২০২৬ সালে ব্রিকস-এর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ব্রিকস গোষ্ঠীতে রয়েছে ইরানও। এবার ব্রিকস-এ ইরানের উপর মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য় ভারতকে আবেদন জানিয়েছে তেহরান। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাগাচির। জানা গিয়েছে, ফোনালাপে ইরানের উপর হামলার বিরুদ্ধে ভারতকে ব্রিকস-এ অবস্থান নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন আরাগাচি।
হরমুজে ছাড়ের পরিবর্তে ভারতকে মানতে হবে শর্ত? নয়া দিল্লির উপর পাল্টা চাপ ইরানের!
ভারতকে পাল্টা চাপ ইরানের
ভারতের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ইরান। হরমুজে ছাড় দেওয়ার পরিবর্তে নয়া দিল্লিকে বড় শর্ত দিল তেহরান। শর্ত না মানলে কি হরমুজ ফের পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে ভারতের জন্য? ইতিমধ্যেই ‘বন্ধু’ ভারতের জন্য হরমুজ প্রণালী ধীরে ধীরে খুলে দিচ্ছে ইরান। নয়া দিল্লিও কূটনৈতিক পথে সঙ্কট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেষ্ট রয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার বৈঠক করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সম্প্রতি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরই হরমুজে ভারতের একের পর এক ট্যাঙ্কারকে ছাড় দিচ্ছে ইরান। পুরোপুরি ছাড় না মিললেও এখনও পর্যন্ত ৪টি ট্যাঙ্কারকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে ইরান। কিন্তু, এরই মধ্যে নয়া দিল্লির উপর পাল্টা চাপ দেওয়া শুরু করেছে ইরান।
ভারতকে আবেদন ইরানের
পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না, অথচ সেই সোনা পাপ্পুরই ইফতারে 'হেভিওয়েট' দাওয়াত!
২০২৬ সালে ব্রিকস-এর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ব্রিকস গোষ্ঠীতে রয়েছে ইরানও। এবার ব্রিকস-এ ইরানের উপর মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য় ভারতকে আবেদন জানিয়েছে তেহরান। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাগাচির। জানা গিয়েছে, ফোনালাপে ইরানের উপর হামলার বিরুদ্ধে ভারতকে ব্রিকস-এ অবস্থান নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন আরাগাচি। ইরানের এই দাবি ভারতের উপর আরও চাপ বাড়াল বলেই দাবি করছে কূটনৈতিক মহল। একদিকে হরমুজে ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তা, অন্যদিকে ব্রিকস নিয়ে তেহরানের চাপ। চরম কূটনৈতিক সাঁড়াশি চাপে পড়েছে নয়াদিল্লি।
ভারত কী সিদ্ধান্ত নেবে ?
চলতি বছরে, ব্রিকসে সভাপতিত্ব করছে ভারত। ব্রিকস-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়ভার নয়া দিল্লিরই । ব্রিকস গোষ্ঠীতে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্রিকসে যদি নিন্দা প্রস্তাব আনে ভারত, তাহলে চিন এবং রাশিয়া যে ইরানের পাশে থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। উল্লেখ্য, ব্রিকস-এর সদস্য দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ইরানও। অন্যদিকে, ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীও। কিন্তু, ইরান লাগাতার এই দেশগুলির উপর হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন সেনা ঘাঁটির উপর হামলা চালানো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভাবেই তারা ইরানের বিরোধিতা করবে। আবার ইরানের দাবি মেনে যদি ভারত যদি সত্যি নিন্দা প্রস্তাব আনে, তাহলে আমেরিকার রোষের মুখে পড়তে হতে পারে ভারতকে। এই পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours