ভারতীয় কর কাঠামো অনুযায়ী, ইউনিট ধরে রাখার সময়ের ওপর ভিত্তি করে কর নির্ধারিত হয়। আপনি যখন ধাপে ধাপে ইউনিট কেনেন, তখন বিক্রির সময় কি আপনার মনে হয় যে কোন ইউনিট আগে বিক্রি হচ্ছে? এখানেই মুশকিল আসান করে ফিফো FIFO বা 'ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট' পদ্ধতি।
মিউচুয়াল ফান্ডে জটিলতা! কীভাবে বাঁচাবেন কর?
মিউচুয়াল ফান্ডে কীভাবে কমবে করের বোঝা?
মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা রাখছেন, কিন্তু বিক্রির সময় করের হিসেব মেলাতে পারছেন না? অনেক বিনিয়োগকারীর কাছেই মিউচুয়াল ফান্ডে ঠিক কত কর দিতে হচ্ছে, সেটা একটা গোলকধাঁধার মতো জায়গায় পৌঁছে যায়। বিশেষ করে আপনি যদি এসআইপি করেন, তবে কোন ইউনিটে কত কর দিতে হবে, তা বোঝা বেশ কঠিন।
কেন এই বিভ্রান্তি?
ভারতীয় কর কাঠামো অনুযায়ী, ইউনিট ধরে রাখার সময়ের ওপর ভিত্তি করে কর নির্ধারিত হয়। ১২ মাসের বেশি সময় ধরে কোনও বিনিয়োগ থাকলে তা পড়ে লং-টার্ম ক্যাপিটাল গেইনসের অধীনে। আবার ১২ মাসের কম সময় ধরে বিনিয়োগ থাকলে তা আসে শর্ট-টার্ম ক্যাপিটাল গেইনসের অধীনে।
আপনি যখন ধাপে ধাপে ইউনিট কেনেন, তখন বিক্রির সময় কি আপনার মনে হয় যে কোন ইউনিট আগে বিক্রি হচ্ছে? এখানেই মুশকিল আসান করে ফিফো FIFO বা ‘ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট’ পদ্ধতি।
কীভাবে কাজ করে ফিফো?
সহজ কথায়, যে ইউনিটটি আপনি সবার আগে কিনেছিলেন, বিক্রির সময় সেটিই আগে বেরিয়ে যাবে। এটি আপনার হোল্ডিং পিরিয়ড এবং ক্রয়ের গড় মূল্য নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পদ্ধতিতে হিসেব করলে কর ফাঁকির কোনও ভয় থাকে না এবং রিটার্ন ফাইল করা সহজ হয়।
কী করবেন আপনি?
যদি আপনি নতুন বিনিয়োগকারী হন, তবে শুরু থেকেই বুঝে নিন কীভাবে কাজ করে এই ফিফো পদ্ধতিটি। এর ফলে আপনার রেকর্ড মেনটেন করা অনেক সহজ হয়ে যায়। মনে রাখবেন, সঠিক কর পরিকল্পনা আপনার নিট মুনাফা বাড়াতে সাহায্য করে। আগামীর অনিশ্চিত বাজারে আপনার বিনিয়োগের সুরক্ষায় ফিফো-ই হতে পারে আপনার শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours