এদিন বিধানসভায় এসেছিলেন সিইও। রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নের স্ক্রুটিনি হয় এদিন। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অবজার্ভার হিসেবে বিধানসভায় এসেছেন তিনি। সেখানেই একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন।
ঠিক সময়ে ভোট সম্ভব? এবার মুখ খুললেন CEO
সিইও মনোজ আগরওয়াল
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলেও ৬০ লক্ষের নাম ‘অমীমাংসিতের’ তালিকায়। প্রশ্ন উঠছে, কবে বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হবে? ৭ মে’র মধ্যে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে। এই আবহে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নিয়ে কী বলছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল? অমীমাংসিতের তালিকায় ৬০ লক্ষের নাম নিয়ে কী বক্তব্য তাঁর? শুক্রবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিনি। কী বললেন রাজ্যের সিইও?
এদিন বিধানসভায় এসেছিলেন সিইও। রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নের স্ক্রুটিনি হয় এদিন। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অবজার্ভার হিসেবে বিধানসভায় এসেছেন তিনি। সেখানেই একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই অবস্থায় সঠিক সময়ে ভোট সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। এদিন তা নিয়ে সিইও বলেন, “নির্বাচন সংক্রান্ত তারিখ আমি ঘোষণা করি না। আমার কোনও ক্ষমতা নেই। কমিশন আমার সঙ্গে আলোচনাও করবে না।” এরপরই তিনি বলেন, “এটা কমিশন বলতে পারবে। কমিশনের প্রতিনিধিরা ৪টে রাজ্য ঘুরে এখানে আসছেন। তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন।”
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরও ৬০ লক্ষের নাম অমীমাংসিতের তালিকায় রয়েছে। এই নিয়ে এদিন সিইও বলেন, “এটা তো এসআইআর গাইডলাইনে ছিল না। সুপ্রিম কোর্টে ম্যাটার গিয়েছে। অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে এই অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। ৬০ লক্ষের মধ্যে ৬ লাখের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। বাকি কী হবে, সেসব আমরা জানি না। কমিশন এসে সিদ্ধান্ত নেবে। সেটা কী হবে, তা আমরা জানি না।”
এরপরই তিনি বলেন, “এইরকম পরিস্থিতি আগে কখনও হয়নি। তবে এত পরিমাণে না হলেও অনেক ফর্ম ৬ শেষের দিকে আসে। সেগুলো থেকে যায়। নমিনেশনের শেষ দিন পর্যন্ত দেওয়া যায়। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সব কেস নিষ্পত্তি হয় না। তবে এই পরিমাণে অ্যাজজুডিকেশন আমি দেখিনি।
৬০ লক্ষ নাম অ্যাডজুডিকেশনে থাকার পিছনে কাদেরও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন করা হয় সিইও-কে। যার জবাবে তিনি বলেন, “এরকম নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ এলে আমরা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেব। কিন্তু আমরা এখন এত ব্যস্ত, এখন এই কাজ করব কী অন্য কাজ করব! এখন এত সময় নেই যে ধরে ধরে শাস্তি দেব।”
শুনানিতে নথি দেওয়ার পরও অ্যাডজুডিকেশমনে নাম থাকা নিয়ে মনোজ আগরওয়াল বলেন, “এইভাবে আমি কিছু বলতে পারব না। ডিইও-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। তথ্য প্রমাণ অনুসন্ধান করে তবে কিছু বলতে পারব। আমরা আইনগতভাবেই ব্যবস্থা নেব।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours