উমেশের বাবা বড়বাজারে মশলার দোকানের কর্মচারী। সম্প্রতি ছেলেকে পড়াশোনার জন্য ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন বলে জানালেন আদিত্যর মা। পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি আদিত্যর হাতখরচাও তার বাবাই দিয়ে যেতেন। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেকদিন আদিত্যকে ২০-৫০টাকা করে দিয়ে যেতেন তার বাবা।


কলেজের পড়ার ফাঁকে মন্ত্রীর ছেলের প্রতি নজর, ছবি তুলে পাঠাত, গ্রেফতার হামিমের আরও এক সঙ্গী আদিত্য
প্রতিবেশীদের ভিড়

এসটিএফের জালে জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমের আরও এক সহযোগী। হামিম, তার বান্ধবী অর্পিতার পর এবার জালে আদিত্য সিং ওরফে রাজু। হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে ভোররাতে এসটিএফের গোয়েন্দারা তাকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, হামিমকে দীর্ঘদিন ধরেই চিনত রাজু। তাকে নানাভাবে সহযোগিতাও করত।


তদন্তকারীদের হাতে তথ্য এসেছে, মন্ত্রী উমেশ রাইয়ের ওপর নজর রাখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। তাঁর গতিবিধির ওপর নজর রাখত আদিত্য। উমেশ রাই, এমনকি তাঁর ছেলের গাড়ি-বাড়ির ছবি-ভিডিয়ো আদিত্য হামিমকে দিয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।


যশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে কিয়ারা! মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হুমা
তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেবল কি মন্ত্রীর ছেলের নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করছিল হামিম-আদিত্য, নাকি আরও কেউ তাদের নজরে ছিল। আর কে কে টার্গেট ছিল, তা .জানতে আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে পেতে চান এসটিএফ আধিকারিকরা।


জানা যাচ্ছে, আদিত্য কলেজে পড়াশোনা করত। কিন্তু কীভাবে হামিমের সঙ্গে তার যোগাযোগ হল, তা বুঝতেই পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। এক প্রতিবেশী বলেন, “আদিত্যর বাড়িতে বাবা-মা-বোন রয়েছে। ওকে তো পড়াশোনা করতেই দেখেছি। বি.কম পড়ত।” তবে প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, আদিত্যের বাড়িতে তার কোনও বন্ধুবান্ধবকে তাঁরা আসতে দেখেননি। প্রতিবেশীরা বিশ্বাসই করতে পারছেন না, ঠিক কী ঘটেছে। এক প্রতিবেশীর কথায়, “আদিত্য তো খুবই ভাল ছেলে। আমরা বিশ্বাসই করছি না, এমন কিছু হতে পারে। আমার মনে হচ্ছে ওকে কেউ ফাঁসিয়েছে।”

জানা যাচ্ছে, উমেশের বাবা বড়বাজারে মশলার দোকানের কর্মচারী। সম্প্রতি ছেলেকে পড়াশোনার জন্য ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন বলে জানালেন আদিত্যর মা। পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি আদিত্যর হাতখরচাও তার বাবাই দিয়ে যেতেন। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেকদিন আদিত্যকে ২০-৫০টাকা করে দিয়ে যেতেন তার বাবা। তিনি বলেন, “ছেলেকে তো পড়াশোনাই করতে দেখেছি, কলেজে যেত। কিন্তু ও যে এমন কিছুর সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারে, তা বিশ্বাসই করতে পারছি না। জানলে কী আগে বারণ করতাম না।”

আদিত্যর আর এক আত্মীয় বলেন, “কিছুদিন আগেও আধিকারিকরা এসেছিলেন, কথাবার্তা বলে গিয়েছিলেন। দশ দিনের মধ্যে কী হয়েছে, আমি কিচ্ছু জানি না।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours