গঙ্গাসাগরে উন্নয়ন জোয়ার: একদিনে তিন-তিনটি কংক্রিট রাস্তার উদ্বোধন করলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী


সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার ভোলবদল করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পের অধীনে শুক্রবার গঙ্গাসাগরের রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কংক্রিট রাস্তার শুভ উদ্বোধন করলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।
এদিন মন্ত্রী প্রথমেই উদ্বোধন করেন কীর্তনখালী পদ্মাবতী স্কুল থেকে মেইন রোড পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ১৫৭০ মিটার দীর্ঘ একটি কংক্রিট রাস্তা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে মন্ত্রীর নজরে পড়ে পদ্মাবতী অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ দশা। বিদ্যালয়ের ভগ্নদশা দেখে তিনি দ্রুত তা মেরামতির আশ্বাস দেন। পাশাপাশি, স্থানীয় ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিয়ে ওই এলাকায় পদ্মাবতী মায়ের একটি স্ট্যাচু নির্মাণের ঘোষণাও করেন তিনি। উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে মন্ত্রী এরপর আরও দুটি রাস্তার ফিতে কাটেন

রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কীর্তনখালী সুকুমার বিশাল থেকে বিভূতি ভূষণ দাস ভায়া পশ্চিমপাড়া বিশালক্ষী মন্দির পর্যন্ত প্রায় ২৮০০ মিটার দীর্ঘ রাস্তা। কমলপুর অনাথবন্ধু মাইতি থেকে হৃষিকেশ মাইতির বাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫৫০ মিটার কংক্রিটের রাস্তা। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং মানুষের যাতায়াত সুগম করতে মুখ্যমন্ত্রী গ্রামবাংলার প্রতিটি কোণায় উন্নয়নের আলো পৌঁছে দিচ্ছেন। এই রাস্তাগুলি নির্মাণের ফলে স্থানীয় কৃষিজীবী মানুষ এবং পুণ্যার্থীদের যাতায়াতে প্রভূত সুবিধা হবে। এদিনের এই মেগা উদ্বোধনী কর্মসূচিতে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের বনভূমি কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ বালেশ্বর, শিক্ষা স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অমলেন্দু পাল এবং জেলা পরিষদের সদস্যা অনিতা মাইতি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট যুব নেতা মিলন সিট সহ অন্যান্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। প্রশাসনিক এই তৎপরতায় খুশির হাওয়া গঙ্গাসাগরের রুদ্রনগর এলাকায়।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours