এক্ষেত্রে জ্যাকলিনকে প্রথমে ইডির কাছে আবেদন করতে হবে। এরপর ইডি তাঁর বয়ান রেকর্ড করবে এবং পরে আদালতের কাছে আবেদন জানাবে তাঁকে রাজসাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করার জন্য। কয়েক মাস আগেই সুপ্রিম কোর্ট জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি প্রক্রিয়া বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


সুকেশ কাণ্ডে নয়া মোড়, এবার কি ‘রাজসাক্ষী’ হতে 


২০০ কোটি টাকার তছরুপ মামলায় ফেঁসে যাওয়া অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ এবার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার বার্তা দিলেন। শুক্রবার দিল্লির আদালতে তিনি রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন জানালে, আদালত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (ইডি) একটি নোটিশ জারি করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল এই বিষয়ের পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।

আইনি নিয়ম অনুযায়ী, কোনও অভিযুক্ত যদি নিজের অপরাধ কবুল করে তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করতে চান, তবে তাঁকে রাজসাক্ষী করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে জ্যাকলিনকে প্রথমে ইডির কাছে আবেদন করতে হবে। এরপর ইডি তাঁর বয়ান রেকর্ড করবে এবং পরে আদালতের কাছে আবেদন জানাবে তাঁকে রাজসাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করার জন্য। কয়েক মাস আগেই সুপ্রিম কোর্ট জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি প্রক্রিয়া বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।



বেডরুমের ঠিক সামনেই কি বাথরুমের দরজা? অজান্তেই ডেকে আনছেন না তো বড় বিপদ!
বর্তমানে জেলে থাকা সুকেশ চন্দ্রশেখর বারবার নিজেকে জ্যাকলিনের প্রেমিক বলে দাবি করে এসেছেন। এমনকি জেল থেকেই বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে প্রেমপত্র পাঠাতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। অন্যদিকে, জ্যাকলিন আদালতে দাবি করেছেন যে, সুকেশ নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করেছেন। এর আগে জ্যাকলিন একটি বিবৃতিতে বলেছিলেন, “সুকেশ আমার আবেগ নিয়ে খেলা করেছে এবং আমার জীবনকে নরক বানিয়ে ছেড়েছে। ও আমাকে ভুল পথে চালিত করে আমার কেরিয়ার ধ্বংস করেছে।”

২০২২ সালের আগস্ট মাসে ইডি তাদের চার্জশিটে জ্যাকলিনকে অন্যতম সহ-অভিযুক্ত হিসেবে নাম দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, সুকেশের অপরাধের কথা জেনেও জ্যাকলিন তাঁর কাছ থেকে গয়না,দামী পোশাক এবং গাড়ি সহ প্রায় ৭ কোটি টাকার উপহার গ্রহণ করেছিলেন। ইডির আরও অভিযোগ যে, সুকেশ গ্রেপ্তার হওয়ার পর জ্যাকলিন নিজের ফোন থেকে সমস্ত তথ্য মুছে ফেলেছিলেন এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রথমে গোপন করার চেষ্টা করেছিলেন।

মূলত ২১৫ কোটি টাকার একটি প্রতারণা চক্র চালানোর অভিযোগ রয়েছে সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সে নিজেকে উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল। এবার জ্যাকলিন রাজসাক্ষী হলে সুকেশের বিরুদ্ধে আইনি ফাঁস আরও শক্ত হবে কি না, এখন সেটাই দেখার।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours