বরানগর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অর্পণ রায়।অর্পণ রায়ের বাবা বছর সত্তরের অনির্বাণ রায়ের বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয় বাড়িতেই। তারপর মৃতদেহ উদ্ধার করে সাগর দত্ত হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বরানগর থানার পুলিশ।


মদনের ফোন... সাগরদত্ত মেডিক্যালের মর্গেও কিনা এসব নোংরা কীর্তি...
ডান দিকে অর্পণ রায়

ছেলে বিশেষভাবে সক্ষম। বাবার মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে। কোনওরকমে অ্যাম্বুলেন্সে দেহ নিয়ে এসেছিলেন সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে এসেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার তিনি। মৃতদেহ সাগর দত্ত হাসপাতালের মর্গে রাখার জন্যই তাঁর কাছ থেকে চাওয়া হল ২২ হাজার টাকা। অভিযোগ, হাসপাতালেরই এক সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় সরব বিধায়ক। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে কামারহাটি থানার পুলিশ।


বরানগর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অর্পণ রায়।অর্পণ রায়ের বাবা বছর সত্তরের অনির্বাণ রায়ের বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয় বাড়িতেই। তারপর মৃতদেহ উদ্ধার করে সাগর দত্ত হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বরানগর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সাগর দত্ত হাসপাতালের মর্গে রাখা ও মৃতদেহ প্যাকিং করার জন্য ছেলে অর্পণ রায়ের কাছে ২২ হাজার টাকা দাবি করে ওই হাসপাতালের সরকারি কর্মী আকাশ মল্লিক।


সিঙ্গুরের সেই জমিতে যাবেন মোদী!
প্রথমটায় আকাশকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন অর্পণ। কিন্তু তা কাজে না আসায় অসহায় হয়ে অর্পণ যোগাযোগ করেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে। মদন মিত্রের নির্দেশেই সঙ্গে সঙ্গে এলাকার তৃণমূল কর্মীরা সাগর দত্ত হাসপাতালে গিয়ে অর্পণের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কামারহাটি আউটপোস্টের পুলিশ কর্মী ও কামারহাটি থানার পুলিশ।

ঘটনায় অভিযুক্ত সরকারি কর্মী আকাশ মল্লিককে আটক করেছে কামারহাটি থানার পুলিশ।সরকারি কর্মীর এত পরিমাণে টাকা চাওয়ার ঘটনায় সরব হয়েছেন বিধায়ক মদন মিত্র।

এই প্রথম নয়, এর আগেও সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্রের অভিযোগ উঠেছে। সেখানে হস্তক্ষেপ করতে দেখা গিয়েছে মদন মিত্রকে। এর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপও করেছিলেন তিনি। হাসপাতালে দাঁড়িয়েই মদন মিত্রকে এর আগে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গিয়েছে। কিন্তু এখনও যে হাসপাতালে দালালচক্র সক্রিয়, তার প্রমাণ মিলল।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours