পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরি চলছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মহম্মদ জিম ফরহাদ নওয়াজ নামে এক ব্যক্তি। তিনি আবেদন করেন, এই ক্যাটেগরি হঠানো হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরিতে তাঁকেও নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। সেই নোটিসকেও চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।
SIR-এ হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে বিতর্ক বাধে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করে রাজ্যের শাসকদল। আর এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে সেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জল গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। পশ্চিমবঙ্গে এসআইয়ার প্রক্রিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। আর সোমবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরি চলছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মহম্মদ জিম ফরহাদ নওয়াজ নামে এক ব্যক্তি। তিনি আবেদন করেন, এই ক্যাটেগরি হঠানো হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরিতে তাঁকেও নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। সেই নোটিসকেও চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।
কিন্তু এই আবেদন শুনতেই চাননি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, কোন সাংবিধানিক ধারায় ব্যক্তির বাবা-মা, ভাই কে, তা খতিয়ে দেখার দায়ভার সুপ্রিম কোর্ট নিতে পারে? এ বিষয়ে আইন মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ। মামলাটি খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তবে শুনানিতে যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি না হতে হয়, তা নিশ্চিত করতে এর আগে কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর এখন শেষ পর্যায়ে। শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন স্ক্রুটিনি চলছে। এরপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকার পরও চূড়ান্ত তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের কমিশনের তরফে নাম না থাকার কারণ জানানো হবে। এমনকি, ফের নাম তোলার সুযোগও রয়েছে বলে রাজ্যের সিইও দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours