মেয়ো রোডে তৃণমূলের মঞ্চ খুুলছে সেনা-জওয়ানরা। যা ঘিরে নতুন করে পারদ চড়ল রাজ্য রাজনীতির। কারণ, এই মঞ্চ ভাষা আন্দোলনের। প্রতিহিংসার রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছে শাসক শিবির। পারদ যখন তুঙ্গে সেই আবহেই মেয়ো রোডে পৌঁছে গেলেন মমতা।
তৃণমূলের মঞ্চ খুলল সেনা, ছুুটে গেলেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
মেয়ো রোডের মঞ্চে হাত দিল জওয়ানরা। ফোর্ট উইলিয়াম থেকে দল বেঁধে এসে খুলতে শুরু করল মঞ্চ। যে মঞ্চ তৃণমূল ব্যবহার করেছিল ভাষা আন্দোলনের জন্য। এমনকি, এখনও প্রত্যেক শনি ও রবিবার সেই ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ওখানেই নানা কর্মসূচি করে থাকে তৃণমূল। সেই আন্দোলন মঞ্চকে ধীরে ধীরে খুলে ফেলছে সেনা। ফলত স্বাভাবিক নিয়মেই যেন চটে গেল শাসক শিবির।
কোন যুক্তিতে এই মঞ্চ খোলার সিদ্ধান্ত নিল সেনা?
এই প্রসঙ্গে সেনা তরফ একটি বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে তারা জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে গান্ধী মূর্তির পাদদেশের তৃণমূলের মঞ্চের জন্য দু’দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে টানা এক মাস ধরে ওই মঞ্চ ওখানেই পড়ে রয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের সেই নিয়ে সতর্কও করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও ওই মঞ্চ সরানো হয়নি।
তৃণমূলের যুক্তি
সেনার এই আচরণকে ‘বিজেপির প্রতিহিংসার’ রাজনীতি বলেই দাগাচ্ছে শাসকদল। এদিন তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপি বাঙালি বিদ্বেষী। ওরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভাষা আন্দোলনের মঞ্চ খুলে ফেলছে। আমরা অনুমতি নিয়েছে। ২০ হাজার ৫০০ টাকা সিকিউরিটি মানি জমা দিয়েছি। আমরা চেয়ার সরিয়ে দিয়েছি, ফ্যান সরিয়েছি, কোনও কাপড় নেই। শুধু বাঁশের কাঠামোটা পড়ে। সেটাও সরিয়ে দিতাম। কিন্তু লোক আসতে দিক। গতকালই অনুষ্ঠান শেষ হল। আমি আমার ৪৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কোনও দিনও দেখিনি যে একটা রাজনৈতিক দলের মঞ্চ সেনা এসে খুলছে।”
মমতার আগমন
পরিস্থিতি যখন সরগরম, সেনাকে থামার আর্জি করে কাজ হচ্ছে না। সোমের দুপুর তখনই মেয়োর রোডের ওই মঞ্চের কাছে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন তিনি। তারপর শুরু করেন ভাষণ।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours