এই বিষয় নিয়েও রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির স্পষ্ট জবাব, এই নথিগুলি তো কোনওদিনই এসআইআর-এর জন্য ধার্য ছিল না, তাহলে প্রশ্নটা উঠল কেন! বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছিল, তার মধ্যে 'বাংলার বাড়ি' বা 'ইন্দিরা আবাস যোজনা'র নথি ছিল না।"
হিয়ারিং শেষ হওয়ার পর জানা গেল এই নথিগুলি গ্রহণযোগ্যই নয়, কী হবে এবার
গত শনিবার ছিল পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের শুনানির শেষ দিন। দীর্ঘ শুনানি প্রক্রিয়ায় ভোটাররা নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে নির্দেশিকা অনুসারে বিভিন্ন নথি জমা দিয়েছেন। সরকারি নথি জমা দিয়েছেন অনেকেই। এবার শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট কিছু নথি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের সিইও দফতরের তরফ থেকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তবে প্রশ্ন উঠেছে, শুনানি শেষ হওয়ার পর এই তথ্য আসায় আদতে সমস্যায় পড়বেন না তো ভোটাররা?
সরকারি নথি হলেও ‘বাংলার বাড়ি’, ‘ইন্দিরা আবাস যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস’ যোজনার নথিও গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে। সিইও দফতরের তরফে এই নথিগুলির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন হল, হিয়ারিং তো শেষ, এবার কী হবে? অনেক জায়গাতেই ইআরও-রা ওই সব নথি গ্রহণ করেছেন। যাঁরা শুধুমাত্র এই সব নথি দিয়েছেন, তাঁদের নাম বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।
এই বিষয় নিয়েও রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির স্পষ্ট জবাব, এই নথিগুলি তো কোনওদিনই এসআইআর-এর জন্য ধার্য ছিল না, তাহলে প্রশ্নটা উঠল কেন! বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছিল, তার মধ্যে ‘বাংলার বাড়ি’ বা ‘ইন্দিরা আবাস যোজনা’র নথি ছিল না। যারা এই সব নথি নিল, তাঁরা কেন নিল?” অন্যদিকে, পাল্টা চাপ দিচ্ছে তৃণমূল। শাসক দলের মুখপাত্র তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, “কোন ইআরও-রা এই নথি গ্রহণ করেছে, কেনই বা করেছে, তার জবাবদিহি করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।” এতদিন কেন বলা হল না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours