প্রসঙ্গত, এবারের ভোটে একাধিকবার উত্তেজনার ছবি দেখা গিয়েছে অশোক কীর্তনিয়ার নির্বাচনী প্রচারে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগও তুলেছিল বিজেপি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোরও হয়। এবার বনগাঁ উত্তরে তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস।

মতুয়া ভোট এককাট্টা করে ধরাশায়ী করেছেন তৃণমূলকে, নতুন সরকারে মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেলেন অশোক কীর্তনিয়া
উচ্ছ্বসিত অশোক

জিতেছিলেন ২০২১ সালেও। জিতেছেন ছাব্বিশেও। মতুয়াগড়ে ফের ফুটিয়েছেন পদ্ম। এসআইআর ইস্যু উঠলেই বারবার ফিরে ফিরে আসে তাঁর নাম। তিনি বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক। তিনি এবার শপথ নিলেন রাজ্যের নতুন মন্ত্রী হিসাবে। প্রসঙ্গত, এসআইআরের সময় অশোক কীর্তনিয়ার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বিস্তর চাপানউতোর হয়। কিন্তু মতুয়া ভোট ব্যাঙ্কে যে বিজেপির নজর শুরু থেকেই ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে শান্তনু ঠাকুরের। এবার মতুয়াদের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা অশোক কীর্তনিয়াকে মন্ত্রী করা অবশ্যই যে মতুয়াদের জন্য একটা বড় প্রাপ্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।  


প্রসঙ্গত, এবারের ভোটে একাধিকবার উত্তেজনার ছবি দেখা গিয়েছে অশোক কীর্তনিয়ার নির্বাচনী প্রচারে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগও তুলেছিল বিজেপি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোরও হয়। এবার বনগাঁ উত্তরে তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। সিপিএমের হয়ে লড়েছিলেন পীযূষকান্তি সাহা। কিন্তু শেষ হাসি হাসেন অশোক কীর্তনিয়াই। তিনি পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১৭ ভোট। তাঁর ভোট শেয়ার ৫৬.৪৬ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূলের বিশ্বজিৎ দাস পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৪৭ ভোট। তাঁর প্রাপ্ত ভোট শেয়ার ৩৭.২১ শতাংশ। অন্যদিকে সিপিএম পেয়েছে মাত্র ৮ হাজার ৫৫৪ ভোট। 



এদিন ব্রিগেডে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পরেই এক এক করে শপথ নেন ৫ মন্ত্রী। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। তখনই রাজ্যের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অশোক কীর্তনিয়া। তবে এখনও বণ্টন হয়নি দফতর। 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours