পরবর্তীতে অভিযুক্ত জানান, কনস্টেবলের বেতন কম হওয়ায় সাব-ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়া সম্ভব। তবে তার জন্য আরও ৩ লক্ষ টাকা লাগবে। পরিবারের দাবি, সেই টাকা নগদে দেওয়া হয়। ছেলের চাকরির আশায় গৃহবধূ নিজের জমি ও শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে এই অর্থ জোগাড় করেন।


কনস্টেবল পদে হয়ে যাবে চাকরি, আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতানোর অভিযোগ, বিশ্বনাথকে খুঁজছে পুলিশ
বেহালায় ভয়ঙ্কর ঘটনা
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল সরশুনায়। ইতিমধ্যেই সরশুনা থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। জানা যাচ্ছে, সাব-ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছে অভিযুক্ত।


জানা গিয়েছে, সরশুনার এক গৃহবধূ গাড়ি চালানো শিখতে গিয়েছিলেন এক মোটর ট্রেনিং স্কুলে। সেখানেই প্রশিক্ষক বিশ্বনাথ সাহা-র সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। মহিলার দাবি, বিশ্বনাথবাবু কথোপকথনের দাবি করেন, তিনি একাধিক ব্যক্তিকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। তখন গৃহবধূ তাঁর বেকার ছেলের জন্য চাকরির আবেদন জানান।অভিযোগ, এরপর ওই প্রশিক্ষক গৃহবধূকে নিউ আলিপুরের এসএনরায় রোডে নিয়ে যান। সেখানে সৌমেন সাহা রায় নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। প্রথমে কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নগদ ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়।


পরবর্তীতে অভিযুক্ত জানান, কনস্টেবলের বেতন কম হওয়ায় সাব-ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়া সম্ভব। তবে তার জন্য আরও ৩ লক্ষ টাকা লাগবে। পরিবারের দাবি, সেই টাকা নগদে দেওয়া হয়। ছেলের চাকরির আশায় গৃহবধূ নিজের জমি ও শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে এই অর্থ জোগাড় করেন।


এছাড়াও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার নাম করে আরও ৩৬ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও চাকরি মেলেনি। অবশেষে টাকা ফেরতের দাবি জানালে কোনও সুরাহা না হওয়ায় রবিবার সরশুনা থানায় এফআইআর দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার এবং পাশাপাশি ডিসি অফিসেও অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours