শুক্রবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ শুনানি শুরু হয় কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে। তবে কোর্টের ভিতরে চলছিল তুমুল হইহট্টগোল। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নিষেধ করা সত্ত্বেও এজলাসের ভিতর পরিবেশ শান্ত করা সম্ভব হয়নি। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মাইক হাতে শান্ত থাকার আর্জি জানান সকলকে। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি।
এবার সুপ্রিম কোর্টে ED-র মুখোমুখি TMC? ক্যাভিয়েট দাখিল করল রাজ্য
আদালত কক্ষে তুমুল হইচই, উপচে পড়া ভিড়ের মাঝে স্থগিত হয়ে যায় তৃণমূল বনাম ইডি মামলা। দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে একটি মেইলও করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই আবেদন গ্রাহ্য হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ইডি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে রাজ্যের তরফে।
ইডি যদি আগেভাগে সুপ্রিম কোর্টে যায়, সেই কারণেই রাজ্য এই ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ক্যাভিয়েট দাখিল করার অর্থ হল, যাতে প্রতিপক্ষ কোনও সুবিধা না নেয়, অবগত না করে যাতে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা না হয়।
'অনেকদিন ধরেই বলা হচ্ছে...', অভিষেকের নির্দেশে ইস্তফা পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের
শুক্রবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ শুনানি শুরু হয় কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে। তবে কোর্টের ভিতরে চলছিল তুমুল হইহট্টগোল। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নিষেধ করা সত্ত্বেও এজলাসের ভিতর পরিবেশ শান্ত করা সম্ভব হয়নি। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মাইক হাতে শান্ত থাকার আর্জি জানান সকলকে। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। এরপর বিচারপতি জানিয়ে দেন মামলার শুনানি হবে ১৪ জানুয়ারি। তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাল রাজ্য। তাদের দাবি, সংস্থার তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে।
আদালতে যে আবেদন করা হয়েছে, সেখানে ইডি-র বক্তব্য, তল্লাশি চালানোর সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন। যেভাবে তিনি ফাইল নিয়ে গিয়েছেন সেটাকে নজরের আওতায় নিয়ে আসা হোক। সিবিআই তদন্তের আর্জিও জানিয়েছে ইডি। রাজ্য পুলিশের উপর তাদের ভরসা নেই। ঘটনার দিন পুলিশের উপস্থিতিতেই নামামো হয়েছিল সব ফাইল।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours