গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশেই তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর বলছে ৩০-৩১ ডিগ্রিতে পৌঁছতে পারে আলিপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই ৩০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে পশ্চিমাঞ্চলের পারদ।
চলে যাওয়ার পথেও শীতের কামব্যাক? কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
হারিয়ে যাওয়ার পথে শীতের অনুভূতি। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। নতুন সপ্তাহেই ১৮-১৯ ডিগ্রিতে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিউড়ি এবং কল্যাণীতে। পারদ নেমেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে এই ঠান্ডার অনুভূতি যে খুব বেশি স্থায়ী হবে এমন পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফেব্রুয়ারি শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন। শেষলগ্ন থেকেই পারদের গ্রাফ আরও বেশ কিছুটা উপরে উঠে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশেই তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর বলছে ৩০-৩১ ডিগ্রিতে পৌঁছতে পারে আলিপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই ৩০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে পশ্চিমাঞ্চলের পারদ। শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, রোদের তেজ বাড়ছে উত্তরবঙ্গেও। ৩০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে জলপাইগুড়ির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকায় সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল পুন্ডিবাড়িতে। সেখানে পারদ নেমেছে ১১.৬ সেলসিয়াসে। তবে এখনও পাহাড়ি এলাকায় শীতের আমেজ সবচেয়ে বেশি। দার্জিলিং-এ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও কাজ করবে, ৫৮৫ কোটি খরচে কলকাতা মেট্রোয় এবার আমুল পরিবর্তন
তবে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গ, দুই প্রান্তেই কুয়াশার দাপট চলছে। এদিন সকালের দিকে রাজ্যের কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দেখা মিলেছে। দৃষ্টিসীমা ছিল ২০০ মিটার থেকে ১০০০ মিটারের মধ্যে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে ভাল কুয়াশার দেখা মিলেছে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহারে। আগামী কয়েকদিন অবস্থা মোটের উপর একই থাকবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও বিশেষ কোনও হেরফের হবে না।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours