ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েই বললেন, “মোদীজিকে বলতে চাই অটলবিহারী বাজপেয়ীর মতো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে আপনি কাজ করছেন। আপনার উপর আমাদের আস্থা আছে, বিশ্বাস আছে। আমার বাড়ি-ঘর তৃণমূল ভেঙে দিয়েছিল। এটা করিয়েছিল তারকেশ্বর পৌরসভার চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু।”
বাজপেয়ীর সময় থেকে বিজেপিকে ভোট দিই, সেই রাগেই…’, ভাঙা কোমর, ভাঙা পা নিয়ে ব্রিগেডে বৃদ্ধা
কী বলছেন বৃদ্ধা?
পা ভাঙা। মেরে ভেঙে দিয়েছে কোমর। তারকেশ্বর পুরসভার এলাকার বাসিন্দা ৭৫ এর শুভ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ভোটে বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় তাঁর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ। তাঁরও হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয়। এখনই সেই স্মৃতি মনে ভেসে উঠলে চোখের কোণে জমে জল। ওই ঘটনার পর থেকে তীব্র শারীরিক কষ্ট নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে এই বৃদ্ধাকে। তাও পরিবর্তনের ডাক শুনতে, প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে ভোর চারটের সময় গোঘাট লোকাল ধরে একা একা পৌঁছলেন এই বৃদ্ধা। আগে গিয়েছিলেন সিঙ্গুরে, গিয়েছিলে মতুয়াগড়েও।
ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েই বললেন, “মোদীজিকে বলতে চাই অটলবিহারী বাজপেয়ীর মতো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে আপনি কাজ করছেন। আপনার উপর আমাদের আস্থা আছে, বিশ্বাস আছে। আমার বাড়ি-ঘর তৃণমূল ভেঙে দিয়েছিল। এটা করিয়েছিল তারকেশ্বর পৌরসভার চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু।”
কথা বলতে বলতেই কেঁদে ফেললেন বৃদ্ধা। চোখে জল নিয়েই বললেন, “আমি বিজেপিকে সেই অটলবিহারীর সময় থেক ভোট দিই। সেই রাগেই আমাদের উপর অত্যাচার হয়েছে। মাথাও ফেটে গিয়েছিল। কোমরও ভাঙা। কিন্তু তারপরও ভোরবেলা গোঘাট থেকে ভোরে ট্রেন ধরেছি। তারপর হাওড়ায় নেমে যাকে পারছি বলছি আমাকে ধরে একটু নিয়ে চলো। কোনওমতে হাঁটছি। শুধু দু’বার একটু চা খেয়েছি। আর কিছু খাইনি। এর আগেও মোদীর বক্তব্য শুনেছি। কিন্তু কাছাকাছি কোনওদিন যেতে পারিনি।”
অন্যদিকে ভাতা নয়, শিল্প চাই, সিঙ্গুরে এই স্লোগান তুলে বিগ্ৰেডের উদ্দ্যেশে রওনা দিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এইদিন সিঙ্গুরের রতনপুর মোড় এলাকা থেকে বিগ্ৰেডের উদ্দেশ্যে গেলেন প্রচুর পদ্ম কর্মী। বিজেপি কিষান মোর্চার জেলা সভাপতি সঞ্জয় পাণ্ডে বলেন, সিঙ্গুরের অবস্থা খুব খারাপ। না হচ্ছে চাষবাস, না হচ্ছে শিল্প। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি আপনি সিঙ্গুরের দিকে একটু তাকান।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours