বিচ্ছেদের সময় সন্তানদের নিজের কাছে রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন করিশ্মা কাপুর। আদালত সেই আর্জি মেনে নিয়েছিল। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ রাখতে পারবেন সঞ্জয়, দেখাও করতে পারবেন বলে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে একটা সময় পর তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্রমেই বাড়ে।
কেন করিশ্মার দুই সন্তান কলেজের মাইনে দিতে পারছে না, নায়িকার সম্পত্তি কত?
প্রয়াত করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর। মুহূর্তে শোকের ছায়া নামে কাপুর পরিবারে। প্রাক্তন স্বামীকে হারিয়ে ভেঙে পড়েন নায়িকা। তাঁর খোঁজও নেন অনেকেই। যদিও তাঁদের মধ্যে বৈবাহিক সূত্রে কোনও সম্পর্ক ছিল না। গত ১১ বছর ধরে তাঁরা আলাদাই থেকেছেন। সঞ্জয় কাপুর ২০০৩ সালে অভিনেত্রী কারিশ্মা কাপুরকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান— সামাইরা ও কিয়ান। যদিও মাত্র ১১ বছর ছিল তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের মেয়াদ।
২০১৪ সালে এই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের জন্যে আবেদন করেন তাঁরা। ২০১৬ সালে গিয়ে আইনি পথে আলাদা হয়ে যায় এই জুটি। যদিও সন্তানের দায়িত্ব নিতে কখনও অস্বীকার করেননি সঞ্জয়। বরং চেয়েছিলেন তাঁর সন্তানদের বড় হয়ে ওঠায় যেন কোনও সমস্যা না হয়। সেই কারণে ২০১৬ সালে ১৪ কোটি টাকর একটি বন্ড কিনেছিলেন তিনি। যেখান থেকে সুদ বাবদ ১০ লাখ টাকা করে পান করিশ্মা কাপুর, তাঁর সন্তানদের খরচ বাবদ। পাশাপাশি সঞ্জয় কাপুরের বাবার বাড়িটি খোরপোশ বাবদ করিশ্মা কাপুরকে লিখে দেওয়া হয়েছিল।
বিচ্ছেদের সময় সন্তানদের নিজের কাছে রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন করিশ্মা কাপুর। আদালত সেই আর্জি মেনে নিয়েছিল। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ রাখতে পারবেন সঞ্জয়, দেখাও করতে পারবেন বলে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে একটা সময় পর তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্রমেই বাড়ে। তবে প্রাক্তন স্বামীর প্রয়াণের পর সত্যি কি আর্থিক সমস্যায় করিশ্মা ও তাঁর সন্তানেরা? সম্প্রতি এক মামলা সূত্রে খবর মেলে, করিশ্মার দুই সন্তান বিদেশে কলেজের মাইনে দিতে পারেনি ২ মাস। কারণ সঞ্জয়ের পরিবার থেকে নাকি মেলেনি সেই সাপোর্ট। আদালে এই প্রসঙ্গ উঠতেই মেজাজ হারিয়েছিলেন বিচারপতি। নির্দেশ দিয়েছিলেন, এই মামলায় কোনও নাটক নয়।
তবে সত্যি কি করিশ্মা তাঁর সন্তানদের পাশে দাঁড়াতে অপারক? নাহ, করিশ্মা কাপুরের আয় নেহাতই কম নয়। তবে এই লড়াই তাঁর প্রাপ্যর। সূত্রের খবর সঞ্জয়ের সম্পত্তির পরিমাণ বাদ দিলে ১২০ কোটির মালিক তিনি। ফলে সন্তানদের পড়ার খবর তিনি বহন করতে সক্ষম। তবে সঞ্জয়ের দলিল অনুযায়ী যা পাওয়ার কথা ছিল, সেই পরিমাণ অর্থ না মেলায় আদালতের দরজায় পৌঁছায় সঞ্জয়-করিশ্মার দুই সন্তান। এখন দেখার, সত্যি কি সঞ্জয়ের তৃতীয় স্ত্রী দলিলে কোনও কারচুপি করেছেন, নাকি করিশ্মার পক্ষ থেকে যে দবি তোলা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। সে উত্তর সময় দেবে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours