১ এপ্রিল থেকে চালু হচ্ছে রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে ঘোষিত 'যুবসাথী প্রকল্প'। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই ভাতা পাবেন। মহিলা ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত মাসিক দেড় হাজার টাকা করে অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। চাকরি পেলে ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।


 ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ১৩ লাখ বেকারের আবেদন, শুধু কলকাতায় ভাতার আবেদন কত জমা পড়ল জানেন

ভোটের আগে কার্যত কল্পতরুর মতো ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক পাশ করা, চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন এই প্রকল্পে। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে এই প্রকল্পে আবেদনের প্রক্রিয়া। ৪৮ ঘণ্টা পেরোয়নি। তার আগেই আবেদনকারীর সংখ্যা ছুঁয়ে ফেলল ১৩ লক্ষ।

২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সীরা এই প্রকল্পে ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন ও অফলাইনে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। রাজ্য বাজেটে জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে, তবে পশ্চিমবঙ্গে বেকারের সংখ্যা ঠিক কত? দু দিনের আবেদন জমা শেষ হওয়ার পর হিসেব বলছে, যুবসাথীতে আবেদনের সংখ্যা ১৩ লক্ষ। ৪৫ হাজার ৮১২ জন অফলাইনে এবং ১ .২ লক্ষ আবেজন জমা পড়েছে অনলাইনে।

খাস কলকাতায় বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ব্যক্তি
হিয়ারিং শেষ হওয়ার পর জানা গেল এই নথিগুলি গ্রহণযোগ্যই নয়, কী হবে এবার
যুব সাথীর আবেদনে কারা এগিয়ে

গতকাল পর্যন্ত মোট আবেদনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা মুর্শিদাবাদ। সেখানে দেড় দিনে (সোমবার দুুপুর ১২টা পর্যন্ত) আবেদনকারীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ৭৯০। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মোট ৪৯ হাজার ৪৪৯টি আবেদন জমা পড়েছে। তৃতীয় স্থানে বাঁকুড়া। আবেদনের সংখ্যা ৪৮ হাজার ১২২।

সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোন জেলায় কত আবেদন একনজরে

পুরুলিয়ায় আবেদন করেছেন ৪৬ হাজার ৯৪৫ জন।

উত্তর ২৪ পরগনায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩২৬।

হুগলিতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ৩৬ হাজার ৫৪১টি।

পূর্ব বর্ধমানে ৩৪ হাজার ৫০৬টি আবেদন।

পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৩ হাজার ২৯৬টি ফর্ম জমা পড়েছে।

হাওড়ায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৩২ হাজার ৪২টি।

নদিয়ায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৩৭৯টি।

পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ হাজার ২৮৫ আবেদন জমা পড়েছে।

কোচবিহারে আবেদনের সংখ্যা ২৩ হাজার ১৩৫টি।

উত্তর দিনাজপুরে আবেদনের সংখ্যা ২৩,১৩২।

জলপাইগুড়িতে ২৩ হাজার ২৩ আবেদন জমা পড়েছে।

বীরভূমে ২২ হাজার ৭৯৫টি আবেদন করা হয়েছে।

পশ্চিম বর্ধমানে ২০ হাজার ৮০৬ জন নাম নথিভুক্ত করেছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরে মোট আবেদন ১৭ হাজার ৭৩৮।

কলকাতায় সংখ্যাটা ১৫ হাজার ৭৮০।

মালদহে ১৩ হাজার ৮০৫ জন আবেদন করেছেন।

আলিপুরদুয়ারে ১১ হাজার ৪৭৯ জন আবেদন করেছেন।

ঝাড়গ্রামে ১০ হাজার ৮৮৬ জন আবেদন জমা দিয়েছেন।

পাহাড়ি জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিংয়ে মোট ৮ হাজার ৯১৯ আবেদন জমা পড়েছে।

সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে কালিম্পংয়ে। মাত্র ২ হাজার ৭১৪। তবে কালিম্পং পাহাড়ি জেলা, আয়তনেও খুব ছোট।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours