February 2026


শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।
'

আমি কি কারও জায়গা কেড়েছি?' সলমন-আমিরকে নিয়ে বিস্ফোরক শাহরুখ


বলিউডের সিংহাসন কার? এই লড়াই নতুন নয়। নব্বইয়ের দশক থেকে আজ পর্যন্ত ‘তিন খান’-এর দাপট রমরমিয়ে চলছে বি-টাউনে। তবে জানেন কি, কেরিয়ারের শুরুর দিকেই সলমন খান এবং আমির খানকে নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন শাহরুখ খান? যখন বাকিরা একে অপরকে টেক্কা দিতে ব্যস্ত, তখন ‘বাদশা’ অকপটে স্বীকার করেছিলেন তাঁর সীমাবদ্ধতা আর অন্যদের শ্রেষ্ঠত্ব।

কার জায়গা কেড়েছেন শাহরুখ?



অনেকেই বলেন শাহরুখ নাকি অনেকের জায়গা দখল করে আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। কিন্তু কিং খান নিজে কী ভাবেন? এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে শাহরুখ সাফ জানিয়েছিলেন, তিনি কারও জায়গা কেড়ে নেননি। তাঁর কথায়, “খুবই অভদ্রভাবে লোকে বলে যে আমি অমুক বা তমুককে সরিয়ে দিয়েছি। এটা একেবারেই ভুল। প্রত্যেকে নিজের স্টাইলে কাজ করে। অজয় দেবগণ বা সলমনকে কেউ পছন্দ করেন মানেই যে তাঁরা অন্য কারও চেয়ে খারাপ বা ভালো, বিষয়টা তেমন নয়।”


সলমন ও আমিরকে নিয়ে অকপটে শাহরুখ বলেন, সলমন খান এমন একজন তারকা যাঁর স্টারডম সময়ের হিসেবে অতুলনীয়। তিনি সলমনকে ‘বিগেস্ট স্টার’ হিসেবে মান্যতা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আমির খানের অভিনয়ের বেশ প্রশংসা করেন কিং খান। তিনি আমিরকে দেশের ‘সেরা অভিনেতা’ (Finest Actor) বলে অভিহিত করেন। তাহলে নিজের অবস্থান নিয়ে কী মনে করেন অভিনেতা? শাহরুখ মৃদু হেসে জানিয়েছিলেন, “আমি কেবল আমার নিজের একটা আলাদা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি।”

শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।

অনেকেই হয়তো ভুলে গিয়েছেন, শাহরুখের শুরুটা হয়েছিল ছোট পর্দা দিয়ে। ‘ফৌজি’র অভিমন্যু রাই কিংবা ‘সার্কাস’-এর সেই ছেলেটি আজ বিশ্বসেরা। হেমা মালিনী তাঁর প্রতিভা চিনতে পেরে ‘দিল আশনা হ্যায়’ ছবিতে সুযোগ দিয়েছিলেন, যদিও মুক্তি পেয়েছিল ‘দিওয়ানা’র আগে। তারপর বাজিগর, ডিডিএলজে থেকে আগামীর ‘কিং’ —বলিউডের রাজপুত্রের দৌড় আজও থামেনি।
পৌরনিগমের শাসকদলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিরোধীরা। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, "স্থায়ী কর্মী ছাড়া পৌরনিগমে বাকি সব নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে হয়। বায়োমেট্রিক দিলে আসা-যাওয়া ধরা পড়ছে। আগে এমনিতেই আসতেন না। ৩ দিন পর এসে সই করে মাইনে নিতেন।" আবার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআই কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেন, "কোনও নিয়ম চালু করার আগে যাঁদের জন্য নিয়ম, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাঁদের আগে জানানো দরকার ছিল, কী কারণে বায়োমেট্রিক করা হচ্ছে। তাহলে সমস্যা হত না।"

 কলকাতার পরিচ্ছন্নতা তাঁদের হাতেই, বেতন 'আটকে' যাওয়ায় কাজে অনীহা, কী হবে এবার?
বায়োমেট্রিক সমস্যার জন্য বেতন পাননি অনেক সাফাইকর্মী

তিলোত্তমাকে পরিষ্কার তাঁরাই রাখেন। তবে সাফাইকর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক চালুর পর নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। যার জেরে অর্ধেকের বেশি সাফাইকর্মী পেলেন না বেতন। শহরজুড়ে সাফাইয়ের কাজে তার প্রভাব পড়েছে। কীভাবে বায়োমেট্রিক ইস্যুর সমাধান হবে, তা নিয়ে চিন্তায় কলকাতা পৌরনিগম। বিরোধীরা এই নিয়ে খোঁচা দিচ্ছে শাসকদলকে। 


নির্বাচন দোরগোড়ায়। তার আগে শহরজুড়ে সাফাইকর্মীদের নিয়ে চরম সমস্যায় কলকাতা পৌরনিগম। সাফাইকর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু হয়েছে। অথচ তাঁদের এই নয়া হাজিরার বিষয়ে তেমন কোনও পাঠও দেওয়া হয়নি পৌরনিগমের তরফে। যেকারণে সকালে কাজে যোগ দেওয়ার সময় একবারমাত্র বায়োমেট্রিকের ছাপ দিয়ে তাঁরা কাজ শুরু করছেন। কিন্তু যে নির্দিষ্ট সময় ধরা রয়েছে তাঁদের শিফট শেষের, তার আগেই তাঁরা চলে যাচ্ছেন।


গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীতে সবচেয়ে তীব্রতর কম্পন কলকাতায়!
ফলে গত ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে বায়োমেট্রিক মেশিনে প্রত্যেকের সিঙ্গল পাঞ্চ বা উপস্থিত দেখিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের বিপত্তি হওয়ায় প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ সাফাইকর্মীর বেতন আটকে দেওয়া হয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কলকাতা পৌরনিগম এলাকায় মোট দুই দফায় এই সাফাই করার কাজকর্ম হয়ে থাকে। সারাদিনে সাফাইকর্মীরা একবারই বায়োমেট্রিক মেশিনের ছাপ দিয়ে বের হতে অথবা ঢুকতে পারবেন। সেই কারণেই দুপুরে যে কাজ করছেন তাঁরা, এই সময় বায়োমেট্রিক ছাপ দিতে পারছেন না। ফলে তাঁদের হাজিরার বিষয়টি অস্বচ্ছ এবং অসম্পূর্ণ হিসাবেই থেকে যাচ্ছে।


সবমিলিয়ে শহরের বিভিন্ন অংশে সাফাইকর্মীরা কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা দেখাতে শুরু করেছেন। হয় কাজ করছেন না, নয়তো প্রতিটি অলিগলিতে পৌঁছাচ্ছেন না। শহরের কোথাও কোথাও আবর্জনা দিনভর পড়ে থাকছে। কোথাও দু’দিন পর এসে সেই আবর্জনা সংগ্রহ করছেন সাফাইকর্মীরা। স্বাভাবিকভাবেই চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে কলকাতা পৌরনিগমের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

কলকাতা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে খবর, কলকাতার সবকটি ওয়ার্ড মিলিয়ে মত ১৭৫টি পুর অফিসে এই বায়োমেট্রিক মেশিন লাগানো রয়েছে। তবে কলকাতা পৌরনিগমের ১৫ নম্বর বরোতে জায়গার অভাবে চারটি ওয়ার্ডে এই বায়োমেট্রিক মেশিন বসানো যায়নি। বর্তমানে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে স্থায়ী সাফাইকর্মী রয়েছেন ৫ হাজার ৫৫০ জন। চুক্তিভিত্তিক কর্মী রয়েছেন ৭ হাজার ৯০ জন।

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে খবর, এমনিতেই কর্মীর অভাবে শহরের সাফাই কাজকর্ম ব্যাহত হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডে এক একটি ব্লকে যে পরিমাণ সুপারভাইজার থাকা প্রয়োজন, তা-ও নেই। তথ্য বলছে, প্রায় ৪০-৫৫ শতাংশ এই পদ খালি হয়ে গিয়েছে। যে কারণে কোথায় কাজ হচ্ছে, তা নজরদারি করা সম্ভব হচ্ছে না প্রশাসনের পক্ষে। একদিকে কর্মী সংকট, অন্যদিকে যাবতীয় সিদ্ধান্ত অপরিকল্পিতভাবে নেওয়া, স্বাভাবিক কারণেই চরম সংকটে দিন গুনছে কলকাতা পৌরনিগম কর্তৃপক্ষ।

এই নিয়ে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য দেবব্রত মজুমদার বলেন, “প্রথম দু-একদিন সমস্যা হয়েছিল। যেকোনও জিনিসই প্রথমে একটু সমস্যা হয়। আমরা সমস্তটাই দেখতে বলেছি। শ্রমিকদের কোনও সমস্যা হবে না। প্রযুক্তিগত ত্রুটি থাকলে আমাদের বিভাগকে দেখতে বলেছি। সময়মতো যাতে কাজ হয়, সেজন্য সমস্ত দফতরে বায়োমেট্রিক চালু হবে।”

পৌরনিগমের শাসকদলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিরোধীরা। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “স্থায়ী কর্মী ছাড়া পৌরনিগমে বাকি সব নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে হয়। বায়োমেট্রিক দিলে আসা-যাওয়া ধরা পড়ছে। আগে এমনিতেই আসতেন না। ৩ দিন পর এসে সই করে মাইনে নিতেন।” আবার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআই কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেন, “কোনও নিয়ম চালু করার আগে যাঁদের জন্য নিয়ম, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাঁদের আগে জানানো দরকার ছিল, কী কারণে বায়োমেট্রিক করা হচ্ছে। তাহলে সমস্যা হত না।”

দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতোই ডুরান্ড লাইন সহ আফগান-পাকিস্তানের একাধিক সীমান্তে সংঘর্ষ বাঁধে। শুক্রবার ভোরেও বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে কাবুলে।

 যুদ্ধের ঘোষণা করে দিল পাকিস্তান! রাতভর ডুরান্ড লাইনে ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ, চলল মিসাইল-গোলাবর্ষণ, দখল পাক ঘাঁটি


কাবুল ও ইসলামাবাদ: সীমান্তে চলছে গুলি, রাতভর চলল গোলাবর্ষণ। তুমুল সংঘাত পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে। আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের দাবি, সীমান্তে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তানের হামলার পরই পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। রাতভর একাধিক আফগান শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে বলেই খবর। খোলা যুদ্ধের ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। কাবুল, কান্দাহারে হামলা চালানো হচ্ছে বলেই খবর।


দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতোই ডুরান্ড লাইন সহ আফগান-পাকিস্তানের একাধিক সীমান্তে সংঘর্ষ বাঁধে। শুক্রবার ভোরেও বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে কাবুলে। তালিবান জানিয়েছে, ডুরান্ড লাইনের কাছে পোস্ট মিলিটারি ঘাঁটিগুলি দখল করে নিয়েছে তাদের সেনা। কমপক্ষে ৫৫ জন পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। যদিও পাকিস্তান এই দাবি মানতে নারাজ পাকিস্তান। তাদের দাবি, পাক সেনা নয়, অনেক আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে এই সংঘর্ষে।



তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান মূলত কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় হামলা চালাচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কাপুরুষ পাকিস্তানি সেনা কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে সৌভাগ্যক্রমে কোনও হতাহতের খবর নেই।”

আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেতে অপারেশন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে যে হামলা করেছিল পাকিস্তান, শিশু ও মহিলাদের মৃত্যু হয়েছিল, তার জবাব দিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ডুরান্ড লাইনের কাছে পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহর, কুনার সহ একাধিক সেক্টরে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের সেনা। চার ঘণ্টার সংঘাতে দুটি পাকিস্তানি মিলিটারি বেস ও ১৯টি পোস্ট দখল করে নেওয়া হয়েছে। আরও চারটি পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে পাক সেনা। মোট ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেই দাবি তালিবান সরকারের। এছাড়া প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একটি পাকিস্তানি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ১১ জন আহত বলেই জানানো হয়েছে। নানঘরহরে পাকিস্তানের পাল্টা মিসাইল হামলায় ১৩ জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুমের দরজার ভেঙে ঢুকে পড়েন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অন্য পড়ুয়ারা। তখনই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিছানায় পড়ে থাকা পুলকের নিথর দেহ। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আরজি করের মতো যেন চাপা না-পড়ে!', কল্যাণীর ডাক্তারি-পড়ুয়ার মৃত্যুতে খুনের তত্ত্ব
শুধুই রহস্য়

 যখন কলেজের অন্য পড়ুয়াদের কানে খবর গেল, ততক্ষণে মগরাহাটের পুলক হালদারের দেহতে পচন ধরেছে। তাঁর হস্টেল রুমের বাইরে থেকে পাওয়া যাচ্ছে দুর্গন্ধ। বন্ধ কাঠের দরজার পিছনে যে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকবে, তা আশা করতে পারেনি কেউই। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র, পুলকের মৃত্য়ু ঘিরেই শুধুই ধোঁয়াশা।


শুক্রবার অর্থাৎ আজ পুলকের দেহ ময়নাতদন্ত করার কথা রয়েছে। ইতিমধ্য়েই আত্মীয়দের সঙ্গে কল্যাণীতে পৌঁছে গিয়েছেন বাবা সুধাংশু হালদার। তারপরেই বড় অভিযোগ তুলে দিল পরিবার-পরিজনরা। পুলকের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, বরং নেপথ্যে খুনের চক্রান্ত থাকতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।



এদিন মৃতের আত্মীয় উত্তম মন্ডল বলেন, “ও খুব ভালো ছেলে। আমাদের প্রত্যেকের ওকে নিয়ে খুব আশা ছিল। কিন্তু মনে হয় ওকে খুন করা হয়েছে।” একই দাবি প্রতিবেশীরও। তাঁরা বলেন, “ছেলেটার মুখে দাগ, পিঠে দাগ। অবশ্যই ওকে খুন করা হয়েছে। আরজি করের মতো এই ঘটনাটা যেন চাপা না-পড়ে যায়। সবটাই চক্রান্ত।”


উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুমের দরজার ভেঙে ঢুকে পড়েন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অন্য পড়ুয়ারা। তখনই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিছানায় পড়ে থাকা পুলকের নিথর দেহ। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার করা হয় ফাইনাল ইয়ারের মেডিক্য়াল ছাত্রের পচা-গলা দেহ। কলেজের অন্য পড়ুয়াদের থেকে জানা যায়, গত ২০ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার হস্টেলের ক্যান্টিনে শেষবার খেতে দেখা গিয়েছিল পুলককে। তারপর থেকেই ঘর-বন্দি ছিল সে।

পরিবারের তরফেও একই কথা জানানো হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি মায়ের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেছিলেন পুলক। তারপর কী এমন হল? আচমকাই নিজেকে কেন ঘরবন্দি করে নিলেন তিনি? নাকি ২০ তারিখে কিছু একটা ঘটেছিল, যার ফলাফল বৃহস্পতিবার দেখেছে গোটা কলেজ! একটা রহস্যমৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। হস্টেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। প্রতিবেশীদের দাবি, “একটা ছেলে পাঁচদিন ধরে খেতে আসছে না, হস্টেল কর্তৃপক্ষ কী করছিল? একবার দেখতে যেতে পারল না।”

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা।

কোথাও বাড়িতে ফাটল, কোথাও স্কুলে হুলস্থূল, ভূমিকম্পে ছড়াল আতঙ্ক
ভূমিকম্পের জেরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আতঙ্ক ছড়াল

জোরাল ভূমিকম্প কলকাতায়। কম্পন অনুভূত হল রাজ্যের একাধিক জেলায়ও। কোথাও বাড়িতে ফাটল ধরল। রাস্তায় বেরিয়ে এলেন সাধারণ মানুষ। আতঙ্কে স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে গেল। শুক্রবার দুপুরে আতঙ্কের ছবি ধরা পড়ল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। দেখা যাক, কোথায় কী হল।

এদিন দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী ছিল কম্পন। যদিও এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা। তবে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। আতঙ্কে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ।


এসআইআর-এ 'মৃত'দের পরিবারপিছু হোমগার্ডের চাকরি দেবে নবান্ন! শুভেন্দু বললেন, 'হাফ দাড়ি কাটার সমান'
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। আবার একটি বাড়িতে ফাটল ধরে যায়। বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিকের স্কুলের এক পড়ুয়া বলেন, “ভূমিকম্প হতে স্কুল কেঁপে ওঠে। আমরা ভয় পাই। তখন আমাদের বাইরে আনা হয়।”


ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায়। আতঙ্কে ক্যানিং মহকুমাশাসকের দফতরের কর্মীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। এক কর্মী বলেন, “আমার মাথা ঘুরছিল। আমি ভাবলাম শরীর খারাপ। তারপরই দেখি, সবাই হুড়োহুড়ি করছে। তারপর তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে আসি।” আবার সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন স্কুল থেকে মাঠে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলিতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ডানকুনি পৌরসভার কর্মচারীরা ভয়ে অফিসের বাইরে বেরিয়ে আসেন।

এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে বেকসুর ঘোষণা করেন। রায় শুনেই আদালতের ভিতরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া।

 প্রমাণ দিতে পারেনি CBI, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস কেজরীবাল-সিসোদিয়া
কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল। তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন মণীশ সিসোদিয়া।

আদালতে বড় জয় আম আদমি পার্টির। দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় বেকসুর খালাস অরবিন্দ কেজরীবাল। মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই জানিয়েছে আদালত। সিবিআই দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।


এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে বেকসুর ঘোষণা করেন। রায় শুনেই আদালতের ভিতরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া। আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল বলেন যে সত্যের জয় হল।


 সুপ্রিম কোর্টে ফের রাজ্য! 'জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন', কথা শোনালেন প্রধান বিচারপতি

 'সুব্রত গুপ্ত কেন রয়েছেন?', হাইকোর্টের বৈঠকে রাজ্য-কমিশনের 'ঠান্ডা লড়াই'
দিল্লির আবগারি নীতিতে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে। ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ছিল কেজরীবালের বিরুদ্ধে। ওই মামলাতেই গ্রেফতার হন কেজরীবাল, সিসোদিয়া। জামিনে মুক্তি পেয়ে নির্বাচনেও লড়েছিলেন, কিন্তু আপ সরকারের চূড়ান্ত খারাপ ফল হয় বিধানসভা নির্বাচনে। দিল্লির ক্ষমতায় আসে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আবগারি দুর্নীতি আম আদমি পার্টির নির্বাচনে হারের অন্যতম কারণ ছিল।


এ দিন আদালত জানায় যে কেজরীবালের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের প্রয়োজন থাকে। প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূলচক্রী বলা যায় না। যদি প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ আনা হয়, তাহলে বিচারব্যবস্থার উপরে সাধারণ মানুষের আস্থা প্রভাবিত হবে।

মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেই জানায় আদালত। বয়ানের সঙ্গে বিভিন্ন নথি পড়া হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে অন্যায় নয়, বরং প্রশাসনিক প্রচেষ্টা দেখা গিয়েছে।

আদালতে আরও উল্লেখ করা হয় যে আবগারি নীতি তৈরির আগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল। সিবিআই যে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল, তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদিও সিবিআই জানিয়েছে, তাঁরা রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে।

কেজরীবাল কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "আমি দুর্নীতি করিনি। আমি জীবনে কেবল সততা অর্জন করেছি। এরা মিথ্যা মামলা করেছিল। আজ প্রমাণ হয়ে গেল, কোর্ট বলেছে যে কেজরীবাল সৎ। মণীশ সিসোদিয়া সৎ। আম আদমি পার্টি সৎ।"

আমি দুর্নীতি করিনি', আদালত চত্বরেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল
আদালতের বাইরে অরবিন্দ কেজরীবাল।

বেকসুর খালাস কেজরীবাল। আবগারি নীতি দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হল না দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের বিরুদ্ধে। নিরাপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে ওই মামলাতেই গ্রেফতার হওয়া দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকেও। আবগারি নীতি দুর্নীতি মামলায় ২৩ জনকেই নির্দোষ ঘোষণা করেছে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট। আদালতের রায় ঘোষণা হতেই কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল।


এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট থেকে বেরিয়েই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন অরবিন্দ কেজরীবাল ও মণীশ সিসোদিয়া। কেজরীবাল বলেন, “এরা বলেছিল, কেজরীবাল দুর্নীতি করেছে। আমি দুর্নীতি করিনি”। এই কথা বলেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সান্তনা দেন মণীশ সিসোদিয়া।


আপ টু দ্য মার্ক হয়নি', কমিশন নিয়ে ক্ষোভ শুভেন্দুর
কেজরীবাল এরপর নিজেকে সামলে বলেন, “আমি দুর্নীতি করিনি। আমি জীবনে কেবল সততা অর্জন করেছি। এরা মিথ্যা মামলা করেছিল। আজ প্রমাণ হয়ে গেল, কোর্ট বলেছে যে কেজরীবাল সৎ। মণীশ সিসোদিয়া সৎ। আম আদমি পার্টি সৎ।”

বিচারব্যবস্থার উপরে আস্থা রেখে কেজরীবাল বলেন, “বিগত কিছু বছর ধরে বিজেপি যেভাবে আবগারি দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়াচ্ছিল এবং আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছিল, আজ আদালত সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। সকল অভিযুক্তদের নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় বিচারব্যবস্থার উপরে আমাদের ভরসা আছে। আমি বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, উনি আমাদের ন্যয়-বিচার করেছেন। সত্যের জয় হয়েছে। আমি সবসময় বলেছি যে ভগবান আমাদের সঙ্গে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীজি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি স্বাধীন ভারতে সবথেকে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছেন আম আদমি পার্টিকে শেষ করার জন্য। আম আদমি পার্টির সবথেকে বড় পাঁচ নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। এমনকী, ক্ষমতায় থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর বাড়ি থেকে টেনে বের করে জেলে ভরা হয় এবং ছয় মাস জেলে বন্দি রাখা হয়েছিল। উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে প্রায় দুই বছর জেলে রাখা হয়েছিল। আমাদের উপরে কাদা ছোঁড়া হয়েছিল।”
গতমাসেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এসআইআর-এর কাজে ডমিসাইল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, এমনটাই কখনওই বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। এমনকি, সংশ্লিষ্ট নথিটি কোন ক্ষেত্রে বৈধ, কোনও ক্ষেত্রে অবৈধ — সেই মাপকাঠিও বেঁধে দিয়েছিল কমিশন।

নয়াদিল্লি: দিন পেরলেই বাংলার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা। আর এই এসআইআর-এর বিদায়বেলাতেও সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ রাজ্য। শুক্রবার রাজ্যের হয়েও শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। কলকাতা হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছে তা তিনি টেনে নিয়ে গেলেন শীর্ষ আদালতে।

এবার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় টানল রাজ্য। শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে রাজ্যের সওয়ালকারী অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য় যে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই মর্মে কমিশন অবৈধ ভাবে নানা নির্দেশিকা জারি করছে বলেও অভিযোগ কপিল সিব্বলের।



তবে এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকাগুলি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-বিরোধী বলেও যুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, “পিছন দরজা দিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিকে এড়িয়ে কোন নথি গ্রহণ হবে, কোন নথি গ্রহণ হবে না সেই বিষয়েও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।”

রাজ্য়ের সওয়ালকারীর যুক্তি শোনার পরেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন। এবার এর নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।” একই বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কমিশন ছাড়া আর কে প্রশিক্ষণ দেবে? আমরা স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছি কোন কোন ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। আমাদের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। তা কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।”

গতমাসেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এসআইআর-এর কাজে ডমিসাইল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, এমনটাই কখনওই বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। এমনকি, সংশ্লিষ্ট নথিটি কোন ক্ষেত্রে বৈধ, কোনও ক্ষেত্রে অবৈধ — সেই মাপকাঠিও বেঁধে দিয়েছিল কমিশন। এবার ওই ডমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়েও এজলাসে প্রশ্ন তুললেন কপিল সিব্বল। তাঁর অভিযোগ, “কমিশন বলছে ডমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে না।”

পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “যদি আমাদের নির্দেশে এই নথি গ্রহণ করার কথা বলা থাকে, তা খতিয়ে দেখতে হবেই।” পাশাপাশি জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে তাঁর আরও পর্যবেক্ষণ, “আমাদের বিচারকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকার এবং কমিশন দুই তরফের দায়িত্ব। SIR প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কার্যত ফাঁকা করে দিয়েছি।” সবশেষে বলে রাখা প্রয়োজন, এই সওয়াল-জবাবের সময় সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য় সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। কমিশনকে দুষেই তাঁর ‘ভোটাধিকার থাকবে কিনা এখনও ঠিক নেই’ বলে মন্তব্য করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।


 ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনায়। ভর দুপুরে এরকম ভূমিকম্প হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অফিস পাড়ায়, অফিস বিল্ডিং থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। এই সময় কী কী সাবধানতা নেওয়া উচিত?

কলকাতায় তীব্র ভূমিকম্প, কী কী সাবধানতা নেবেন?
আকাশ মিশ্র


কলকাতায় জোরাল ভূমিকম্প। থরথরিয়ে কেঁপে উঠল মাটি। আজ দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রায় ১০ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনায়। ভর দুপুরে এরকম ভূমিকম্প হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অফিস পাড়ায়, অফিস বিল্ডিং থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। এই সময় কী কী সাবধানতা নেওয়া উচিত?


১. ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ভয়। দিশেহারা হয়ে এদিক-ওদিক দৌড়াদৌড়ি করবেন না। শান্ত থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। ২. যদি ঘরের ভেতরে থাকেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে মেঝেতে বসে পড়ুন (Drop)। মজবুত কোনো টেবিল বা আসবাবের নিচে ঢুকে নিজের মাথা ও ঘাড় রক্ষা করুন । কম্পন না থামা পর্যন্ত টেবিলটিকে শক্ত করে ধরে রাখুন (Hold on)। ৩. জানলার কাচ, আলমারি, ঝাড়লন্ঠন বা দেওয়ালে ঝোলানো ভারী ছবি থেকে দূরে থাকুন। এগুলো ভেঙে গায়ে পড়ে বড় চোট লাগতে পারে। ৪. ভূমিকম্পের সময় ভুলেও লিফট ব্যবহার করবেন না। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আপনি লিফটের ভেতরে আটকে পড়তে পারেন। সিঁড়ি ব্যবহার করা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। ৫. যদি ঘরের বাইরে থাকেন, তবে বহুতল ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি, বড় গাছ বা উড়ালপুল থেকে দূরে কোনো ফাঁকা জায়গায় গিয়ে দাঁড়ান।


'আমি কি কারও জায়গা কেড়েছি?' সলমন-আমিরকে নিয়ে বিস্ফোরক শাহরুখ
কম্পন থেমে যাওয়ার পর

কম্পন থামার পর ঘরের গ্যাসের নব বন্ধ আছে কি না এবং বিদ্যুতের লাইনে কোনো লিক আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। দেশলাই বা লাইটার জ্বালাবেন না, কারণ গ্যাস লিক হয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।

বড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট কম্পন বা ‘আফটার শক’ হওয়া স্বাভাবিক। তাই প্রথম কম্পন থামলেই নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন খবরে কান দেবেন না। সংবাদ মাধ্যম মারফত সরকারি সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখুন।

কলকাতায় জোরাল ভূমিকম্প। থরথরিয়ে কেঁপে উঠল মাটি। আজ দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রায় ১০ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। আতঙ্কে লোকজন রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা।

থরথরিয়ে কাঁপল কলকাতা, ৪৫ সেকেন্ড ধরে দুলল বাংলার এই সব জেলা
প্রতীকী চিত্র। AI দিয়ে নির্মিত।


কলকাতায় জোরাল ভূমিকম্প। থরথরিয়ে কেঁপে উঠল মাটি। আজ দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। ভূমিকম্পের উৎসস্থল খুব একটা গভীর না হওয়ায়, আফটারশকের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


শুধু কলকাতা নয়, তার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, সুন্দরবনেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে প্রবল ঝাঁকুনি-কম্পন অনুভূত হয়। আতঙ্কে বহুতল ছেড়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। হাইকোর্ট থেকে শুরু করে সেক্টর ফাইভ- সমস্ত জায়গাতেই তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে।





বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। উৎসস্থল ছিল সাতক্ষীরায়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৩। সাতক্ষীরার খুব কাছেই অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট, টাকি। এই সমস্ত জায়গাতেও তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।



খবরটি সদ্য এসে পৌঁছেছে। বিস্তারিত বিবরণ আসছে কিছুক্ষণের মধ্যেই। আপনার কাছে দ্রুততার সঙ্গে খবর পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রয়াস। তাই সব খবরের লেটেস্ট আপডেট পেতে এই পেজটি রিফ্রেশ করতে থাকুন। 

উন্নয়নের পথে সাগর: একদিনে চারটি রাস্তার উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের "রাস্তাই আমাদের আস্থা" এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুন্দরবন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার ভোলবদল করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সাগর ব্লকের অন্তর্গত রুদ্রনগর ও ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একদিনে চারটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার শুভ উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাস্তাগুলি কোথাও ছিল কাঁচা মাটির, আবার কোথাও জীর্ণ ইটের। ফলে বর্ষাকালে কর্দমাক্ত রাস্তায় সাধারণ মানুষ, স্কুলপড়ুয়া এবং রোগীদের যাতায়াত করতে চরম নাভিশ্বাস উঠত। স্থানীয় বাসিন্দাদের সেই দীর্ঘদিনের কষ্টের কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার এই আধুনিক পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এদিন মন্ত্রী যে চারটি রাস্তার


 শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন সেগুলি হলো: রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কমলপুর সুকুমার পাত্রর বাড়ি থেকে প্রভাংশু বেরার বাড়ি পর্যন্ত ৮৬০ মিটার ইটের রাস্তার শুভ শিলান্যাস। এবং হরিপদ ভূঞ্যার বাড়ি থেকে জীবনতলা ক্যাভাট পর্যন্ত ১৫১০ মিটারের দীর্ঘ কংক্রিট রাস্তার শুভ শিলান্যাস।মনসাদ্বীপ জীবনতলা গীতা ধাঁড়ার বাড়ি থেকে এস.এস.কে স্কুল পর্যন্ত ১ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার শুভ উদ্বোধন। এছাড়াও ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশান্ত প্রভা পুনর্বাসন সংঘ থেকে শশাঙ্ক গ্রোমের বাড়ি হয়ে বিশ্বজিৎ পড়্যার বাড়ি পর্যন্ত ১৬২২ মিটার দীর্ঘ কংক্রিটের রাস্তার শুভ উদ্বোধন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন, "মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় সুন্দরবনের প্রতিটি কোণায় উন্নয়নের কাজ চলছে। এই রাস্তাগুলি হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে আর কাউকে কাদা মাড়িয়ে হাঁটতে হবে না।"
রাস্তাগুলি নির্মিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের মতে, পাকা রাস্তা হওয়ার ফলে এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে এবং ছাত্রছাত্রীদের স্কুল যাতায়াত অনেক সহজ হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর পাশাপাশি স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি ও ব্লকের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, "আসলে শ্যামল মণ্ডলদেরই মহিলাদের হাতে জুতো খাওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কোন মহিলারা ঝাঁটাপেটা করবে? যাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, তাঁরাই?"

কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেই জুতোপেঁটা...', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক
বাঁদিকে, বাসন্তীর তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল

রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী মাটিতে পা রাখার আগেই ঝাঁটাপেটা করার হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের। কাঠগড়ায় বাসন্তীর তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেই ঝাঁটাপেটা করবে মহিলারা। বিধায়কের কথায়, “আমাদের সাধারণ নাগরিককে ভয় দেখানোর জন্য, আতঙ্ক সৃষ্টি করবার জন্য, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস তৈরি করার উদ্দেশ্যে, তার জন্যই এত আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হল। যদি অন্যায়ভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ নাগরিকদের ওপর অত্যাচার করে, তাহলে গ্রাম বাংলার মেয়েরা ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদ করবে, প্রয়োজন হলে ঝাঁটাপেটাও করবে। এখনও ভোট ঘোষণার অনেক দিন বাকি রয়েছে।”

স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আসলে শ্যামল মণ্ডলদেরই মহিলাদের হাতে জুতো খাওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কোন মহিলারা ঝাঁটাপেটা করবে? যাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, তাঁরাই?”


আমি দুর্নীতি করিনি', আদালত চত্বরেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল
উল্লেখ্য, আগামিকালই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৪৮০ কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে রাজ্যে আসছে। ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে বীরভূমে আসছে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনেই কেবল ৪ কোম্পানি বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। বাকি প্রায় সব জেলাতেই ১০-এর নীচে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। জানা যাচ্ছে, আপাতত ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসছে বাংলায়। এর পরের ধাপে আরও ৪০ কোম্পানি বাহিনী, তারপর আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী আসবে।



বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রাকে প্রচারের হাতিয়ার করতে সচেষ্ট হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই পরিবর্তন যাত্রায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন।

কী বললেন বিচারপতি?
কলকাতা হাইকোর্ট

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। এই আবহে রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। আর সেই পরিবর্তন যাত্রায় অনুমতি দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে সাড়া ন পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের সেই আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি দিল বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের সিঙ্গল বেঞ্চ। তবে মানতে হবে একাধিক শর্ত। আবার বিজেপি ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি চেয়েছিল। সেখানে ১ ও ২ মার্চ এই যাত্রার অনুমতি দিল হাইকোর্ট।    

এদিন শুনানিতে বিজেপির তরফে কোন জেলায় কোন জায়গায় কবে এই যাত্রা বা মিছিল হবে, তার তালিকা দেওয়া হয় হাইকোর্টকে। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ সেই সূচি দেখে সামগ্রিকভাবে জানিয়ে দেন, ওই নির্দিষ্ট দিনগুলিতে ১০০০ হাজার লোক নিয়ে বেলা ২টো থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ওই মিছিল করতে পারবে বিজেপি। তবে কোথাও যাতে কোনও আইনশৃঙ্খলা জনিত সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল বডি শেমিং, বড় সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রাবন্তী
এর আগে পুলিশের কাছে পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি চেয়ে বিজেপি ২২ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিল। কিন্তু তার কোনও জবাব পুলিশ দেয়নি। পুলিশের কাছ থেকে জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে মামলা করে গেরুয়া শিবির। ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রার আবেদন করেছিল তারা। তবে এদিন বিচারপতি ২ দিনের পরিবর্তন যাত্রার নির্দেশ দিয়েছেন।


বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রাকে প্রচারের হাতিয়ার করতে সচেষ্ট হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই পরিবর্তন যাত্রায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন। এখন দেখার, আদালতের নির্দেশের পর পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে কী রণকৌশল নেয় বিজেপি।


 যাঁরা স্ক্রটিনিতে পাশ করে গিয়েছে, যাঁদের কোথাও কোনও সমস্যা নেই, তাঁদের তালিকায় 'অ্যাপ্রুভড' হিসাবে দেখানো হবে। ৫৮ লক্ষ 'ডিলিটেড' অর্থাৎ স্থানান্তরিত ও মৃত ভোটারদের তালিকা আলাদা করে দেখানো হবে। যাঁদের এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি, এমন ৬০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। তাঁদের নামও তালিকায় থাকবে। তাঁদের নামের পাশে উল্লেখ থাকবে, যে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি।


 রাত পোহালেই তালিকা, তার আগে জেনে নিন কোন জেলায় কত লক্ষের নাম অমীমাংসিত?
এসআইআর-এর তথ্য যাচাই (ফাইল ছবি)

রাত পোহালেই এসআইআর-এর তালিকা প্রকাশ। তালিকায় প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষের নাম থাকবে বলে সূত্রের খবর। মীমাংসিত, অমীংসিত, বাতিল- তিনটে ভাগে বেরোবে নাম। অমীমাংসিত হিসাবে তালিকায় থাকবে ৬০ লক্ষের নাম। পরে ধাপে ধাপে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন না অমীমাংসিতরা।

এবার এক নজরে দেখে নিন, কোন জেলায় কত অমীমাংসিত?



মুর্শিদাবাদ ৬ লক্ষ

উত্তর ২৪ পরগনা ৫ লক্ষ ৯০ হাজার

দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৫ লক্ষ ২০ হাজার

পশ্চিম মেদিনীপুর ১ লক্ষ

মেদিনীপুর ৮০ হাজার

উত্তর কলকাতা ৬০ হাজার

দক্ষিণ কলকাতা ৭৮ হাজার

যাঁরা স্ক্রটিনিতে পাশ করে গিয়েছে, যাঁদের কোথাও কোনও সমস্যা নেই, তাঁদের তালিকায় ‘অ্যাপ্রুভড’ হিসাবে দেখানো হবে। ৫৮ লক্ষ ‘ডিলিটেড’ অর্থাৎ স্থানান্তরিত ও মৃত ভোটারদের তালিকা আলাদা করে দেখানো হবে। যাঁদের এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি, এমন ৬০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। তাঁদের নামও তালিকায় থাকবে। তাঁদের নামের পাশে উল্লেখ থাকবে, যে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি।

এ বিষয়ে CEO মনোজ আগরওয়াল বলেন, “যে তালিকাটা বেরোবে, তাতে ৭ কোটি ৮০ লক্ষের নাম বেরোবে। তার মধ্যে যে নাম ডিলিট হয়েছে, তা লেখা থাকবে। অমীমাংসিতের সংখ্যাটা প্রায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫।”

নির্বাচন কমিশনের সাইটেই শনিবার তালিকা দেখতে পারবেন। পাশাপাশি অফলাইনে জেলাশাসকের অফিস, বিডিও দফতর, কমিশন নির্ধারিত সরকারি অফিসেও সরাসরি গিয়ে তালিকা দেখা যাবে।


ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা, আতঙ্কে মানুষজন রাস্তায়, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশ

কলকাতায় আবারও ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের খুলনা। শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের খুলনা সেখানে রিখটার স্কেলের মাত্রা ৪.৯

২০১৮-র ‘গীতা গোবিন্দম’ ছিল বক্স অফিসে সুপারহিট। ৫ কোটির ছবি ব্যবসা করেছিল ১৩০ কোটির ওপর। এরপর ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতেও তাঁদের কেমিস্ট্রি দর্শকদের মন জয় করে নেয়। পর্দার সেই প্রেমই যে ২০২৬-এর ২৬ ফেব্রুয়ারি বাস্তবে পরিণতি পাবে, তা কে জানত! বিয়ের জন্য এক মাসের লম্বা বিরতি নিয়েছেন নবদম্পতি।


হবু বরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ে কেন কাঁপতেন রশ্মিকা? প্রকাশ্যে বিয়ের ছবি


সাতপাকে বাঁধা পড়লেন বিজয়-রশ্মিকা,রাজকীয় ভাবে দুই দফায় তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। শাশুড়ির দেওয়া শাড়িতে অপরূপা রশ্মিকা। আর ভক্তরা সারাদিন ছিলেন তাঁদের ছবির অপেক্ষায়। অবশেষে তাঁদের বিয়ের ছবিও এসেছে প্রকাশ্যে। ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে ছবি। বিজয় নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট করেছেন ছবি।



জল্পনা ছিল অনেক দিনের। কখনও জল্পনা, কখনও বা লুকোচুরি— অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজকীয় ঢঙে চার হাত এক হয়েছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মান্দানার। উদয়পুরের বিলাসবহুল প্রাসাদে বসেছে চাঁদের হাট। কড়া নিরাপত্তার মাঝে একে অপরের হাত ধরলেন দক্ষিণ ভারতের এই দুই মেগাস্টার। কিন্তু জানেন কি, আজ যাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেন রশ্মিকা, এক সময় সেই বিজয়কে দেখলেই রীতিমতো ‘ভয়’ পেতেন অভিনেত্রী?

হ্যাঁ, খোদ ‘পুষ্পা’ গার্লই ফাঁস করেছিলেন এই গোপন কথা। সালটা ২০১৭, ‘গীতা গোবিন্দম’ ছবির শুটিং সেটে প্রথম আলাপ এই তারকা জুটির। তখন বিজয় মানেই ‘অর্জুন রেড্ডি’র সেই রাগী ইমেজ, গোটা দেশে তাঁর ক্রেজ তুঙ্গে। অন্যদিকে রশ্মিকা তখন ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারেই নতুন। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে রশ্মিকা জানিয়েছিলেন, অচেনা মানুষের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর বরাবরই একটু জড়তা কাজ করে। সেখানে বিজয়ের মতো একজন বড় তারকার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি রীতিমতো ভয়ে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল বিজয় হয়তো খুব গম্ভীর বা রাগী হবেন।

তবে প্রথম দিনের সেই ভয় ভাঙতে সময় লাগেনি। রশ্মিকা জানান, বিজয় মানুষ হিসেবে ভীষণ ‘চিল’। কাজ করতে করতে সেই জড়তা কেটে বন্ধুত্বে রূপ নেয়। এমনকী ছবির ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়ও নাকি দুজনে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ছিলেন। অভিনেত্রীর কথায়, “আমার কাছে চুম্বনের মতো দৃশ্যগুলো খুব ব্যক্তিগত। সেটে শয়ে শয়ে মানুষের সামনে যখন এমন শট দিতে হয়, তখন খুব ভয় লাগছিল। কিন্তু পরে বুঝলাম, বিজয়ও আমার মতোই একইরকম অস্বস্তিতে ছিল।” এই মানসিক মিলই বোধহয় তাঁদের একে অপরের কাছাকাছি নিয়ে আসে।

২০১৮-র ‘গীতা গোবিন্দম’ ছিল বক্স অফিসে সুপারহিট। ৫ কোটির ছবি ব্যবসা করেছিল ১৩০ কোটির ওপর। এরপর ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতেও তাঁদের কেমিস্ট্রি দর্শকদের মন জয় করে নেয়। পর্দার সেই প্রেমই যে ২০২৬-এর ২৬ ফেব্রুয়ারি বাস্তবে পরিণতি পাবে, তা কে জানত! বিয়ের জন্য এক মাসের লম্বা বিরতি নিয়েছেন নবদম্পতি। আপাতত উদয়পুরের রোম্যান্টিক আবহে বিশেষ দিন কাটাচ্ছেন, মিস্টার ও মিসেস দেবেরাকোন্ডা।


আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম যেন সত্যিই দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছিল তারা। আজ এই মাঠেই টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মার্কর‍্যাম। শুরুতেই পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।


কিছুক্ষন আগেই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে চিপকে নেমেছেন সূর্যকুমার যাদবরা। তার আগে ভারতীয় শিবিরের জন্য স্বস্তির খবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ের ফলে শেষ চারে উঠে গেল প্রোটিয়ারা। উল্টো দিকে, রান রেট কমে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। শেষ ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে হারলেই বিদায় ঘটে যাবে ক্যারিবিয়ানদের। ম্যাচের আগে ক্যারিবিয়ানদের রান রেট ছিল +৫.৩৫। হারের ফলে রান রেট কমে দাঁড়িয়েছে +১.৭৯। এমতাবস্থায় একটু হলেও ফুরফুরে মেজাজে নামবেন সূর্যরা।


আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম যেন সত্যিই দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছিল তারা। আজ এই মাঠেই টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মার্কর‍্যাম। শুরুতেই পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একসময় ৬০ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর থেকেই পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন রোমারিও শেফার্ড। ৩৭ বল খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন ৫২ রানে। তাঁকে সাহায্য করেছেন জেসন হোল্ডার। তিনি করেছেন ৩১ বলে ৪৯। তাঁদের ইনিংসের সুবাদেই ১৭৬ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয় জিম্বাবোয়ে। জবাবে ব্যাটে নেমে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করল প্রোটিয়া ব্রিগেড। ৯ ওভারের মধ্যেই ১০০ রানের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে তারা। ভাল শুরু করেও আউট হয়ে যান কুইন্টন ডি’কক (৪৭)। তিনে নেমে রায়ান রিকলটন শুরু থেকেই প্রহার করতে শুরু করেন ক্যারিবিয়ান বোলারদের। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন অধিনায়ক আইডেন মার্কর‍্যাম। তিনি নট আউট থাকেন ৮২ রানে। তাঁদের যুগলবন্দীতেই ২৩ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।


আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যেত ভারতের। তাদের হারের ফলে এখনও বেঁচে ভারতের আশা। ভারতকে আজ জিম্বাবোয়েকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে ক্যারিবিয়ানদের। তাহলেই আবার শেষ চারে পৌঁছে যাবেন অভিষেকরা।

জানা গিয়েছে, প্রায় সব ভোটারের নাম থাকবে ওই তালিকায়। এর মধ্যে তিনটি ভাগ থাকবে- অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত, নিষ্পত্তি হয়নি এমন ভোটার, ডিলিটেড বা যাদের নাম বাদ পড়ছে। ডিলিটেড তালিকায় সেই সব নাম থাকবে, যে সব ভোটারের মৃত্যু হয়েছে বা স্থানান্তরিত হয়েছেন।

 কত নাম থাকবে ২৮ তারিখের তালিকায়? অমীমাংসিত ভোটার কত?

রাজ্যে যেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এসআইআর-এর শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। ভিনরাজ্য থেকে বিচারক আনা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। এরই মধ্যে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হতে চলেছে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। সেখানে ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারের নাম থাকবে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।

জানা গিয়েছে, প্রায় সব ভোটারের নাম থাকবে ওই তালিকায়। এর মধ্যে তিনটি ভাগ থাকবে- অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত, নিষ্পত্তি হয়নি এমন ভোটার, ডিলিটেড বা যাদের নাম বাদ পড়ছে। ডিলিটেড তালিকায় সেই সব নাম থাকবে, যে সব ভোটারের মৃত্যু হয়েছে বা স্থানান্তরিত হয়েছেন। যাদের নিষ্পত্তি হয়নি, সেই তালিকায় থাকবে তাঁদের নাম, যাঁদের ক্ষেত্রে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ধরা পড়েছে অথবা যাঁদের নাম ম্যাপিং করা যায়নি, তাঁদের নাম ওই নিষ্পত্তি না হওয়া তালিকায় থাকতে পারে। ফর্ম ৬ জমা দিয়ে যাঁরা নতুন করে নাম তুলেছেন, তাঁদের নামও থাকবে ২৮ তারিখের তালিকায়।


এদিকে, মীমাংসা হয়নি, এমন ভোটারের তালিকায় ৬০ লক্ষ নাম থাকবে। সবচেয়ে বেশি লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি ও আনম্যাপড মিলে অমীমাংসিত ভোটারদের নাম।অমীমাংসিত ভোটারের সংখ্যা সবথেকে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায়- ৫ লক্ষ ৯০ হাজার, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫ লক্ষ ২০ হাজার, সবথেকে কম নাম রয়েছে কালিম্পং-এ।

আরও জানা গিয়েছে যে ভোটের দফার আগে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করবে কমিশন। ফলে, বৈধ ভোটাররা সবাই ভোট দিতে পারবে বলেই আশ্বাস দিয়েছে কমিশন।


নিক-প্রিয়াঙ্কা চেয়েছিলেন এই কঠিন সময়টি ব্যক্তিগত রাখতে। তবে খবর লিক হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই তিন ঘণ্টার নোটিশে প্রিয়াঙ্কা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় মালতীর আগমনের কথা জানান। সেই সময় তাঁরা নিজেরাও জানতেন না মালতী শেষ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে কি না।

সন্তানের গায়ে রং হয়ে গিয়েছিল নীলচে-বেগুনি, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা প্রিয়াঙ্কার


মা হওয়ার আনন্দ নয়, বরং এক চরম মৃত্যুভয় গ্রাস করেছিল প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের জীবনের অন্ধকারতম অধ্যায় নিয়ে মুখ খুললেন গ্লোবাল আইকন। সারোগেসির মাধ্যমে মা হলেও, কন্যা মালতী মেরি চোপড়া জোনাসের জন্মের সময় যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাঁদের যেতে হয়েছিল, তা শুনলে শিউরে উঠবেন।


সাধারণত একটি সুস্থ শিশুর জন্ম হয় ৪০ সপ্তাহের পর। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, মাত্র ২৭ সপ্তাহে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই জন্ম হয় মালতীর। জন্মের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। চিকিৎসকরাও নিশ্চিত ছিলেন না যে সে আদৌ বেঁচে ফিরবে কি না। প্রিয়াঙ্কার কথায়, জন্মের সময় মালতীর গায়ের রঙ নীলচে-বেগনি হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালের ইনকিউবেটরে শুয়ে থাকা একরত্তি মেয়ের অবস্থা দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন নিক ও প্রিয়াঙ্কা। অভিনেত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, “হাসপাতালের নার্সদের আঙুলের চেয়েও ছোট ছিল আমার মেয়ের মুখ। আমরা ১০০ দিন ধরে প্রতিদিন নিয়ম করে হাসপাতালে যেতাম এবং কাঁচের ওপারে ওর বেঁচে থাকার লড়াই দেখতাম।”


নিক-প্রিয়াঙ্কা চেয়েছিলেন এই কঠিন সময়টি ব্যক্তিগত রাখতে। তবে খবর লিক হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই তিন ঘণ্টার নোটিশে প্রিয়াঙ্কা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় মালতীর আগমনের কথা জানান। সেই সময় তাঁরা নিজেরাও জানতেন না মালতী শেষ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে কি না।


লন্ডনের বাড়িতে একটি বড় শিবের মূর্তি আছে প্রিয়াঙ্কার। জীবনের কঠিনতম সময়ে সেই ঈশ্বরের কাছেই নিজেদের সঁপে দিয়েছিলেন এই তারকা দম্পতি। প্রিয়াঙ্কা জানান, “আমি এমনিতে খুব শক্ত মনের মানুষ, সব সমস্যার সমাধান খুঁজি। কিন্তু মালতী যেদিন প্রথম সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরল, সেদিন শিবমূর্তির সামনে বসে আমি অঝোরে কেঁদে উঠেছিলাম। তবে সেটা ভয়ের কান্না ছিল না, ছিল এক অসীম কৃতজ্ঞতার কান্না।”
বর্তমানে মালতী মেরি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং বাবা-মায়ের চোখের মণি। তবে সেই ১০০ দিনের যন্ত্রণার স্মৃতি আজও তাড়া করে বেড়ায় ‘দেশি গার্ল’-কে।

উদয়পুরের বিলাসিতার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে এখানকার হোটেল বা প্যালেসগুলোর ভাড়ার কথা। বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের ভেন্যু ‘মোমেন্টোস বাই আইটিসি হোটেলস’-এর এক এক রাতের ঘর ভাড়া শুরুই হয় ১.৫২ লক্ষ টাকা থেকে! এর আগে পরিণীতি চোপড়া বা রাঘব চাড্ডার বিয়ের সময় ‘দ্য লীলা প্যালেস’-এর ভাড়াও ছিল আকাশচুম্বী। বিলাসিতার এই দাম দিতে পিছপা হন না তারকারা, কারণ বিয়ের দিন রাজকীয় অভিজ্ঞতাই এখন চাইছেন বেশিরভাগ তারকা।


উদয়পুরের রাজকীয়ভাবে কারা কারা সাতপাক ঘুরেছেন?

উদয়পুরকে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করতে প্রথম দেখা যায় রবীনা ট্যান্ডনকে। ২০০৪ সালে জগ মন্দির প্যালেসে অনিল থাদানির সঙ্গে তাঁর বিয়ে ছিল সেই সময়ের সবথেকে আলোচিত বিষয়। ১০০ বছরের পুরনো ডোলিতে চড়ে রবীনার সেই এন্ট্রি আজও এক মাইলফলক।

এরপর একে একে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন অনেকে:

পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চাড্ডা: ২০২৪ সালে আম আদমি পার্টির নেতা রাঘব আর বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতির বিয়ে হয় লেক পিচোলার ধারের ‘দ্য লীলা প্যালেস’-এ। নৌকায় চড়ে বরযাত্রী আসার সেই দৃশ্য ছিল পুরো সিনেমার মতো।



অন্যান্য হেভিওয়েট: এছাড়াও সঞ্জয় হিন্দুজা, শ্রিয়া সরণ এবং রজত টোকাসের মতো তারকারাও তাঁদের জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে বেছে নিয়েছিলেন এই মায়াবী শহরকেই।

কেন বার বার উদয়পুরকেই বেছে নিচ্ছেন তারকারা?

উদয়পুরের প্রাসাদগুলো শহরের মূল ভিড় থেকে বিচ্ছিন্ন। লেকের মাঝখানে বা পাহাড়ের খাঁজে অবস্থিত হওয়ার কারণে বাইরের মানুষের প্রবেশ প্রায় অসম্ভব। এই নিরাপত্তাই চাইছেন বহু তারকা।

এখানকার মার্বেল প্যালেসগুলোতে আলাদা করে কোনো সেট বানানোর প্রয়োজন পড়ে না। রাজস্থানি আতিথেয়তা, লোকগীতি আর মশাল জ্বালানো রাতের পরিবেশ এমনিতেই এক রূপকথার জগত তৈরি করে।

মেহেন্দি থেকে শুরু করে সঙ্গীত আর মূল বিয়ে এখানের বড় বড় হোটেলগুলোতে সব অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা ঐতিহ্যবাহী কর্নার রয়েছে। ফলে অতিথিদের যাতায়াতের ঝামেলা পোহাতে হয় না।

তথ্য বলছে, উদয়পুরের এই ‘ওয়েডিং ইন্ডাস্ট্রি’ এখন বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা ছাড়িয়ে গিয়েছে। বিজয় আর রশ্মিকা সেই দীর্ঘ তালিকায় নতুন নাম। আজ সবার নজর তাঁদের বিয়ের দিকেই।

বৃদ্ধাঙ্গুলের পাশ দিয়ে যে রেখাটি নিচে নেমে গেছে, সেটিই আয়ুরেখা। দেখুন তো এই রেখার মাঝপথে কোনো জায়গায় রেখাটি দুভাগ হয়ে আবার জোড়া লেগেছে কি না। যদি লেগে থাকে, তবে সেটিই সেই বিশেষ চিহ্ন।

হাতের ওপরের দিক থেকে আয়ুরেখার মাঝখান পর্যন্ত অংশকে মোটামুটি ৪০ বছর বয়স ধরা হয়। যদি এই দ্বীপ চিহ্নটি রেখার মাঝ বরাবর থাকে, তবে বুঝে নিন মাঝবয়সেই আপনার নিজের বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হবে।

বৃদ্ধাঙ্গুলের নিচের ফোলা অংশটি (শুক্র পর্বত) যদি মসৃণ আর উঁচু হয়, তবে আপনার সেই বাড়িটি কেবল সাধারণ কোনো ফ্ল্যাট নয়, বরং হবে আস্ত এক রাজকীয় অট্টালিকা!

কেন এই চিহ্নটি এত স্পেশাল?

প্রাচীন শাস্ত্রে বলা হয়েছে, হাতের এই বিশেষ জ্যামিতিক পরিবর্তন আসলে মানুষের মানসিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন। যখন কেউ বড় কোনো বিনিয়োগ বা বাড়ি তৈরির জন্য প্রস্তুত হয়, তখনই তাঁর হাতের রেখায় এমন সূক্ষ্ম পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।


জীবনে ভালো-মন্দ যেন মুদ্রার দু' পিঠ। কিছুদিন আগেই বেশ খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ি। তিনি হারিয়েছেন বাবা-মাকে। তবে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। কিছুদিন আগে জন্মদিন পালন করেছেন। কাছের বন্ধুদের জন্যই দিনটা সুন্দর হয়েছে, সে কথা লিখেছেন অভিনেত্রী।


টলিপাড়ায় নতুন পাইলট যোগ? সম্পূর্ণা লাহিড়ি কি প্রেমে পড়লেন?


জীবনে ভালো-মন্দ যেন মুদ্রার দু’ পিঠ। কিছুদিন আগেই বেশ খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ি। তিনি হারিয়েছেন বাবা-মাকে। তবে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। কিছুদিন আগে জন্মদিন পালন করেছেন। কাছের বন্ধুদের জন্যই দিনটা সুন্দর হয়েছে, সে কথা লিখেছেন অভিনেত্রী।

একটা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সম্পূর্ণা লেখেন, ”এই জন্মদিনটা অন্যরকম ছিল। কঠিন ছিল। বাবা-মাকে ছাড়া। কিন্তু তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ যাঁরা আমাকে এই জন্মদিনে অনেক ভালোবাসা দিলেন। এবং অনিন্দ্য তোমাকে ধন্যবাদ সব সময়ে আমার পাশে থাকার জন্য। আমাকে হাসানোর জন্য।”


সম্পূর্ণা অনিন্দ্য বিশ্বাস নামে যে বন্ধুকে ট্যাগ করেছেন ইনস্টাগ্রামে, তিনি পেশায় পাইলট। টলিপাড়ায় তারপর থেকেই চর্চা, দু’ জনে নাকি প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। কিন্তু তা প্রকাশ্যে আনেননি এত দিন। সম্পূর্ণার এই পোস্ট নাকি স্বীকারোক্তির প্রথম ধাপ।এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য অভিনেত্রীকে ফোন করা হয়েছিল। তিনি ফোন ধরেননি। তাঁকে মেসেজ পাঠিয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও, কোনও উত্তর দেননি। সম্পূর্ণার ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বক্তব্য, ”বিষয়টা ব্যক্তিগত পর্যায়ে রয়েছে। তবে বন্ধুত্বের বয়স এক বছরের বেশি। দুর্গাপুজোর সময়ে দু’ জনকে শহরের এক নামী পুজোয় একসঙ্গে যেতে দেখা গিয়েছিল। এখন বিষয়টা বন্ধুত্ব নাকি প্রেমের পর্যায়ে রয়েছে, সেটা সম্পূর্ণার পক্ষেই বলা সম্ভব।”


বন্ধুত্বও যদি হয়, সম্পূর্ণা যে একজন ভালো বন্ধু পেয়েছেন, সে কথা স্পষ্ট। এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক বা সিনেমায় অপেক্ষাকৃত কম দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। তবে তিনি পুরোদমে অভিনয় করতে চান, এমনই জানা গেল।

 এক সময় ধন-ঐশ্বর্য্য়ে মুকেশ অম্বানীর থেকেও ধনী ছিলেন অনিল অম্বানী। তবে বিগত দুই দশকে তাঁর সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। সম্প্রতি আয়কর দফতর ও ইডির র‌্যাডারে রয়েছেন ব্যাঙ্ক ঋণ ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগে।     


মাথার উপরের ছাদ বাজেয়াপ্ত, বিধ্বস্ত চেহারায় ED অফিসে হাজির অনিল অম্বানী
ফাইল চিত্র।

ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন অনিল অম্বানী। আর্থিক তছরুপ মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দিল্লি অফিসে তলব করা হয়েছিল রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যানকে। ইতিমধ্যেই অনিল অম্বানীর ৩৭১৬ কোটি টাকার বাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ভারত তথা এশিয়ার সবথেকে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানী। তারই ছোট ভাই অনিল অম্বানী। রিলায়েন্স পাওয়ার থেকে প্রতিরক্ষা, ছড়িয়ে রয়েছে অনিল অম্বানীর বিরাট সাম্রাজ্য। এক সময় ধন-ঐশ্বর্য্য়ে মুকেশ অম্বানীর থেকেও ধনী ছিলেন অনিল অম্বানী। তবে বিগত দুই দশকে তাঁর সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। সম্প্রতি আয়কর দফতর ও ইডির র‌্যাডারে রয়েছেন ব্যাঙ্ক ঋণ ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগে।


এ দিন সকালে ৬৬ বছর বয়সী অনিল অম্বানী সাদা শার্ট ও জ্যাকেট পরে দিল্লিতে ইডি অফিসে হাজিরা দেন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে জেরা করা হচ্ছে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন সংক্রান্ত ব্যাঙ্ক ঋণ প্রতারণা মামলায়।

গতকালই জানা যায়, অনিল অম্বানীর মুম্বইয়ের পালি হিলসের ১৭ তলা বাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই বাড়ির একটা অংশ, যার বাজার মূল্য ৪৭৩.১৭ কোটি টাকা, গত বছর নভেম্বর মাসেই ইডি বাজেয়াপ্ত করেছিল। এবার এই বাড়ি নিয়ে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট বা পিএমএলএ (PMLA)-র অধীনে প্রভিশনাল অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে। এর ফলে তদন্ত চলাকালীন অনিল অম্বানী এই সম্পত্তি হস্তান্তর বা বিক্রি করতে পারবেন না।

ইডির তথ্য অনুযায়ী, অনিল অম্বানীর আরকম (RCOM) ও এর গ্রুপ কোম্পানিগুলি অন্তর্দেশীয় ও বিদেশি ঋণ মিলিয়ে মোট ৪০ হাজার ১৮৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। অনিল অম্বানীর ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এই মামলার তদন্তে।

তালিকায় রয়েছেন রাজ্য পুলিশের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পাণ্ডের নাম। রয়েছে ডিজি হোমগার্ড এন আর বাবু, ডি জি কারেকশনাল সার্ভিস সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, ডিরেক্টর সিভিল ডিফেন্স সঞ্জয় সিং-সহ ৮ আইপিএস-এর নাম। চলতি বছরের ৩১ শে জানুয়ারি তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি রাজীব কুমার অবসর নেওয়ার পরে রাজ্য সরকার ১৯৯৩ ব্যাচের আইপিএস পীযূষ পাণ্ডেকে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পদে নিয়োগ করে।

ডিজি নিয়োগে তোড়জোড়, রাজ্যের কাছে নামের তালিকা চেয়ে পাঠাল কেন্দ্র
ডিজি নিয়োগে জটিলতা কাটতে চলেছে

রাজ্যে স্থায়ী ডিজিপি নিয়োগের র জন্য নামের তালিকা চেয়ে পাঠাল কেন্দ্র। ইউপিএসসি রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে ডিজিপি র শূন্য পদে নিয়োগের জন্য ২০২৬-এর ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ডিজি পদে উন্নীত সব আইপিএসের নাম পাঠাতে। নবান্ন সূত্রের খবর, ইউপিএসসির চিঠি পেয়ে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে রাজ্য। আগামী শুক্রবারের মধ্যে এই তালিকা ইউপিএসসির কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে, অনুজ শর্মার নাম। তিনি এখন ডিজি ফায়ার পদে রয়েছেন।

তালিকায় রয়েছেন রাজ্য পুলিশের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পাণ্ডের নাম। রয়েছে ডিজি হোমগার্ড এন আর বাবু, ডি জি কারেকশনাল সার্ভিস সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, ডিরেক্টর সিভিল ডিফেন্স সঞ্জয় সিং-সহ ৮ আইপিএস-এর নাম। চলতি বছরের ৩১ শে জানুয়ারি তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি রাজীব কুমার অবসর নেওয়ার পরে রাজ্য সরকার ১৯৯৩ ব্যাচের আইপিএস পীযূষ পাণ্ডেকে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পদে নিয়োগ করে।


 'চায়ে পে চর্চায়' বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে 'মারধর'
বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাচ্ছেন না কাঞ্চন! মুখ খুললেন অভিনেতা
সেই সময় রাজ্যের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নামের তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ফলে স্থায়ী নিয়োগে ছাড়পত্র দিতে অস্বীকার করে কেন্দ্র। প্রশাসনিক কাজকর্ম সচল রাখতেই তখন ১৯৯৩ ব্যাচের আইপিএস অফিসার পীযূষ পাণ্ডেকে ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি হিসেবে নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে ডিজি নিয়োগ নিয়ে জটিলতা ছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে সেই জট কাটতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


সেই সময় বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, এটা ‘ফোর শক’ হতে পারে। বড় ভূমিকম্পের আগে এমনটা হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। এই ভূমিকম্প অনেকটা পঙ্গপালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে আসে। পশ্চিমবঙ্গের জন্যও যে একটা বড় বিপদ সঙ্কেত, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। এই আবহের মধ্যেই আবার ভূমিকম্প, নিতান্তই যে চিন্তার তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


 ২০ দিনে ৫০ বেশি ভূমিকম্প সিকিমে, এক ঘণ্টার মধ্যে ২ বার কাঁপল উত্তরবঙ্গও
প্রতীকী চিত্র।

ফের উত্তরবঙ্গে ভূমিকম্প। মৃদু কম্পন অনুভূত হল দার্জিলিং-জলপাইগুড়িতে। এক ঘণ্টার মধ্যে ২ বার কাঁপল উত্তরবঙ্গ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, সিকিমের ভূমিকম্পের জেরেই কেঁপেছে উত্তরবঙ্গ। বারবার কেন এত কম্পন? বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্বাভাস? উঠছে প্রশ্ন।

ফেব্রুয়ারির শুরু দিকে বারেবারে কেঁপেছে সিকিম। সে রাজ্যের একাধিক জায়গায় একাধিকবার কম্পন অনুভূত হয়েছে। জানা যাচ্ছে প্রায় ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। পরপর এতবার কম্পন খুব বেশি দেখা যায়নি এর আগে। সিকিমের সেই কম্পনের প্রভাব পড়ে এ বাংলাতেও। উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ জায়গায় এই কম্পন অনুভূত হয়েছিল। একদিনে কখনও আবার বারোটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।



সেই সময় বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, এটা ‘ফোর শক’ হতে পারে। বড় ভূমিকম্পের আগে এমনটা হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। এই ভূমিকম্প অনেকটা পঙ্গপালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে আসে। পশ্চিমবঙ্গের জন্যও যে একটা বড় বিপদ সঙ্কেত, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। এই আবহের মধ্যেই আবার ভূমিকম্প, নিতান্তই যে চিন্তার তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

জানা যাচ্ছে,সিকিমের গেলসিংয়ে ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ১১টা ৩৪ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। মূল কম্পনের পর ৫ আফটারশক সিকিমে। ২০ দিনে ৫০ বেশি ভূমিকম্প হল সে রাজ্যে।



কলকাতা থেকে জেলার পোস্ট অফিসগুলিতে মেইল করে দ্রুত অফিস খালি করে দেওয়ার কথা বলা হয়। দুপুর ঠিক ১টা ১৫ মিনিটে বিস্ফোরণ হবে বলে হুমকি মেইল পাঠানো হয়। সেখানে বলা আছে, ওই অফিসগুলিতে সায়নাইড মিশ্রিত আরডিএক্স রাখা আছে। তড়িঘড়ি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

আসানসোল-কাটোয়া-কৃষ্ণনগর, সায়নাইড গ্যাস মিশ্রিত আরডিএক্স রাখা! দ্রুত খালি করা হচ্ছে একের পর এক পোস্ট অফিস

কলকাতা থেকে জেলা, ভরদুপুরে কার্যত গোটা রাজ্য জুড়ে বোমাতঙ্ক। আদালতের পর এবার পোস্ট অফিসে আতঙ্ক ছড়াল। হুমকি মেইলের জেরে দ্রুত কর্মী ও গ্রাহকদের দফতর থেকে বের করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ঠিক দুপুর ১টা নাগাদ ব্যস্ত সময়ে এই মেইল আসে। কলকাতার পাসপোর্ট অফিস থেকে শুরু করে আসানসোল, কাটোয়া, কৃষ্ণনগর- একাধিক জায়গার পোস্ট অফিসে এই বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছে।

গত মঙ্গলবার থেকে রাজ্য জুড়ে বোমাতঙ্ক ছড়াতে শুরু করে। রাজ্যের একাধিক আদালতে, এমনকী কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টেও বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়। বিচারকদের একাংশ নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে বুধবার সেই আতঙ্ক আরও বাড়ে যখন আবারও একের পর এক আদালতে বোমার হুমকি চিঠি আসে। তবে বৃহস্পতিবারও যেভাবে আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করেছে, তাতে আর নিছক হুমকি বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগে পুলিশ।


 বাম্পারে বাইক থেকে ছিটকে পড়ে আহত মহিলা, দেখতে পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে ফিরহাদ যা করলেন..., বাহবা কুড়োলেন মেয়র
এদিন কলকাতার রুবির মোড়ের কাছে পাসপোর্ট অফিসে প্রথমে আতঙ্ক ছড়ায়। সব আধিকারিক ও কর্মীদের দ্রুত বেরিয়ে যেতে বলা হয়। তারপর একে একে পোস্ট অফিসে যায় বার্তা।

চুঁচুড়া

চুঁচুড়া হেড পোস্ট অফিস যেখানে পাসপোর্ট অফিস রয়েছে সেখানে এবং শ্রীরামপুর পোস্ট অফিসে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। আরডিএক্স বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়। শ্রীরামপুরে পোস্ট অফিস সংলগ্ন একটি স্কুলেও বোমার খবর যায়। অভিভাবকরা দ্রুত তাদের সন্তানদের নিয়ে বাড়ির পথ ধরেন।

পূর্ব বর্ধমান

ই-মেইলে বোমা থাকার খবর পেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য ডাকঘরে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ একটি মেইল করে জানানো হয়, ওই অফিসের ভিতর বোমা রয়েছে। সেটি যে কোনও সময় বিস্ফোরণ হতে পারে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কর্মীরা। তাঁরা অফিসে তালা ঝুলিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে যান।

আরামবাগ

আরামবাগের মুখ্য ডাকঘরে বোমাতঙ্ক। গ্রাহক ও পোস্ট অফিস কর্মীদের বাইরে বের করে দিয়েছে পুলিশ। আরামবাগের এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী তল্লাশি চালাচ্ছে। শহরের এই মুখ্য ডাকঘরে আধার কার্ডের সংশোধনী ও নতুন আধার কার্ড তৈরি হয়। তাছাড়াও পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাজ চলে।

এছাড়া ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ময়দান সহ একাধিক জায়গায় একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছে। তিনদিন ধরে সরকারি দফতরে এভাবে বোমাতঙ্ক ছড়াচ্ছে, তারপরও পুলিশ কি কোনও দিশা পাচ্ছে না? উঠছে প্রশ্ন।

সব মিলিয়ে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গড়িয়ে যেতে পারে এসআইআর-এর প্রক্রিয়া। কমিশন সূত্রে খবর, ১৪ মার্চ তথা মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে বাংলায় ভোট ঘোষণা হবে না। সে ক্ষেত্রে ভোট শুরু হবে এপ্রিলে তৃতীয় সপ্তাহে। এদিকে, আগামী ৭ মে শেষ হচ্ছে রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ।

ঠিক কবে হবে ভোট ঘোষণা, কত দফায় ভোট বঙ্গে?

বাংলায় এসআইআর প্রায় শেষের পথে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে রাজ্যবাসী। আর তারপরই ভোটের কাউন্টডাউন শুরু। তবে মার্চ মাসের শুরুতে কি আদৌ ভোট ঘোষণা করা সম্ভব হবে? এই নিয়েই বেড়েছে জল্পনা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন ধার্য করা হলেও তারপরও কাজ বাকি থাকবে। আর সেই জটিলতা না মিটলে ভোট শুরু হওয়া সম্ভব নয়।


কমিশন সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ঠিকই, তবে ধাপে ধাপে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করা হবে। এছাড়া প্রশানসিক কাজ এখনও অনেক বাকি আছে। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসার কাজও হয়নি এখনও। আধিকারিকদের বৈঠক স্থগিত হয়ে গিয়েছে। ফলে, ভোট ঘোষণার আগে সেইসব কাজ শেষ করতে হবে।


তাড়াতাড়ি বাড়ি আসো', বারবার বাবাকে মেসেজও করে, পড়ার জন্য বাড়ি থেকে যায় HS পরীক্ষার্থী, কিন্তু যা হল...শিহরিত সকলেই
'দরকারে বলিদান...', বামেদের সঙ্গে জোট নিয়ে কী বললেন নওশাদ?
সব মিলিয়ে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গড়িয়ে যেতে পারে এসআইআর-এর প্রক্রিয়া। কমিশন সূত্রে খবর, ১৪ মার্চ তথা মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে বাংলায় ভোট ঘোষণা হবে না। সে ক্ষেত্রে ভোট শুরু হবে এপ্রিলে তৃতীয় সপ্তাহে। এদিকে, আগামী ৭ মে শেষ হচ্ছে রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ। তার আগেই গোটা ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ৩ থেকে ৪ দফায় ভোট হবে বলে জানা যাচ্ছে।

তৃণমূলের দাবি, নির্বাচন কমিশন পুরোটা জানত। আগেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। তৃণমূলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “এত তাড়াহুড়োর মধ্যে যে এটা সম্ভব নয়, তা আগেই বোঝা উচিৎ ছিল।”

মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র ছিলেন পুলক। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়। জানা গিয়েছে, ২০ তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর ঘর থেকে বেরননি পুলক। এমনকী ক্যান্টিনেও যাননি।


অনেকক্ষণ থেকে বেরচ্ছিল পচা গন্ধ, কল্যাণী JNM-এর হস্টেল থেকে ডাক্তরি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার
দেহ উদ্ধার

ফের রাজ্যে আরও এক ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার। সম্প্রতি, দুর্গাপুরের বেসরকারি একটি কলেজ থেকে দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তবে এবার আর বেসরকারি নয়, নদিয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালের হস্টেল থেকে উদ্ধার ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃতদেহ।

মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র ছিলেন পুলক। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়। জানা গিয়েছে, ২০ তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর ঘর থেকে বেরননি পুলক। এমনকী ক্যান্টিনেও যাননি।


পুরুলিয়ার গভীর জঙ্গলে খোঁজ মিলল 'রহস্যের'! এতদিন বিশেষজ্ঞরা টেরটুকুও পাননি
কেন সেলিব্রিটিদের বিয়ের ‘ডেস্টিনেশন’ এখন শুধুই উদয়পুর? ভাড়ার অঙ্ক জানলে চোখ কপালে উঠবে!
বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুম থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হয়। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা হাসপাতাল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কল্যাণী থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দেখতে পান বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পুলক। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে। হস্টেলের বাকি আবাসিকদের থেকে জানা গিয়েছে, রুমে একাই থাকতেন পুলক। সামনের মাসে ৫ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু। তার আগেই মৃত্যু হয় পুলকের। পরীক্ষার চিন্তা নাকি সম্পর্কের টানাপোড়েন? কেন এই ঘটনা? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। খবর দেওয়া হয়েছে বাড়িতে।

কলেজ অফ মেডিসিন অ্যান্ড জেএনএম হাসপাতালের ডাক্তার মনিদীপ পাল বলেন, ” “দুপুর দুটো আড়াইটে নাগাদ জানতে পেরেছি। পুলিশকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘর খোলা হয়েছে। তখনই দেহ উদ্ধার হয়েছে।”

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এক সূত্র জানিয়েছে, মোদী তীব্র ভর্ৎসনা করে বলেন, "বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি নিয়ে আমরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কী পড়াচ্ছি? কারা এগুলো দেখাশোনা করছে? কারা সিলেবাস তৈরি করছে?" যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের জবাবদিহি করতে হবে, ইজ়রায়েল থেকে এমনই কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


 'অষ্টম শ্রেণির ছাত্রদের এগুলো আমরা কেন পড়াচ্ছি?' NCERT-র বই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ মোদীর
নরেন্দ্র মোদী

 এনসিইআরটি-র অষ্টম শ্রেণির সমাজ বিজ্ঞান বইতে একটি বিশেষ চ্যাপ্টারকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বইটিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এবার এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা চিহ্নিত করে দোষীদের দ্রুত শাস্তি দিতে হবে। ইজ়রায়েল থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।


ইজ়রায়েল সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকেই তিনি গোটা বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এক সূত্র জানিয়েছে, মোদী তীব্র ভর্ৎসনা করে বলেন, “বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি নিয়ে আমরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কী পড়াচ্ছি? কারা এগুলো দেখাশোনা করছে? কারা সিলেবাস তৈরি করছে?” যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের জবাবদিহি করতে হবে, ইজ়রায়েল থেকে এমনই কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


কাউকে রেয়াত করা হবে না,দোষীরা শাস্তি পাবেই', NCERT-র পাঠ্য পুস্তককে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ সুপ্রিম কোর্টের
'দরকারে বলিদান...', বামেদের সঙ্গে জোট নিয়ে কী বললেন নওশাদ?
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন,”আমরা বিচার বিভাগকে সম্মান করি… সরকারের পক্ষ থেকে বিচার বিভাগের প্রতি অসম্মান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা এই বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি… আমরা বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে মেনে চলব। যা ঘটেছে তাতে আমি গভীরভাবে দুঃখিত এবং আমার দুঃখপ্রকাশ করছি।”

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, অষ্টম শ্রেণির বইটিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। দেশ-বিদেশের প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম অর্থাৎ তা অনলাইন হোক বা অফলাইন…সব জায়গা থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে বইকে। এদিন শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বলেন, “কারা এই সিলেবাস তৈরি করেছে ? দায়ী কে তা খুঁজে বের করা আমার কর্তব্য। দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। আমরা এই মামলা এখনই বন্ধ করছি না।” পাঠ্য পুস্তকে এই ধরনের বিষয়বস্তু বিচার বিভাগ সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণার উপর প্রভাব নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিন বিচারপতি বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, এটি বিচার বিভাগকে অপমানিত করার এবং প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্বকে দুর্বল করার লক্ষ্যে একটি ‘গভীর, সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’। বিচারপতির বেঞ্চ বলেন, “যদি এটা নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তাহলে জনসাধারণের ধারণা এবং তরুণদের মনে বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ হবে।” যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে জানিয়েছে তিন বিচারপতির বেঞ্চ। দায়ী কে, তা খুঁজে বের করার জন্য গভীর তদন্তের প্রয়োজন, এমনটাই মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট।
প্রতিবার ভোটের আগে এবং পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী বাসস্থান নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। কারণ, তাঁদের থাকার জায়গা বলতে একটি, রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি। যার জেরে কার্যত লাটে ওঠে পড়াশোনা। ভোটমুখী বাংলায় আবার সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা শুনে কিছুটা ক্ষিপ্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।



আগামিকাল থেকেই রাজ্য়ে দফায় দফায় চলে আসতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের বাংলায় মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাবে স্বরাষ্ট্র দফতর। যার মধ্য়ে আগামিকাল অর্থাৎ শুক্রবার চলে আসতে পারে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। কিন্তু কোথায় থাকবে তাঁর?

প্রতিবার ভোটের আগে এবং পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী বাসস্থান নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। কারণ, তাঁদের থাকার জায়গা বলতে একটি, রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি। যার জেরে কার্যত লাটে ওঠে পড়াশোনা। ভোটমুখী বাংলায় আবার সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা শুনে কিছুটা ক্ষিপ্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে কেন্দ্রকে খোঁচা দিলেন তিনি।




শিক্ষামন্ত্রী বললেন, “কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে থাকে, স্কুলগুলিই একমাত্র ধর্মশালা। যা থেকে তাদের স্কুলশিক্ষা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। কেন্দ্রের নিশ্চয়ই বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা নিয়ে কোনও ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই কারণে যদি এর জন্য রাজ্যের শিক্ষা ব্যাহত হোক, আমরা চাইব না।”

তবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী স্কুলকে ধর্মশালা বলে অভিহিত করায় পাল্টা খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। এদিন সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী চিরকাল স্কুল-কলেজে থাকত। উনি স্কুলকে ধর্মশালা বলছেন, এটা শুনতে খারাপ লাগে। কারণ ব্রাত্য বাবুর নির্দেশে ৮ হাজার ২০০ স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। স্কুলগুলো কি স্কুল রয়েছে? এখানে কি শিক্ষা রয়েছে?”

উল্লেখ্য, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে। তার আগে বাংলায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার সম্ভবনা। বীরভূমে আসছে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনেই কেবল ৪ কোম্পানি বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে।


কাকদ্বীপ পোস্ট অফিসে বোমাতঙ্কের ইমেল, চাঞ্চল্য মহকুমাজুড়ে।


বৃহস্পতিবার সকালে কাকদ্বীপ পোস্ট অফিস ও পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে বোমাতঙ্ককে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো। একটি উড়ো ইমেলকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকে কার্যত আতঙ্কের চেহারা নেয় এলাকা।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১১:১০ নাগাদ কলকাতার রিজিওনাল পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে একটি হুমকি মেইল আসে। সেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং এবং কাকদ্বীপ পোস্ট অফিস ও পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে বোমা রাখা আছে বলে জানানো হয়। খবর পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়। কাকদ্বীপের ক্ষেত্রে পোস্ট অফিস ও পাসপোর্ট অফিস একই ভবনে হওয়ায় আতঙ্ক বহুগুণ বেড়ে যায়। ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই কাকদ্বীপ থানার আইসি এবং এসডিপিও বিশ্বজিৎ নস্করের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও সুন্দরবন জেলা পুলিশের ডিআইবি ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নিরাপত্তার খাতিরে দ্রুত অফিস খালি করে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পৌঁছায় বম্ব স্কোয়াড। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা ধরে ভবনের প্রতিটি কোণ তল্লাশি চালানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

বোমাতঙ্কের খবর চাউর হতেই সংলগ্ন এলাকার ব্যবসায়ী এবং বাসিন্দাদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে অফিসের কাজকর্ম। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, "হঠাৎ পুলিশ এসে অফিস খালি করতে বলায় আমরা খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।"
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, এটি একটি ভুয়ো ইমেল বা 'হক্স কল'। তবে সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালত এবং প্রধান পোস্ট অফিসগুলোতে একই ধরণের হুমকি মেইল আসায় চিন্তিত প্রশাসন। এর নেপথ্যে কোনো বড় চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ এবং সাইবার ক্রাইম দপ্তর।

জমি দখল সংক্রান্ত গন্ডগোল ঘিরে ঘটনার সূত্রপাত। গত ২৩ ডিসেম্বর, ফাঁসিদেওয়াতে একটি জমি দখল  নিয়ে দুপক্ষের অশান্তি হয়। সেখানে এক অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। গত ৯ জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামের ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও এখনও চারজন অধরা

শিলিগুড়ি: এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বাকে ‘মার’ সিভিক ভলান্টিয়রের। আর তাতে মৃত্যু গর্ভস্থের। অভিযোগ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে শিলিগুড়ি। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসীরা উত্তরকন্যা অভিযানে যান। আর তা নিয়েই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আদিবাসীরা। পুলিশ বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হতে থাকে দুপক্ষের মধ্যে। পরিস্থিতি এতটাই বেকায়দা হয়ে যায়, টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটাতে হয় পুলিশকে। জল কামান ছুড়তে হয়। মাইকিং করছে পুলিশ।

এদিন অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। বিজেপিও তাঁদের সমর্থন করে। এই কর্মসূচি ঘোষিত ছিল। তাই পুলিশও আগে থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর ছিল। প্রথম থেকেই মোতায়েন ছিল জলকামান, টিয়ারগ্যাস। বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে তিনবাত্তি মোড় এলাকায়।  একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালাতে জ্বালাতে এগোতে থাকেন। ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করতেই পুলিশ বাধা দেয়। তাতেই রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়।



মঙ্গলবার ছিল পরিচালকের জন্মদিন। দিনভর শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছিলেন তিনি। এরই মধ্যে খবর রটে যায় যে, অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একাংশের দাবি ছিল, বনসালি হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্ত হয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে এই খবর ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনুরাগীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
জন্মদিনেই বড় অঘটন ঘটল বনসালির! তোলপাড় বলিউড


মঙ্গলবার সকাল থেকেই তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালির (Sanjay Leela Bhansali) জন্মদিন নিয়ে যেখানে মেতে থাকার কথা অনুরাগী থেকে বলিপাড়ার সকলের, সেখানে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়ে এক উদ্বেগের খবর। জানা যায়, পরিচালক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। কিন্তু জন্মদিনেই কী এমন অঘটন ঘটল? অবশেষে নীরবতা ভাঙল বনসালির টিম।

মঙ্গলবার ছিল পরিচালকের জন্মদিন। দিনভর শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছিলেন তিনি। এরই মধ্যে খবর রটে যায় যে, অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একাংশের দাবি ছিল, বনসালি হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্ত হয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে এই খবর ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনুরাগীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।



পরিচালকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যখন চারদিকে জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই আসরে নামে বনসালির ঘনিষ্ঠ টিম। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। বনসালির টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে: “সঞ্জয় লীলা বনসালি একদম সুস্থ আছেন। হাসপাতালে তাঁর যাওয়ার খবরটি ঠিক, তবে সেটি ছিল তাঁর রুটিন চেকআপ (Routine Check-up)। জন্মদিনেই তিনি তাঁর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়েছিলেন। হার্ট অ্যাটাক বা গুরুতর অসুস্থতার খবরগুলি নিছকই রটনা।”

কাজে ফিরেছেন বনসালি, গুজব উড়িয়ে দিয়ে জানানো হয়েছে, পরিচালক ইতিমধ্যেই নিজের স্টুডিওতে ফিরেছেন এবং স্বাভাবিকভাবে কাজ শুরু করেছেন। নিজের পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে তিনি এখন ভীষণ ব্যস্ত। মিথ্যে খবরে কান না দেওয়ার জন্য অনুরাগীদের অনুরোধ করা হয়েছে। আসল খবরে স্বস্তি পেয়েছে বলিপাড়া এবং পরিচালকের ভক্তরা। এখন সকলেই পরিচালকের পরবর্তী ছবি মুক্তির অপেক্ষায়।


গায়িকা ইমন চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়লেন। ব্যক্তিগত জীবনের ছবি বা ভিডিয়ো, কিছুই আর পোস্ট করতে চান না সেখানে। ঘটনার সূত্রপাত একটি মন্তব্য ঘিরে। ২০১৪ সালে মাকে হারিয়েছেন ইমন। গতকাল মায়ের মৃত্যুদিনে একটা আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন গায়িকা। মাকে হারানোর কষ্ট অনুভব করে সেই পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্টে একজন ব্যক্তি কমেন্ট করেছেন, ''আপনার মাকে ডাকুন, এসে দেখতে বলুন, পাঁচালী গেলে, চটি চেটে আপনি কেমন বঙ্গবিভূষণ পেয়েছেন।''
'মাকে ডেকে দেখান, কেমন চটি চেটে...'মন্তব্য, সমাজ মাধ্য়ম ছাড়লেন ইমন


গায়িকা ইমন চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়লেন। ব্যক্তিগত জীবনের ছবি বা ভিডিয়ো, কিছুই আর পোস্ট করতে চান না সেখানে। ঘটনার সূত্রপাত একটি মন্তব্য ঘিরে। ২০১৪ সালে মাকে হারিয়েছেন ইমন। গতকাল মায়ের মৃত্যুদিনে একটা আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন গায়িকা। মাকে হারানোর কষ্ট অনুভব করে সেই পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্টে একজন ব্যক্তি কমেন্ট করেছেন, ”আপনার মাকে ডাকুন, এসে দেখতে বলুন, পাঁচালী গেলে, চটি চেটে আপনি কেমন বঙ্গবিভূষণ পেয়েছেন।”

বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুক লাইভ করে ইমন জানালেন, ”কারও বাবা-মাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করবেন না। আপনারা জানেন না, ঠিক কোথায় গিয়ে লাগে। আমি সারারাত ঘুমোতে পারিনি। আমাকে এমন ধরনের আক্রমণ খুবই প্রভাবিত করেছে।” এরই মধ্যে একজন লেখেন, ”আপনি সেলিব্রিটি, মুখের ব্রণ ঠিক করুন।”


বাদ পড়ার আতঙ্কে সানি লিওন! কেন?
তাতে ইমনের উত্তর, ”আমার ব্রণ হতে পারে, হাজা হতে পারে, ক্যানসারও হতে পারে, তাতে আপনার কী?” একজনের মন্তব্য, ‘আপনাকে সবুজ চশমায় বেশি ভালো লাগে’…ইমনের বক্তব্য, ”তিনি কেন পাঁচালী গেয়েছেন, কেন বিয়ের পর প্রথম অনুষ্ঠানে শাঁখা-পলা পরেননি, এমনকী বাড়িতে কেন ‘অবাঙালি ঠাকুর’ জগন্নাথ দেবের মূর্তি রেখেছেন, তা নিয়েও লোকে মন্তব্য করছেন। এই ধরনের ব্য়ক্তিগত আক্রমণের কারণেই ইমন এসব থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে গান সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য থাকবে। ইমন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে কথোপকথন বন্ধ করছেন, এমন আক্রমণের কারণে। তাঁর আরও অনুরোধ, এমন স্পষ্ট করে বিষয়টা বলার জন্য, কেউ তাঁর গান শুনতে না চাইলে, কোনও সমস্যা নেই।