার মামলায় বড়সড় মোড়। মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এনআইএ-র বিশেষ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এনআইএ এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল, তবে এখন সেই মামলা ফেরত পাঠানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে।
কেন সরলেন ডিভিশন বেঞ্চ
আর বাংলায় থাকতে পারব না...', মিঠুনের মুখে 'বড় ষড়যন্ত্রে'র কথা
West Bengal Election 2026: ধরা পড়লেই সোজা শ্রীঘরে, ভোটের মুখে নজিরবিহীন নির্দেশ
শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় ইউএপিএ (UAPA) বা ‘বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন’-এর ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র প্রধান বিচারপতির। তাই এই ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই আইনি জটিলতার কারণেই মামলাটি পুনরায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন হাইকোর্টে NIA
বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১৫ জন অভিযুক্তকে সম্প্রতি জামিন দেয় এনআইএ-র বিশেষ আদালত। জামিনের মূল কারণ হিসেবে আদালত উল্লেখ করেছিল যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এনআইএ চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি। এই জামিন নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।
মামলার প্রেক্ষাপট
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু। সেই শ্রমিকের মৃত্যুর খবর বেলডাঙায় পৌঁছানোর পর স্থানীয় মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করেন এবং শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘক্ষণ রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ পদক্ষেপ করলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এই সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকজন আহত হন এবং এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছিল।
NIA তদন্ত
প্রাথমিকভাবে রাজ্য পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও, ঘটনার গুরুত্ব এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে মামলাটি পরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা NIA-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই তদন্তভার এনআইএ গ্রহণ করে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours