এর পরেই রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পরামর্শ নেয় রাজ্য। কমিশন সূত্রে খবর, চিঠিতে এজির পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ওই চার আধিকারিকের অপরাধ এফআইআর করার জন্য যথেষ্ট নয়। কম গুরুত্বপূর্ণ অপরাধে এত বড় শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। তাই এফআইআর করার নির্দেশ প্রত্যাহার করার দাবি।
লঘু দোষে গুরু দণ্ড কেন? চার আধিকারিক-সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ প্রত্যাহারের দাবি নিয়ে চিঠি রাজ্যের
নবান্ন
লঘু দোষে গুরু দণ্ড কেন? চার আধিকারিক-সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ প্রত্যাহার করার দাবি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরে চিঠি দিয়ে জানালেন স্বরাষ্ট্র দফতরের স্পেশাল কমিশনার। সিইও দফতর সূত্রে খবর, ওই চিঠি কমিশনের দিল্লি অফিসে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বেআইনি ভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। ওই দুই জেলার জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
'চেয়ারের মর্যাদা রক্ষা করুন', নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা
বেটিং ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ, আরও ২৪২ ওয়েবসাইট ব্লক করল কেন্দ্র: সূত্র
প্রায় ১৫ দিন কেটে গেলেও কমিশনের ওই নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি। ইতিমধ্যে সিইও দফতর থেকে জেলাশাসকদের দু’বার ‘রিমাইন্ডার’ দেওয়া হয়েছে।
এর পরেই রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পরামর্শ নেয় রাজ্য। কমিশন সূত্রে খবর, চিঠিতে এজির পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ওই চার আধিকারিকের অপরাধ এফআইআর করার জন্য যথেষ্ট নয়। কম গুরুত্বপূর্ণ অপরাধে এত বড় শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। তাই এফআইআর করার নির্দেশ প্রত্যাহার করার দাবি।
প্রসঙ্গত, এসআইআর পর্বের একেবারে প্রথম লগ্নেই পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ ওঠে। এই কাজে আঙুল ওঠে ডেটা এন্ট্রির সঙ্গে এক কর্মীর বিরুদ্ধে। বিষয়টিতে কড়া পদক্ষেপ করে কমিশন। রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশও দেয় কমিশন। কিন্তু সেক্ষেত্রে নির্দেশ কার্যকর হয় না। তাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেয় কমিশন।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours