গঙ্গাসাগরে এক নিমেষে বাংলার সাত তীর্থ! পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে গেল ‘মিনি পশ্চিমবঙ্গ’
মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নানে আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তার আগেই গঙ্গাসাগর মেলায় আগত দেশ-বিদেশের পুণ্যার্থীদের জন্য এক বড় চমক নিয়ে হাজির রাজ্য প্রশাসন। মেলা প্রাঙ্গণে এবার পা রাখলেই দেখা মিলবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সাতটি মন্দিরের রূপরেখা। বুধবার পুণ্যার্থীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হলো এই বিশেষ ‘টেম্পল জোন’গত বছর পাঁচটি মন্দিরের আদল তুলে ধরা হলেও, ২০২৬-এর মেলায় সেই সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে সাত। প্রথাগত কপিলমুনির আশ্রমের পাশাপাশি এবার পুণ্যার্থীরা দর্শনের সুযোগ পাবেন: দীঘার জগন্নাথ মন্দির বেলুড় মঠ দক্ষিণেশ্বর মন্দির কালীঘাট মন্দির তারাপীঠ
দার্জিলিং-এর মহাকাল মন্দির ও মদনমোহন মন্দির ।
এই মহাযজ্ঞের নেপথ্যে রয়েছে ‘D3 Creative Advertising Agency’। প্রখ্যাত শিল্পী দীপঙ্কর দত্ত এবং তাঁর দক্ষ কারিগরদের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে এই শিল্পকর্ম। বাঁশ, থার্মোকল, কাপড় এবং রংয়ের নিখুঁত কারুকার্যে মন্দিরগুলি এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, মনে হবে আপনি খোদ সেই তীর্থস্থানেই দাঁড়িয়ে আছেন। ৮ জানুয়ারি মেলা শুরুর আগেই এই স্থাপত্যগুলি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক আধিকারিকদের মতে, গঙ্গাসাগরে আসা বহু বৃদ্ধ পুণ্যার্থীর পক্ষে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত তীর্থ ভ্রমণ করা সম্ভব হয় না। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই মেলা প্রাঙ্গণে এই বিশেষ আয়োজন। একদিকে যেমন বাংলার সংস্কৃতি ও স্থাপত্যকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা হচ্ছে, অন্যদিকে পুণ্যার্থীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। দীঘার নতুন জগন্নাথ মন্দিরের আদল এবং বেলুড় মঠের শান্ত পরিবেশের প্রতিচ্ছবি এবার মেলার প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন শিল্পী দীপঙ্কর দত্ত। মেলা শুরুর আগে থেকেই এই সাত মন্দির দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন আগত তীর্থযাত্রীরা।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours