ভাঙল ২০১১ সালের রেকর্ড, গোটা রাজ্যে ভোটদানের হার ছাপিয়ে গেল ৯০ শতাংশের গণ্ডি
কী বলছে তথ্য?

একেবারে সর্বকালীন রেকর্ড। ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেল ২০২৬ সালের ভোট। ২০১১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৪ শতাংশ। ২০১৬ সালে ভোট পড়েছিল ৮২.৬৬ শতাংশ, ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮১.৫৬ শতাংশ। সেখানে এবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত গোটা রাজ্যে ভোটদানের হার ছুঁয়ে ফেলল ৯০ শতাংশের গণ্ডি। এর মধ্যে শুধু কোচবিহারেই বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯২.০৭ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ৮৮.৭৪ শতাংশ। জলপাইগুড়িতে ৯১.২ শতাংশ। কালিম্পংয়ে ভোট পড়েছে ৮১.৯৮ শতাংশ। দার্জিলিংয়ে ৮৬.৪৯ শতাংশ। উত্তর দিনাজপুরে ৮৯.৭৪ শতাংশ।


রেকর্ড ভোট পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরেও। ভোট পড়েছে ৯৩.১২ শতাংশ। মালদহে ভোট পড়েছে ৮৯.৫৬ শতাংশ। মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৯১.৩৬ শতাংশ। পূর্ব মেদিনীপুরে সেখানে ৮৮.৫৫ শতাংশ। পশ্চিম মেদিনীপুর ৯০.৭ শতাংশ। ঝাড়গ্রামে ৯০.৫৩ শতাংশ। পুরুলিয়ায় ভোট পড়েছে ৮৭.৩৫ শতাংশ। বাঁকুড়ায় ৮৯.৯১ শতাংশ। পশ্চিম বর্ধমানে ভোট পড়েছে ৮৬.৮৯ শতাংশ। বীরভূমে ভোট পড়েছে ৯১.৫৫ শতাংশ। 





৮ BJP কর্মীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, কারণটাই কেউ জানে না
অন্যদিকে ভোটদানের নিরিখে বাংলা যে নতুন রেকর্ড করতে চলছে সেই ইঙ্গিত মিলছিল সকাল থেকেই। সকাল ১১টার মধ্যেই ভোটদানের হার পৌঁছে গিয়েছিল ৪২ শতাংশের উপরে। দুপুর ১টার মধ্যে ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। এর মধ্যে ঝাড়গ্রামে ভোটের হার পৌঁছে যায় ৬৫.৩১ শতাংশে। কালিম্পংয়ে সেই হার পৌঁছে যায় ৫৯.৫২ শতাংশে। মালদহ ৫৮.৪৫ শতাংশে। মুর্শিদাবাদে ৬২.৭১ শতাংশে। পশ্চিম বর্ধমানে ৬০.৩৭ শতাংশে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬৫.৭৭ শতাংশে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৬২.৯০ শতাংশে। পুরুলিয়ায় ৫৯.৮৩ শতাংশে। উত্তর দিনাজপুরে ৬০ শতাংশে। আলিপুরদুয়ারে ৬০.০৩ শতাংশ। অন্যদিকে ৩টের মধ্যেই রাজ্যে সার্বিকভাবে ভোটদানের হার পৌঁছে গিয়েছিল ৮০ শতাংশের মধ্যে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours