স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, "আসলে শ্যামল মণ্ডলদেরই মহিলাদের হাতে জুতো খাওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কোন মহিলারা ঝাঁটাপেটা করবে? যাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, তাঁরাই?"

কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেই জুতোপেঁটা...', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক
বাঁদিকে, বাসন্তীর তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল

রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী মাটিতে পা রাখার আগেই ঝাঁটাপেটা করার হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের। কাঠগড়ায় বাসন্তীর তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেই ঝাঁটাপেটা করবে মহিলারা। বিধায়কের কথায়, “আমাদের সাধারণ নাগরিককে ভয় দেখানোর জন্য, আতঙ্ক সৃষ্টি করবার জন্য, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস তৈরি করার উদ্দেশ্যে, তার জন্যই এত আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হল। যদি অন্যায়ভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ নাগরিকদের ওপর অত্যাচার করে, তাহলে গ্রাম বাংলার মেয়েরা ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদ করবে, প্রয়োজন হলে ঝাঁটাপেটাও করবে। এখনও ভোট ঘোষণার অনেক দিন বাকি রয়েছে।”

স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আসলে শ্যামল মণ্ডলদেরই মহিলাদের হাতে জুতো খাওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কোন মহিলারা ঝাঁটাপেটা করবে? যাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, তাঁরাই?”


আমি দুর্নীতি করিনি', আদালত চত্বরেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল
উল্লেখ্য, আগামিকালই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৪৮০ কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে রাজ্যে আসছে। ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে বীরভূমে আসছে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনেই কেবল ৪ কোম্পানি বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। বাকি প্রায় সব জেলাতেই ১০-এর নীচে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। জানা যাচ্ছে, আপাতত ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসছে বাংলায়। এর পরের ধাপে আরও ৪০ কোম্পানি বাহিনী, তারপর আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী আসবে।


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours