*দেদার লুঠ হচ্ছে নদীর চর, নামখানায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে অবৈধ সাদাবলী পাচার চক্র। কাঠগোড়ায় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য।* 


দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় মুড়িগঙ্গা ও ঘিয়াবতী নদীর চর থেকে অবৈধভাবে সাদা বালি কেটে এনে তোলার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নামখানা ও নারায়ণপুর সংলগ্ন এলাকায় এই বেআইনি কারবার দীর্ঘদিনের হলেও, সম্প্রতি নামখানা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭৭ নম্বর বুথের তৃণমূল সদস্য সমীর প্রধানের নাম জড়িয়ে পড়ায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায়শই নদীর চর কেটে বালি তুলে নৌকায় করে নামানো হচ্ছে ডাঙায়। এরপর সেই বালি ইঞ্জিনভ্যানে করে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে। নামখানা থানার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে পুরাতন খেয়াঘাট ও সুলিশ গেট এলাকায় প্রকাশ্যেই চলছে এই কারবার। সম্প্রতি পুরাতন খেয়াঘাটে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সমীর প্রধানের উপস্থিতিতেই বালি খালাস করতে দেখা যায়। ঘটনার ছবি তুলতে গেলে কলকাতা টিভির ক্যামেরা দেখে শ্রমিকরা রীতি মতন নৌকা নিয়ে এলাকা থেকে চম্পট দেয়। এলাকাবাসীদের দাবি, শাসকদলের

 জনপ্রতিনিধি হওয়ায় সমীরবাবু প্রভাব খাটিয়ে এই চক্র চালাচ্ছেন। যদিও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান গুরুপদ মালি জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শুধুমাত্র সমীর প্রধান নয়, এই অবৈধ বালি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নামখানা ব্লকের আরো বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, শনিবার অভিযুক্ত সমীর প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সমীর প্রধানের কোন বিবৃতি পাওয়া যায়নি।নামখানা থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এই অবৈধ বালী কারবার সক্রিয় হয়ে ওঠায় পুলিশের নজরদারির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।




ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours