দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ ট্রেনটি মূলত ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকার কর্মী-সমর্থকদের যাতায়াতের জন্যই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ট্রেনে মোট আটটি স্লিপার কামরা রয়েছে। এর মধ্যে মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে দু'টি কামরা আলাদা করা হয়েছে। বাকি ছ'টি কামরা পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
ব্রিগেড কাঁপাতে উত্তরবঙ্গ থেকে ছাড়ল স্পেশ্যাল ট্রেন, স্টেশনে চলল পুজো, উঠল জয় শ্রী রাম ধ্বনি
কলকাতায় বাড়ছে ভিড়
রাত পোহালেই কলকাতার ব্রিগেডে মোদীর মেগা সমাবেশ। শুক্রবার থেকেই উত্তরবঙ্গের নানা প্রান্ত থেকে পদ্ম কর্মীরা রওনা দিয়েছেন কলকাতার উদ্দেশ্যে। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি ধূপগুড়িতেও চোখে পড়ল গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের বিপুল উন্মাদনা। এ দিন বেলা ১১টা নাগাদ ধূপগুড়ি স্টেশন থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশ্যে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা দিল একটি বিশেষ ট্রেন।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ ট্রেনটি মূলত ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকার কর্মী-সমর্থকদের যাতায়াতের জন্যই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ট্রেনে মোট আটটি স্লিপার কামরা রয়েছে। এর মধ্যে মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে দু’টি কামরা আলাদা করা হয়েছে। বাকি ছ’টি কামরা পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
বহু বছর ধরে ভাড়ায় বাস, বাড়িমালিকের সিদ্ধান্ত ঘুণাক্ষরেও টের পাননি ভাড়াটিয়ারা
শনিবার সকাল থেকেই ধূপগুড়ি স্টেশন চত্বর কার্যত উৎসবের চেহারা নেয়। কর্মী-সমর্থকদের ভিড় এবং মুহুর্মুহু ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। যাত্রা শুরুর আগে অভিনব দৃশ্যও দেখা যায় স্টেশনে। বিশেষ এই ট্রেনের চালক, সহকারি চালক এবং ধূপগুড়ি স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে দলের পক্ষ থেকে সংবর্ধনাও জানানো হয়। এরপর চালকের উপস্থিতিতে ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে রীতিমতো ফুল-মালা দিয়ে পুজো করেন বিজেপি কর্মীরা।
দীর্ঘ যাত্রাপথে কর্মীদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রেখেছে দলীয় নেতৃত্ব। ট্রেনে সকলের বসা ও শোওয়ার পাশাপাশি দলের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই বিপুল প্রস্তুতি প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক চন্দন দত্ত বলেন, “আমাদের কর্মী-সমর্থকরা যাতে নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে কলকাতায় পৌঁছতে পারেন, তার জন্য দলের তরফ থেকে এই বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রাপথে তাঁদের থাকা-খাওয়া বা নিরাপত্তার যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে, আমরা সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। কালকের এই সমাবেশ এক ঐতিহাসিক রূপ নিতে চলেছে।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours