মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস ও একগুচ্ছ প্রকল্পের ডালি নিয়ে পৌঁছাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে সাগরদ্বীপবাসীর। ২০২৬-এর গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবং সুন্দরবনবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে আগামীকাল, সোমবার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে সরাসরি সাগরদ্বীপে পৌঁছাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের সফরের সবথেকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে চলেছে মুড়িগঙ্গা নদীর ওপর বহুল প্রতীক্ষিত গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস। মুখ্যমন্ত্রীর এই হাই-প্রোফাইল সফরকে কেন্দ্র করে কার্যত নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা গঙ্গাসাগর চত্বর। হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড থেকে কপিল মুনির আশ্রম পর্যন্ত মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ভিড় নিয়ন্ত্রণে লাগানো হয়েছে শক্তপোক্ত ব্যারিকেড। রাস্তার দু’ধারে এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শোভা পাচ্ছে রাজ্য সরকারের একাধিক উন্নয়নমুখী প্রকল্পের সুদৃশ্য ব্যানার ও ফেস্টুন।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামীকাল সাগরে পৌঁছেই মুখ্যমন্ত্রী সুন্দরবনের একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।
তবে সবার নজর থাকবে মুড়িগঙ্গা সেতুর ওপর। প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে চলা এই সেতুটি তৈরি হলে ভেসেলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার ভোগান্তি চিরতরে দূর হবে। এটি কেবল পর্যটন নয়, স্থানীয় অর্থনীতির ভোল বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।২০২৬-এর মেলায় রেকর্ড ভিড়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী নিজে সমস্ত পরিকাঠামো—যেমন পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আলোকসজ্জা সরেজমিনে পরীক্ষা করবেন। কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করবেন। এখন কেবল আকাশপথে মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে সুন্দরবন।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours