আইপ্যাক-এর ওপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র হানা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দিল্লির সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ।
অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালীনই দিল্লি পুলিশ হঠাৎ তৎপর হয়ে তৃণমূল সাংসদদের আটক করে।
তৃণমূলের দাবি, কোনও উসকানি ছাড়াই সাংসদদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
বিক্ষোভস্থলেই ধস্তাধস্তির ছবি সামনে আসে। সেই সময় মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদারকে ঘিরে ধরে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, তাঁকে জোর করে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশের গাড়িতে। এই দৃশ্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের বক্তব্য, কেন্দ্রের নির্দেশেই দিল্লি পুলিশ বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে নেমেছে। ইডি-র অভিযানকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করে তারা জানায়, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার যুক্তি দেখানো হলেও, বিরোধীদের ওপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন উঠছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্য-রাজনীতিতেও ঝড় উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছে, কেন্দ্রের দমননীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours