নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত মোট ১,৪০৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এই সংখ্যাটি গত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২৪ সালে কেবল ৭টি লোকসভা কেন্দ্রেই বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২,০০০ অভিযোগ জমা পড়েছিল, এমনকি জঙ্গলমহলেই দুপুর ১টার মধ্যে অভিযোগের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।


কেমন হল প্রথম দফার নির্বাচন? কী বলল কমিশন?
সুব্রত গুপ্ত, কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক



বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল বাংলা। রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের নজির গড়ল পশ্চিমবঙ্গ। ছাব্বিশের নির্বাচনে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে ভোটের হার ৯০ শতাংশে। ২০১১ সালের সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৬ সাল নতুন রেকর্ড গড়ল, বলছে কমিশনই।


নির্বাচন কমিশনের স্পেশ্যাল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, দিনভর বড় কোনও অশান্তির খবর নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা অতীতের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুথে বুথে টহল দিচ্ছে সিআরপিএফ। এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কমিশনের কন্ট্রোল সেন্টার প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাঠে রয়েছেন ২০০ জন মাইক্রো-অবজারভার। ইভিএম সংক্রান্ত সমস্যা বা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া মাত্রই প্রিসাইডিং অফিসারদের সক্রিয় করা হচ্ছে।


রাজ্যে ভোট চলছে, তার মাঝেই তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক ডাকলেন শশী পাঁজা! তুললেন বিস্ফোরক অভিযোগ
অতীতের তুলনায় অভিযোগ অনেক কম


 নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত মোট ১,৪০৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এই সংখ্যাটি গত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২৪ সালে কেবল ৭টি লোকসভা কেন্দ্রেই বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২,০০০ অভিযোগ জমা পড়েছিল, এমনকি জঙ্গলমহলেই দুপুর ১টার মধ্যে অভিযোগের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এবার বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট কিংবা রক্তপাতের মতো ঘটনা প্রায় নেই বললেই চলে।

নতুন মাইলফলক বাংলায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বললে, “গত ৫০ বছরের মধ্যে এটাই সম্ভবত সবথেকে কম হিংসার নির্বাচন।” ভোটারদের এই বিপুল অংশগ্রহণ এবং কমিশনের কড়া নজরদারি— সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সফল ও উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours