আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ শুনানি শুরু হয় এজলাসে। তবে কোর্টের ভিতরে চলছিল তুমুল হইহট্টগোল। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নিষেধ করেন এত চিৎকার না করার জন্য। তবে এজলাসের ভিতর শান্ত করা সম্ভব হয়নি। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মাইক হাতে শান্ত থাকার আর্জি জানান সকলকে।


১৪ তারিখেই হবে ED-মমতার সংঘাত মামলার শুনানি, জানালেন প্রধান বিচারপতি
কলকাতা হাইকোর্ট

 এজলাসে তুমুল বাকবিতণ্ডা। আইপ্যাকের ঘটনায় ইডির দায়ের করা মামলা গিয়েছে পিছিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এই মামলার শুনানি করবেন আগামী ১৪ জানুয়ারি। তবে সূত্রের খবর, শুক্রবারই মামলার শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে জরুরী বেঞ্চে আবেদন করছে ইডি। লিখিত ভাবে আবেদন করতে চলেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গোয়েন্দারা চাইছেন, আজই হোক এই মামলার শুনানি। প্রয়োজনে এজলাস বদলাতেও আপত্তি নেই গোয়েন্দাদের। তবে, প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, যেহেতু জুডিশিয়াল অর্ডার হয়েছে, তাই বদল করা সম্ভব নয়। সেই কারণে ১৪ই জানুয়ারিতেই হবে শুনানি।

আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ শুনানি শুরু হয় এজলাসে। তবে কোর্টের ভিতরে চলছিল তুমুল হইহট্টগোল। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নিষেধ করেন এত চিৎকার না করার জন্য। তবে এজলাসের ভিতর শান্ত করা সম্ভব হয়নি। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মাইক হাতে শান্ত থাকার আর্জি জানান সকলকে। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। এরপর বিচারপতি জানিয়ে দেন মামলার শুনানি হবে ১৪ জানুয়ারি। তারপরই এ দিন ইডি প্রধান বিচারপতির কাছে আর্জি জানাবে বলে স্থির করে।

হুড়মুড়িয়ে ফাইল গাড়িতে তোলার সময়েই হাত ফস্কে পড়ে একটা, ফাইল খুলে যেতেই বেরিয়ে পড়ে সেই কাগজ! সাংবাদিকদের দড়ি দিয়ে আটকেও ফাইল রহস্য উন্মোচন
এখানে উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে চলছিল ইডি তল্লাশি। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপর একটি দল তল্লাশি চালাতে যায় আইপ্যাকের সল্টলেকের অফিসে। তবে প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় ইডির তদন্তকারী অফিসারদের দাবি ছিল, সেই সময় পুলিশ সেখানে অতিসক্রিয় ছিল। তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছন সেখানে। তারপর একটি সুবজ রঙের ফাইল উদ্ধার করে নিয়ে চলে যান। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইডি আধিকারিকরা। শুক্রবার মামলা শুরুর পরই গণ্ডগোলের জেরে পিছিয়ে যায় শুনানি।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours