‘এরপর তাঁর সংযোজন, "ফলতায় এমন সাম্রাজ্য চালাত যে কোনও কাজ করতে গেলে জাহাঙ্গির খানের অনুমোদনটাই আসল হয়ে উঠত। তো তার এইটুকু সাহস থাকল না কেন? ও নির্বাচনটা লড়েই দেখতে পারত। ভোটে হার-জিত আছে। হঠাৎ করে সাহস নেই কেন?"
'ওর এলাকায় ওই শেষ কথা ছিল এমন একটা ভাব, ওর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে',ক্ষোভ প্রকাশ সন্দীপনের
বাঁ দিকে সন্দীপন সাহা, ডানদিকে জাহাঙ্গির খান
বড়-বড় কথা বলে ঠিক পুর্ননির্বাচনের আগে তৃণমূলকে কার্যত ফ্যাঁসাদে ফেলে দিলেন জাহাঙ্গীর খান। আজ রয়েছে পুর্ননির্বাচন। তার আগে ভোটে লড়বেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। আর তারপর থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে গৃহদাহ শুরু হয়েছে। এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা। নিজেকে পুষ্পা বলে দাবি করা জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধ সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে, ওর কাণ্ড দলের কাছে লজ্জানজক, ও নাকি পুষ্পা? সেই পুষ্পা তো ঝুঁকে গেল। দলরে ওর বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করতে হবে বলে মত সন্দীপনের।
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির বলেছিলেন, ফলতার মানুষের শান্তি রক্ষার স্বার্থে তিনি ভোটে লড়বেন না। এই নিয়ে কম হইচই হয়নি। পরে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একটি টুইটারে হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত জাহাঙ্গিরের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। বুধবার টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “প্রচার শেষ হওয়ার কিছু মুহূর্ত আগে তিনি বলছেন আমি নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম। ও বললেই তো হল না। ও তো রয়েই গেল। এইবার আমরা সরকার গঠন করতে পারিনি। আর নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠন হয়েছে। তারপর ফলতায় আবার ভোট হচ্ছে, সেই সময় এই পদক্ষেপ দলের মনোবলকে তো আরও তলানিতে নিয়ে যাবে। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে আবেদন করব কড়া পদক্ষেপ করা উচিত।”
এরপর তাঁর সংযোজন, “ফলতায় এমন সাম্রাজ্য চালাত যে কোনও কাজ করতে গেলে জাহাঙ্গির খানের অনুমোদনটাই আসল হয়ে উঠত। তো তার এইটুকু সাহস থাকল না কেন? ও নির্বাচনটা লড়েই দেখতে পারত। ভোটে হার-জিত আছে। হঠাৎ করে সাহস নেই কেন?”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours