এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের তালিকায় ছিলেন জাভেদ আখতার। সেটা নিয়েই উর্দু অ্যাকাডেমির অভ্যন্তরে একটা বিরোধ তৈরি হয়। মূলত জমায়েতে উলেমা হিন্দ-সহ বেশ কিছু কট্টরপন্থী ইসলামিক সংগঠন বেশ কিছু দ্বিমত তৈরি হয়।
'অতিথি' জাভেদ আখতারে আপত্তি, কট্টরপন্থীদের বিরোধিতায় পিছু হঠল রাজ্য সরকার?
অতিথি জাভেদ আখতারে আপত্তি!
কট্টরপন্থীদের রোষে মাথা ঝোঁকাল রাজ্য সরকার? উর্দু অ্য়াকাডেমির অনুষ্ঠানে কবি-গীতিকার জাভেদ আখতারকে আমন্ত্রণ জানানোয় কট্টরপন্থীদের বিরোধিতা। যার জেরে স্থগিত অনুষ্ঠান। ঘটনা ঘিরে দেশের সংস্কৃতির পীঠস্থানে তুঙ্গে বিতর্ক। উর্দু অ্যাকাডেমি রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রিত একটি সংস্থা। ১ সেপ্টেম্বর কলা মন্দিরে একটি অনুষ্ঠান হওয়ায় কথা।
এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের তালিকায় ছিলেন জাভেদ আখতার। সেটা নিয়েই উর্দু অ্যাকাডেমির অভ্যন্তরে একটা বিরোধ তৈরি হয়। মূলত জমিয়েতে উলামায়ে হিন্দ-সহ বেশ কিছু কট্টরপন্থী ইসলামিক সংগঠন বেশ কিছু দ্বিমত তৈরি হয়। তাঁদের বক্তব্য, জাভেদ আখতার ইসলামকে সমর্থন করেন না। সেই কারণ দর্শিয়ে তাঁকে এই অনুষ্ঠানে আনার বিরোধিতা করেন। তারপরই দেখা যায়, উর্দু অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, এদিন এই অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হয়েছে।
তরফ থেকে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তাঁরা স্থগিত রাখার কারণ স্পষ্ট করেননি। তাঁদের বক্তব্য অনিবার্য কারণবশত এই অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্দরের খবর, এই বিরোধিতার জেরেই কোনওভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনওভাবেই ইসলামিক কোনও সংগঠনকে অসন্তুষ্ট করতে চায় না রাজ্য সরকার। সেই জায়গা থেকেই এই বিরোধিতাকে মান্যতা দিয়েছে বলে অভিজ্ঞ মহলের ব্যাখ্যা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ব্যাখ্যা, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের শাসকদলের ভোটব্যাঙ্কের একটা বড় অংশ সংখ্যালঘু। ভোটের আগে তাঁদেরকে কোনওভাবেই অসন্তুষ্ট করতে চাইছে না শাসকদল। স্বাভাবিকভাবেই এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেছেন বিরোধীরা।
জমিয়েতে উলামায়ে হিন্দ সম্পাদক জিল্লুর রহমান আরিফ বলেন, “এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে জাভেদ আখতার আমন্ত্রিত ছিলেন। কিন্তু এটা নিয়ে সংখ্যালঘুদের মধ্যে একটা মতভেদ তৈরি হচ্ছিল। তিনি ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে অনেক বাজে মন্তব্য করেছিলেন।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours