নেত্রী আরও তোপ, "নির্বাচনের সময়ে গুহাতে গিয়ে বসে থাকেন, কখনও আবার নির্বাচনের সময়ে বলেন আমি চাওয়ালা। ১০ টাকা বের করে ঝালমুড়ি খাচ্ছেন। সেই ঝালমুড়িটাও আবার নিজেদের তৈরি করা।" মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, যদি ঝালমুড়ির দোকান তাঁদের তৈরি করা না-ই হয়, তাহলে দোকানে আগে থেকে ক্যামেরা ফিট করা ছিল কীভাবে?



 'SPG-কে দিয়ে তৈরি করিয়েছিল', মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়াকে 'নাটক' বলে তোপ মমতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী
নির্বাচনী প্রচার সেরে ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ির দোকানে ঢোকেন প্রধানমন্ত্রী। ঝালমুড়ি খান, পকেট থেকে ১০টা টাকা বার করে দোকানদারকে দেন, সঙ্গে আশপাশে থাকা মহিলা-বাচ্চাদের সঙ্গে হাত মেলান! বঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রীর এহেন ভূমিকা সত্যিই বিরল! কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া এবং গোটা ঘটনাপ্রবাহকে ‘নাটক’ বলে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, SPG-কেই বানানো হয়েছিল ঝালমুড়ি।


সোমবার বীরভূমের মুরারইয়ে সভামঞ্চ থেকে মমতা বলেন, পুরোটাই পূর্বপরিকল্পিত এবং ক্যামেরার কারসাজি। মমতার কথায়, “কালকে দোকানে মাইক ফিট করে ঝালমুড়ি SPG-কে দিয়ে তৈরি করান।” নাম না করে খোঁচা দিয়ে বলেন, “১০ টাকা কখনও পকেটে থাকে ওনার! কত নাটক।”


এরা আবার ভোটে জিতলে...', গোপন ডেরা থেকে মমতার জন্য বার্তা দিলেন জীবন সিংহ
নেত্রী আরও তোপ, “নির্বাচনের সময়ে গুহাতে গিয়ে বসে থাকেন, কখনও আবার নির্বাচনের সময়ে বলেন আমি চাওয়ালা। ১০ টাকা বের করে ঝালমুড়ি খাচ্ছেন। সেই ঝালমুড়িটাও আবার নিজেদের তৈরি করা।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, যদি ঝালমুড়ির দোকান তাঁদের তৈরি করা না-ই হয়, তাহলে দোকানে আগে থেকে ক্যামেরা ফিট করা ছিল কীভাবে? তাঁর সাফ মন্তব্য, “সবই নাটক। সাধারণ মানুষ হয়তো অনেক কিছু বোঝেন না, কিন্তু আমরা বুঝি।”


প্রসঙ্গত, রবিবারের ঝাড়গ্রামের রাজকলেজ মোড়ের সভা সেরে হঠাৎই রাস্তার ধারে ‘স্বপনলালের স্পেশ্যাল মুড়ি’র দোকানে সবাইকে চমকে দিয়ে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি এলাকায় ‘বিহারীবাবু’, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন, তাঁর সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। সেই দোকানে দাঁড়িয়েই ঝালমুড়ি খান প্রধানমন্ত্রী, এরপর তাঁকে পকেট থেকে ১০টাকা বার করে দিতে দেখা যায়। সঙ্গে জনসংযোগও করেন। দোকানদার বিক্রমের দাবি, “স্যার হঠাৎ এসে বললেন, তোমার নাম কী? তারপর বললেন, একটা ঝালমুড়ি বানাও। আমি বানালাম। খেয়ে উনি বললেন দারুণ হয়েছে। শুধু মুড়ি খাওয়াই নয়, তিনি বাবা-মায়ের নাম ও ব্যবসার ব্যাপারেও খোঁজখবর নিলেন। এটা তো সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।” কিন্তু গোটা বিষয়টিই এবার নাটক বলে দাবি মমতার।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours