বস্তুত, কয়েকদিন আগে মেয়ো রোডে সেনা তৃণমূলের মঞ্চ খুলে ফেলেছিল। সেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। মালদহের চাঁচলও বাদ যায়নি। চাঁচল কলেজে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সহ অনেকের ছবি পোড়ানো হয়।
TMCP-র বিরুদ্ধে কবিগুরুর ছবি পোড়ানোর অভিযোগ, গলায় রবীন্দ্রনাথের পোস্টার টাঙিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির
রাজপথে শুভেন্দু
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামল বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ছবি নিয়ে প্রতিবাদে নামে গেরুয়া শিবির। রবীন্দ্র সদনের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। তবে রবীন্দ্র সদনের ভিতরে ঢুকতে বাধা হয় বলে খবর।
আজ অর্থাৎ সোমবার বাধা পেতেই শুভেন্দু চিৎকার করে বলতে থাকেন, সব জায়গাতেই তালা পড়ে গেছে। শিল্পে তালা, রাজ্যে তালা সব গেটে-গেটে তালা। এরপর মুখ্য়মন্ত্রীকে ধিক্কার জানান তিনি। স্লোগান দিতে শুরু করেন, “আমরা একজন রবীন্দ্রপ্রেমীকে দিয়ে মালা পাঠালাম। পদ্মশ্রী নারায়ণ চক্রবর্তীকে আটকাল, অধ্যাপক পুলক নারায়ণ ধরকে আটকাল, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পীকে আটকাল, রুদ্রনীলকে আটকাল, আমার সঙ্গে আসা সকলকে আটকাল। এরা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈত্রিক সম্পত্তি? নাকি তৃণমূলের বাপের টাকায় হয়েছে? আমরা তালাও ভাঙব না, গেটও টপকাবো না।” এরপর আজ গলায় রবীন্দ্রনাথের পোস্টার ঝুলিয়ে পথে নামেন বিজেপি কর্মীরা।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours