এক সময় ধন-ঐশ্বর্য্য়ে মুকেশ অম্বানীর থেকেও ধনী ছিলেন অনিল অম্বানী। তবে বিগত দুই দশকে তাঁর সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। সম্প্রতি আয়কর দফতর ও ইডির র‌্যাডারে রয়েছেন ব্যাঙ্ক ঋণ ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগে।     


মাথার উপরের ছাদ বাজেয়াপ্ত, বিধ্বস্ত চেহারায় ED অফিসে হাজির অনিল অম্বানী
ফাইল চিত্র।

ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন অনিল অম্বানী। আর্থিক তছরুপ মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দিল্লি অফিসে তলব করা হয়েছিল রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যানকে। ইতিমধ্যেই অনিল অম্বানীর ৩৭১৬ কোটি টাকার বাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ভারত তথা এশিয়ার সবথেকে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানী। তারই ছোট ভাই অনিল অম্বানী। রিলায়েন্স পাওয়ার থেকে প্রতিরক্ষা, ছড়িয়ে রয়েছে অনিল অম্বানীর বিরাট সাম্রাজ্য। এক সময় ধন-ঐশ্বর্য্য়ে মুকেশ অম্বানীর থেকেও ধনী ছিলেন অনিল অম্বানী। তবে বিগত দুই দশকে তাঁর সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। সম্প্রতি আয়কর দফতর ও ইডির র‌্যাডারে রয়েছেন ব্যাঙ্ক ঋণ ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগে।


এ দিন সকালে ৬৬ বছর বয়সী অনিল অম্বানী সাদা শার্ট ও জ্যাকেট পরে দিল্লিতে ইডি অফিসে হাজিরা দেন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে জেরা করা হচ্ছে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন সংক্রান্ত ব্যাঙ্ক ঋণ প্রতারণা মামলায়।

গতকালই জানা যায়, অনিল অম্বানীর মুম্বইয়ের পালি হিলসের ১৭ তলা বাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই বাড়ির একটা অংশ, যার বাজার মূল্য ৪৭৩.১৭ কোটি টাকা, গত বছর নভেম্বর মাসেই ইডি বাজেয়াপ্ত করেছিল। এবার এই বাড়ি নিয়ে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট বা পিএমএলএ (PMLA)-র অধীনে প্রভিশনাল অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে। এর ফলে তদন্ত চলাকালীন অনিল অম্বানী এই সম্পত্তি হস্তান্তর বা বিক্রি করতে পারবেন না।

ইডির তথ্য অনুযায়ী, অনিল অম্বানীর আরকম (RCOM) ও এর গ্রুপ কোম্পানিগুলি অন্তর্দেশীয় ও বিদেশি ঋণ মিলিয়ে মোট ৪০ হাজার ১৮৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। অনিল অম্বানীর ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এই মামলার তদন্তে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours