শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। ডিসেম্বর ভোটার লিস্টের খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়।
এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! ডিটেইল তথ্য দিল কমিশন
নির্বাচন কমিশন
সপ্তাহ ঘুরতেই চার তারিখ। ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর মধ্যেই বিএলও-দের তরফ থেকে উঠে আসছে একাধিক অভিযোগ। তার মধ্যে প্রধান অ্যাপে সমস্যা। ফর্ম ডিজিটাইজেশনের সমস্যা। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পর্যন্ত ২৭ লক্ষ ৭১ হাজার ফর্ম আন কালেকটেড। এর মধ্যে মৃত ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত। নির্বাচন কমিশনের হিসাব তেমনটাই বলছে। খুঁজে পাওয়া যায়নি ২ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটারকে। স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার। ডুপ্লিকেট বা ডবল এন্ট্রি রয়েছে ৫৮ হাজার ১৬৪ ভোটারের নাম। তাঁদের নাম খসড়ায় আসবে না। তাঁদের আলাদা তালিকা বের করবে কমিশন।
শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। ডিসেম্বর ভোটার লিস্টের খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে।
কেন ফর্ম ডিজিটাইজেশনের ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে কলকাতা? কী বলছেন বিএলও-রা?
BLO: SIR মানেই ভয় নয়... এক পায়ে 'জয়' করে বুঝিয়ে দিলেন শোভানারা বায়েন
মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিতে গিয়ে যখন বিএলও-রা দেখতে পাবেন, সেই ব্যক্তি মৃত, সেটা মার্ক করে ডিলিট করা যাবে। ২০২৫-এর তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নির্দিষ্ট ঠিকানায় বাড়ি গিয়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তাঁদের নাম বাদ যাবে। যাঁদের ‘ডবল এন্ট্রি’ রয়েছে, অর্থাৎ একই কেন্দ্রে বা আলাদা কেন্দ্রে নাম রয়েছে ভোটারের, সেই নাম বাদ যাবে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours