আসলে ২০২৫-এর এসএসসির নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন একদল চাকরিপ্রার্থী। যার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা সম্প্রতি ২০১৬ সালে নিয়োগপত্র না পাওয়া ওয়েটিং লিস্টে থাকা দাগি প্রার্থীদের নামের তালিকাও প্রকাশ করতে এসএসসিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
..এদের মধ্যে একজন লক্ষ্মী তুঙ্গা,যাঁকে নিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বেশি নাচানাচি করেছিলেন, হঠাৎ কেন বললেন কল্যাণ?
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ
বাম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ শানালেন তিনি। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নাম কেন দাগিদের তালিকায়? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাসকদলের অনেকেই। ব্রাত্য বসুর যুক্তি ছিল, দাগিদের চাকরি পাইয়ে দিতেই এই ছাব্বিশ হাজারের চাকরি গেল। আর সোমবার আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, বামেদের যে আইনজীবীরা লড়াই করেছিলেন, তাঁদের কেউ মক্কেলদের চাকরি দিতে পারেনি। কিন্তু অন্যের চাকরিতে কাঁচি চালিয়ে গিয়েছে।
কল্যাণ বলেন, “এই যে আপনারা দেখেছিলেন সিপিএম-এর আইনজীবীরা দাগি-দাগি করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত এসেছিল তো…এদের মধ্যে একজন হল লক্ষ্মী তুঙ্গা। যাঁকে নিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বেশি নাচানাচি করেছিলেন। আজকে দাগির তালিকায় লক্ষ্মীর নাম আছে। এমন অনেক আছে। সিপিএম-এর আইনজীবীরা যাঁদের নিয়ে মামলা করতে গেছে তাঁরাই দাগি বেরচ্ছে। ভেরি ইন্টাররেস্টিং।” তিনি আরও বলেন, “নিজের মক্কেলদের একটা লোককে চাকরি দিতে পারেনি। শুধু কাঁচি চালিয়ে গেছে। অতৃপ্ত আত্মা।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours