February 2026

রাতেই বাসন্তীতে তৃণমূলের গোষ্ঠিকোন্দল,মারামারি, জখম একাধিক


- বৃহষ্পতিবার রাতে লাঠি,লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের বিরুদ্ধে। এমনকি পুলিশের সামনে বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন শাসক
 দলের কর্মী সমর্থক বয়দুল্লা গাজী, নাসির কয়াল, আকাদ্দেশ কয়াল,মনিরুল কয়াল, জাকির কয়াল,রাকিব কয়াল ও মমতাজ কয়ালরা। জখমরা ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধী

আবারও রায়দিঘীতে বিজেপিতে ভাঙন, ব্লক সভাপতির হাত ধরে শতাধিক কর্মী তৃণমূলে যোগদান!


বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই জেলা জুড়ে বিজেপিতে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তারই নতুন উদাহরণ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘী বিধানসভা এলাকায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সাম্প্রতিক ঘোষণাগুলিতে অনুপ্রাণিত হয়েই এই কর্মীরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। মথুরাপুর এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মানবেন্দ্র হালদারের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে যুগান্তকারী ঘোষণা করেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে হাজার টাকার বদলে পনেরোশো টাকা এবং বারোশো টাকার বদলে ১৭০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবকদের জন্য মাসে দেড় হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, প্যারা শিক্ষক ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভাতা এক হাজার টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়।
এই সমস্ত উন্নয়নমূলক ঘোষণার প্রভাবেই রায়দিঘীর ময়রার মহলের পূর্ব এলাকার প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই যোগদান শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রায়দিঘী এলাকায় তৃণমূলের সংগঠন আরও মজবুত হবে বলে সূত্রের খবর।


 ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুধুই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকা নয়, সাম্মানিক বাড়ছে আশা কর্মীদেরও। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে আশা কর্মীদের সাম্মানিক ১ হাজার টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্য়ের অর্থমন্ত্রী।

বাড়ল আরও হাজার টাকা, একগুচ্ছ ঘোষণা করে আশা কর্মীদের ক্ষতে প্রলেপ মমতার
কল্পতরু মমতা

ভোটমুখী বাংলা সাক্ষী থেকেছিল বেগুনি মিছিলের। এবার সেই মিছিলকে মাথায় রেখেই বাড়ল আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের সাম্মানিকের পরিমাণ। ভোটের আগের শেষ বাজেট ‘কল্পতরু’ হয়ে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বাড়ানো হল সাম্মানিকের পরিমাণ।

২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুধুই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকা নয়, সাম্মানিক বাড়ছে আশা কর্মীদেরও। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে আশা কর্মীদের সাম্মানিক ১ হাজার টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্য়ের অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি, রাজ্য়ের অন্য সকল সরকারি কর্মীদের মতোই এপ্রিল মাস থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন।


 'স্ত্রী শিক্ষিত', এই যুক্তি খাটবে না, স্পষ্ট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
শুধু সাম্মানিক ও মাতৃত্বকালীন ছুটিই নয়, অকাল মৃত্যুতেও আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য। বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের অকাল মৃত্য়ু হলে, তাঁদের নিকটবর্তী আত্মীয় বা পরিবারকে এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে আশা কর্মীদের নিয়েও।

উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষের দিকেই কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নামেন তাঁরা। একগুচ্ছ দাবিকে সামনে রেখেই শুরু হয় বিদ্রোহ। আশা কর্মীদের দাবি –

দিতে হবে ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা মজুরি
কিস্তিতে নয়, পাওনা দিতে হবে একসঙ্গে
চাই চাকরির নিশ্চয়তা
দিতে হবে মোবাইল ইন্টারনেটের খরচ
দিতে হবে ম্যাটারনিটি লিভ
মেটাতে হবে বকেয়া
মাতৃত্বকালীন ছুটি ও এককালীন ক্ষতিপূরণ মিললেও, সাম্মানিকের দাবি মেটেনি তাঁদের। বর্তমানে তাঁদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল থেকে তা এক হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা।




লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অর্থাৎ ২০২৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলারা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতিরা পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের দেড় হাজার নয়, বিজেপি দেবে ৩ হাজার! 'ঘোষণা' শুভেন্দুর
রাজ্য়ের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

ভাতার পাল্টা ভাতা। দেড় হাজারের পরিবর্তে তিন হাজারের প্রতিশ্রুতি। শুধু ক্ষমতার বদল ঘটাতে হবে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতেই দেখা গিয়েছে, ‘জনমোহিনী’ প্রকল্পের জোয়ার। ‘কল্পতরু’ হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

ভোটের আগের শেষ বাজেটে নারী ভোটব্য়াঙ্কেই আবার দাঁত ফুটিয়ে দিল তৃণমূল, মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অর্থাৎ ২০২৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলারা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতিরা পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।



বাংলার SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যকে কাঠগড়ায় টানল কমিশন
কিন্তু শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করে দেবে। এদিন বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব।’ লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে রাজ্যের নেওয়া সিদ্ধান্ত নির্বাচন মাথায় রেখেই করা হয়েছে বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।


রাজ্য বাজেটে একের পর এক বড় ঘোষণা। বিরোধীরা ভাতা নিয়ে যতই কটাক্ষ করে থাকুক, সেই ভাতার অঙ্কই বাড়াল রাজ্য সরকার। শুধুমাত্র লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন চন্দ্রিমা। এদিন সকালেই সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। তারপরই এই ঘোষণা রাজ্য সরকারের।


ভোটের মুখে বড় ঘোষণা! বাড়ল লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা


 বিধানসভা ভোটের আগে শেষবার বাজেট পেশ করছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেট ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার প্রত্যাশামতোই বাজেটের শুরুতেই বড় ঘোষণা করে দিলেন চন্দ্রিমা। বাড়ানো হল লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকার পরিমাণ।


প্রথমে ৫০০ টাকা করে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা দেওয়া হত। পরে সেই টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করা হয়। আর এবার সেই পরিমাণ আরও ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হল। অর্থাৎ ১৫০০ টাকা করে পাবেন মহিলারা।


মাধ্যমিক পরীক্ষার মাঝেই স্কুলে ধুন্ধুমার কাণ্ড, মার খেয়ে এসআই ভর্তি হাসপাতালে!
২০২৬-এর ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ চলতি মাস থেকেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের অঙ্ক বাড়ছে। জেনারেল ক‍্যাটাগরির মহিলারা এখন পান ১০০০ টাকা করে। সেটা বেড়ে হচ্ছে ১৫০০ টাকা। এসসি বা তফশিলি জাতি, এসটি অর্থাৎ তফশিলি উপজাতির মহিলারা পান ১২০০ টাকা করে। এবার সেটা বেড়ে হল ১৭০০ টাকা করে।

ভাতা নিয়ে বিরোধীরা রাজ্য সরকারকে বারবার কটাক্ষ করলেও বাজেটে সেই ভাতার উপরেই জোর দিল রাজ্য সরকার। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ্মীর ভান্ডারের ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘোষণাকে তৃণমূল কার্যত মাস্টারস্ট্রোক বলে মনে করেন। তাই এবার ২৬-এর ভোটের আগে সেই অঙ্ক বাড়ানো হবে বলে জল্পনা ছিল। সেটাই এবার সত্যি হল।

তাহলে কী বাংলায় এবার চতুর্মুখী লড়াই? সমীকরণ যেদিকে এগোচ্ছে তাতে ক্রমশ সেই ছবিটাই স্পষ্ট হচ্ছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানাচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়গের বৈঠকেই পুরো সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলছেন, “এবার বাংলায় দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন আমরা একাই লড়ি।”

২৯৪ আসনে একা লড়ার সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, ‘ঘুরিয়ে মমতারই সুবিধা হবে’, বলছে বামেরা
রাজনৈতিক মহলে জল্পনাজোট নিয়ে জল্পনার মধ্যে বারবারই কংগ্রেসের ‘একলা চলোর’ কথাই শোনা যাচ্ছিল। এমনকী প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বিশেষত শুভঙ্কর সরকারের শিবির মূলত জোট না করার পক্ষেই রয়েছে বলে আগেই জানা গিয়েছিল। অন্যদিকে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির আবার বামদের হাত না ছাড়ার পক্ষেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। এরইমধ্যে এবার এল বড় খবর। বাংলার আসন্ন বিধানসভা ভোটে বামেদের হাত ছাড়ছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, ২৯৪ আসনে একাই লড়াই করবে কংগ্রেস। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। 


তাহলে কী বাংলায় এবার চতুর্মুখী লড়াই? সমীকরণ যেদিকে এগোচ্ছে তাতে ক্রমশ সেই ছবিটাই স্পষ্ট হচ্ছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানাচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়গের বৈঠকেই পুরো সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলছেন, “এবার বাংলায় দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন আমরা একাই লড়ি। ২৯৪ আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। বাম বা অন্যদের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙেছে। তাই সমস্ত নেতাদের মনে হয়েছে জোট নয়, একাই লড়া হবে। বাংলার প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা যা চাইছিলেন সেটাই কেন্দ্রীয় নেতারা মেনেছেন।” 


 'আর লাক্সারি দেখাতে পারি না', মমতার জোর সওয়াল শুনেই কমিশনকে কেন বললেন প্রধান বিচারপতি?
অন্যদিকে অধীরের সাফ কথা, “আমি তো পার্টির কর্মী। পার্টি যে সিদ্ধান্ত নেবে আমি সেটাই মেনে নেব।” প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। খানিক খোঁচা দিয়ে বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলছেন, “এ তো ভাল কথা। একক দল হিসাবে তাঁদের অবশ্যই এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মমতাকেই সাহায্য করবে বলে আমার ধারনা।” অন্যদিকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, “কংগ্রেসকে মালদহ-মুর্শিদাবাদে মুসলমানরা ভোট দেয়। আর তৃণমূল এখানে সরকার চালাচ্ছে মুসলমানদের ভোটে। আমাদের এগুলো নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই। আমরা হিন্দুদের এক করব।” 




রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় রাজ্যসভা জুড়ে তুমুল স্লোগান বিরোধী সাংসদদের। তবে উত্তাল আবহের মধ্যে নিজের বক্তৃতা শুরু করেন মোদী। স্লোগান তোলায় খোঁচা দেন কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খড়্গেকে। বয়সের কথা মনে করিয়ে বলেন, 'আপনি বসেই স্লোগান দিন।'


অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে তৃণমূল আদালতের উপর চাপ তৈরি করছে: মোদী
রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় রাজ্যসভা জুড়ে তুমুল স্লোগান বিরোধী সাংসদদের। তবে উত্তাল আবহের মধ্যে নিজের বক্তৃতা শুরু করেন মোদী। স্লোগান তোলায় খোঁচা দেন কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খড়্গেকে। বয়সের কথা মনে করিয়ে বলেন, ‘আপনি বসেই স্লোগান দিন।’

এদিন মোদীর ভাষণ শুরুর পরেই ওয়াক-আউট করতে দেখা যায় বহু বিরোধী সাংসদদের। তাঁদেরকেও খোঁচা দিতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেন, ‘কিছু লোকজন দেখলাম এখনই হাঁপিয়ে উঠেছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনাদেরও উত্তর দিতে হবে।’ পাশাপাশি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা যায় তাঁকে। মোদী বলেন, ‘লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলির বিশ্লেষণ করুন। বুঝতে পারবেন, ওনাদের কোনও দূরদৃষ্টি ছিল না। তাই দেশকে এতটা পিছিয়ে পড়তে হয়েছে। আমাদের প্রচুর শক্তি তো কংগ্রেসের ভুল শোধরাতেই কেটে গিয়েছে। ভবিষ্যতের ভারতের কথা ভেবে আমরা নীতি তৈরি করেছি। তাই আজ দেশ শুধু নীতির ভিত্তিতে চলে। ‘



রাজ্যসভার জবাবি ভাষণে মোদীর মুখে উঠে এল বাংলার প্রসঙ্গ। তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। তারপর রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘নির্মম সরকারের যত রেকর্ড ছিল, সব এরা ভেঙে দিয়েছে। ওখানকার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। কিন্তু নিজেদের ক্ষমতা জিইয়ে রাখা ছাড়া এরা সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দিচ্ছেন।’ মোদীর সংযোজন, ‘পৃথিবীর প্রতিটি দেশ অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াচ্ছে, এরা (তৃণমূল) অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে আদালতে যাচ্ছে, আদালতের উপর চাপ বাড়াচ্ছে। এই অনুপ্রবেশকারীরা যুব প্রজন্মের চাকরি ছিনিয়ে নিচ্ছে, আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিচ্ছে। কিন্তু তাঁরা এসবের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে আমাদের উপদেশ দিচ্ছে। ‘



সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের কবলে মৎস্যজীবী,মৎস্যজীবীর খোঁজে তল্লাশি


সুন্দরবন জঙ্গল লাগোয়া খাড়িতে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের কবলে মৎস্যজীবী। নিখোঁজ মৎস্যজীবীর খোঁজে জঙ্গলে তলাশি। নিখোঁজ মৎস্যজীবির নাম প্রদীপ মন্ডল(৩৫)।নিখোঁজ মৎস্যজীবির বাড়ি গোসাবা ব্লকের সুন্দরবন কোষ্টাল থানার অন্তর্গত সাতজেলিয়া পঞ্চায়েতের সুকুমারী উত্তর পাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরবনের চামটা জঙ্গল সংলগ্ন নদীখাঁড়ি এলাকায়। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,সুকুমারী উত্তর পাড়া গ্রামের মৎস্যজীবি প্রদীপ মন্ডল। মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশী সন্তোষ মন্ডল ও দুঃখীরাম মন্ডল দুই সঙ্গীকে নিয়ে সুন্দরবের গহীণ জঙ্গলের নদীখাঁড়িতে গিয়েছিলেন মাছকাঁকড়া ধরতে।গতকাল দুপুর ১২ টা নাগাদ তারা চামটা জঙ্গলের নদীখাঁড়িতে কাঁকড়া ধরার দোন ফেলছিলেন আপনমনে। 
সেই সময় একটি বাঘ সুন্দরবনের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে। টার্গেট করতে থাকে প্রদীপকে। সুযোগ বুঝে পিছন থেকে বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই মৎস্যজীবির ঘাড়ের উপর ।তাকে টানতে টানতে গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। দুই সঙ্গী আক্রান্তকে বাঁচাতে নৌকার দাঁড় আর গাছের ডাল নিয়ে বাঘের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ প্রায় একঘন্টা চলে বাঘে মানুষের লড়াই। বাঘ তার শিকার ছাড়তে নারাজ। অগত্যা বার বার হুঙ্কার দিয়ে অপর দুই মৎস্যজীবির উপর আক্রমণ করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। বেগতিক বুঝে রণে ভঙ্গদেয় সঙ্গী দুই মৎস্যজীবি।বাঘ তার শিকার নিয়ে গহীন জঙ্গলে চলে যায়।সঙ্গীরা নৌকায় উঠে পড়ে। দাঁড় বেয়ে রাতেই গ্রামের ঘাটে ফিরে আসে। খবর দেয় আক্রান্ত মৎস্যজীবির পরিবারে। ঘটনার খবর পেয়ে শোকে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। অন্যদিকে আজ সকালে দেহ উদ্ধারের জন্য গ্রাম থেকে লোকজন সুন্দরবন জঙ্গলে উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বাড়িতে 
নিখোঁজ মৎস্যজীবির অন্তঃস্বত্বা স্ত্রী ববিতা বর্মন শোকেস্তব্ধ অবস্থায়,তাকে সান্ত্বনা দিতে এলাকার মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

জার্মানীর সহায়তায় স্বনির্ভরতার আলো সুন্দরবনে: প্রশিক্ষণ শেষে ইউরো বেকারির দায়িত্ব নিলেন মায়েরা


সুন্দরবনের পিছিয়ে পড়া মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে এক অনন্য নজির গড়ল ‘সবুজ সংঘ’। জার্মানী এবং ভারতের যৌথ প্রচেষ্টায় গঙ্গাসাগরের কমলপুরে গড়ে ওঠা ‘সাগর ইউরো বেকারি’ এখন সম্পূর্ণভাবে পরিচালিত হবে স্থানীয় মায়েদের হাতে। বৃহস্পতিবার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলাদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় এবং বেকারির পরিচালনার দায়িত্ব তাঁদের অর্পণ করা হয়। এই মহতী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জার্মানী কনসুলেটের মাননীয়া কনসাল জেনারেল মিস বারবারা রস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইন্দো-জার্মানী চেম্বার অফ কমার্সের প্রতিনিধি মি.সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্সেটিক ইন্ডিয়া ফোরামের চেয়ারম্যান ডঃ অমল মুখোপাধ্যায়,সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মিস.ঈশা ডুবে জার্মানী এবং সবুজ সংঘের সম্পাদক শ্রী অংশুমান দাস।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি, সহকারী সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান সহ বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনা করেন সবুজ সংঘের গণেশ দাস।সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার মহিলারা যাতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই ইউরো বেকারি প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নত মানের বেকিং প্রশিক্ষণ শেষে এদিন মায়েদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। এখন থেকে এই বেকারির উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন—সবই সামলাবেন এই প্রশিক্ষিত মহিলারা। জার্মানী কনসাল জেনারেল মিস বারবারা রস এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, মহিলাদের এই আত্মবিশ্বাস আগামী দিনে সুন্দরবনের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে। সবুজ সংঘের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষও।

ঘোড়ামারা দ্বীপে উন্নয়নের জোয়ার: ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে মমতার বার্তা পৌঁছাল সাধারণের দুয়ারে


সুন্দরবনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন প্রত্যন্ত ঘোড়ামারা দ্বীপ। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই দ্বীপে এবার পৌঁছে গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের খতিয়ান। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার বিশেষ উদ্যোগে, ঘোড়ামারা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজার সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হলো এক বিশেষ কর্মসূচি— 'উন্নয়নের পাঁচালী'। এদিন ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষের সামনে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' ও 'উন্নয়নের সংলাপ' নিয়ে তৈরি ভিডিও চিত্রটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। 
দ্বীপের প্রান্তিক মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ডিজিটাল প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি, জেলা পরিষদের সদস্য সন্দীপ কুমার পাত্র, জেলা পরিষদের দুই সদস্যা ও স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুতনু মাইতি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঘোড়ামারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জনপ্রতিনিধিরা জানান, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ার কারণে অনেক সময় তথ্য পৌঁছাতে দেরি হয়, কিন্তু ভিডিওর মাধ্যমে সরাসরি উন্নয়নের কাজ চোখের সামনে দেখতে পেয়ে খুশি দ্বীপবাসী। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর নেতৃত্বে এই এলাকাকে মূল স্রোতের সাথে যুক্ত রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

গোবর্ধনপুর উপকূলীয় থানা-পুলিশের উদ্যোগে জি প্লটে স্বয়ংসিধ্যা কর্মসূচি


আজ ৫ই ফেব্রুয়ারি গোবর্ধনপুর উপকূলীয় থানা-পুলিশের অধীনে সীতারামপুর জি প্লট মিলন বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলে ১৫০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি স্বয়ংসিধ্যা সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
 মূলত এই কর্মসূচির মাধ্যমে মেয়েদের বাল্যবিবাহ, শিশু নির্যাতন এবং শিশু অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন গোবর্ধনপুর উপকূলীয় থানা ওসি বিভাস সরকার। থানার এই উদ্যেগে খুশি এলাকার সকল মানুষ। 

ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সর্দার