পশ্চিমবঙ্গে ভোটের হার নিয়ে এদিন একই সুর শোনা যায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্যে। সুপ্রিম কোর্টে আজ রাজ্যের ভোটের হার নিয়ে প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "ট্রেন ভরে ভরে পরিযায়ীরা ভোট দিতে এসেছেন। কোনও হিংসা হয়নি।"
'পশ্চিমবঙ্গের ভোটের হার দেখে আমি খুশি', মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট পড়েছে। ২০১১-কেও ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। ভোটের হারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সব রাজনৈতিক দলগুলি। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটের হার দেখে খুশি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এদিন সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলা চলাকালীন প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “দেশের একজন নাগরিক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের হার দেখে আমি খুব খুশি।” তাঁর পর্যবেক্ষণ, যখন মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তখন তাঁরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেন।” অন্যদিকে, ট্রাইব্যুনালে নাম নিষ্পত্তি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কী বললেন?
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের হার নিয়ে এদিন একই সুর শোনা যায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্যে। সুপ্রিম কোর্টে আজ রাজ্যের ভোটের হার নিয়ে প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ট্রেন ভরে ভরে পরিযায়ীরা ভোট দিতে এসেছেন। কোনও হিংসা হয়নি।” তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। তাঁর মন্তব্য, “সিকিউরিটি ফোর্স খুব ভালো কাজ করেছেন। ৯২ শতাংশ ভোটের হার ঐতিহাসিক।” এরপরই বাংলার ভোট নিয়ে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির পর্যবেক্ষণ, “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলু খাগড়ার প্রাণ যায়।”
এদিকে, আজ আদালতে দাঁড়িয়েই ৪ মে কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে নিজের বাড়িতে ডিনারে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে মজা করে বিচারপতি বাগচী বলেন,’আগে হলে আমি দায়িত্ব নিতাম।’
এসআইআর মামলার শুনানিতে আজ কী কী হল?
আজ শুনানিতে মূলত নজর দেওয়া হয়েছে ট্রাইবুনালের কাজের দিকে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২৭ লক্ষের মধ্যে মাত্র ১৩৯ জনের মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। শেষ পর্যায়ের নির্বাচন সামনে। আমরা চাই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হোক।” কল্যাণের আবেদনের পরই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, ট্রাইব্যুনালে নাম নিষ্পত্তি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হতে পারেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “১৩ এপ্রিলের অর্ডারে আমরা মোটামুটি সব বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছি। এরপর প্রতিদিনের শুনানিতে আরও কিছু বিষয়ে উঠে আসতে পারে যে বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বা ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন জানাতে হবে। যাদের নাম অকারণে বাদ গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে,তাঁদের বিষয় দেখার জন্য আমরা আগেই ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দিয়েছি। জরুরি শুনানির প্রয়োজন হলে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করতে হবে।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours