এনুমারেশন ফর্মে 'লিঙ্কেজ'-এ একজন ভোটারকে উল্লেখ করতে হয়, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে কি না। যদি থাকে তা উল্লেখ করতে হয়। আর ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে, বাবা-মা কিংবা অন্য নিকট আত্মীয়ের নাম, যাঁদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের তথ্য দিতে হবে।


 নেতাজির প্রপৌত্র চন্দ্র বসুকে SIR-র শুনানিতে ডাক, কারণ জানাল কমিশন
নেতাজির প্রপৌত্র চন্দ্রকুমার বসু

 নোবেলজয়ী অর্থনীতি, কবি, অভিনেতা। এসআইআর-র শুনানিতে বিশিষ্টজনদের ডাকা নিয়ে সরব তৃণমূল। জনপ্রতিনিধিরাও শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবার শুনানিতে ডাকা হল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের এক সদস্যকে। হিয়ারিংয়ের নোটিস পেয়েছেন নেতাজির প্রপৌত্র চন্দ্রকুমার বসু। নেতাজির পরিবারের সদস্যকে হিয়ারিংয়ে ডাকায় শোরগোল পড়েছে। তারপরই আসরে নামল রাজ্যের সিইও দফতর। কেন নেতাজির প্রপৌত্রকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তার কারণ ব্যাখ্যা করল। কী বলল রাজ্যের সিইও দফতর?

নেতাজির পরিবারের সদস্য হিয়ারিংয়ে ডাক পাওয়ার পরই শোরগোল শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে, নেতাজির প্রপৌত্রকে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে? এই নিয়ে হইচই শুরু হতেই নোটিস পাঠানোর কারণ জানাল সিইও দফতর। কমিশনের বক্তব্য, চন্দ্র বসুর যে এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়েছে, সেখানে ‘লিঙ্কেজ’ সংক্রান্ত অংশটি ফাঁকা রয়েছে। তাই, কমিশনের নিয়ম মেনে অন্য ভোটারদের মতো চন্দ্র বসুকে হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হয়েছে।


মহেশতলায় বন্ধ ফ্ল্যাটে স্বামী-স্ত্রীর নিথর দেহ, পাশে পড়ে থাকা জিনিসেই বাড়ছে রহস্য
'প্রধানমন্ত্রীকে বলব...', একগুচ্ছ অভিযোগ জানাবেন দিলীপ
এনুমারেশন ফর্মে ‘লিঙ্কেজ’-এ একজন ভোটারকে উল্লেখ করতে হয়, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে কি না। যদি থাকে তা উল্লেখ করতে হয়। আর ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে, বাবা-মা কিংবা অন্য নিকট আত্মীয়ের নাম, যাঁদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের তথ্য দিতে হবে। রাজ্যের সিইও দফতরের বক্তব্য, চন্দ্র বসুর এনুমারেশন ফর্মের লিঙ্কেজ অংশটি ফাঁকা রেখেই তা জমা পড়ে। সেজন্যই তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। সোশ্যল মিডিয়ায় এই নিয়ে অনেকে কমিশনকে তোপ দাগছেন। চন্দ্র বসুকে নোটিস পাঠানো নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে স্পষ্ট করে দিল কমিশন। 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন চন্দ্র বসু। বিজেপির টিকিটে ২ বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেন। একবার বাংলায় ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। দ্বিতীয়বার ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে। তবে জিততে পারেননি। ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে। অবশেষে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিজেপি ছাড়েন তিনি। নেতাজির প্রপৌত্র রাজনীতি ছাড়লেও এসআইআর-র হিয়ারিংয়ে তাঁকে নোটিস পাঠানো ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours