ঝাড়গ্রামের সভামঞ্চ থেকে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে হঠাৎই তিনি রাস্তার দিকে এগোন। সেখানে রাজকলেজ মোড়ের ‘স্বপনলালের স্পেশ্যাল মুড়ি’র দোকানে সবাইকে চমকে দিয়ে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি এলাকায় ‘বিহারীবাবু’ নামেই পরিচিত, এখনও সেই আকস্মিকতার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারছেন না।

 সভামঞ্চ থেকে সটান 'বিহারীবাবু'র দোকানে, ঝাড়গ্রামের ঝালমুড়িতে মজে প্রধানমন্ত্রী!
ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রী


ঝাড়গ্রামে জনসভা শেষে ফেরার পথে হঠাৎ রাস্তার ধারের ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই বিরল জনসংযোগের সাক্ষী থাকল ঝাড়গ্রামের রাজকলেজ মোড়। রবিবার প্রচারের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণে অবাক হয়েছেন স্থানীয় মানুষ থেকে দলীয় কর্মীরা।  ক্যামেরায় ধরা পড়া এই মুহূর্তটি এখন রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।


জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রামের সভামঞ্চ থেকে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে হঠাৎই তিনি রাস্তার দিকে এগোন। সেখানে রাজকলেজ মোড়ের ‘স্বপনলালের স্পেশ্যাল মুড়ি’র দোকানে সবাইকে চমকে দিয়ে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি এলাকায় ‘বিহারীবাবু’ নামেই পরিচিত, এখনও সেই আকস্মিকতার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারছেন না।


'চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে বাজাব', ডোমকলে হুঁশিয়ারি তৃণমূলের হুমায়ুনের



বিক্রম জানান, “স্যার হঠাৎ এসে বললেন, তোমার নাম কী? তারপর বললেন, একটা ঝালমুড়ি বানাও। আমি বানালাম। খেয়ে উনি বললেন দারুণ হয়েছে। শুধু মুড়ি খাওয়াই নয়, তিনি বাবা-মায়ের নাম ও ব্যবসার ব্যাপারেও খোঁজখবর নিলেন। এটা তো সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।”

বিশ্লেষকদের মতে, দেশের প্রধানমন্ত্রীর এমন সহজ-সরল জনসংযোগের প্রক্রিয়া বিরল। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনসভার পথে রাস্তার ধারে চপের দোকানে চপ ভাজতে বা চা বানাতে দেখা গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই পরিচিত জনসংযোগের ঘরানায় এবার প্রধানমন্ত্রীর এই মুড়ি-যোগ নতুন রাজনৈতিক ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ঝাঁঝালো আক্রমণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে প্রধানমন্ত্রীর এই মাটির কাছাকাছি আসার চেষ্টাকেই বড় করে দেখছে গেরুয়া শিবির।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours