তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'খুব হই হই হচ্ছিল। বিচারপতি বলেছেন, তিনি ওই পরিবেশে শুনানি করেন না।' এদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এজলাসে ভিড় করে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিল তৃণমূল।

 'বারবার অনুরোধ... কারও কানেই পৌঁছয়নি', কোর্টরুমে ঠিক কী হল, যা বললেন বিচারপতি

প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে বাধা পায় ইডি। আইপ্যাকের অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বৃহস্পতিবার দিনভর সেই নাটক চলার পর শুক্রবার অন্য এক ছবি। তৃণমূল বনাম এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, হাইপ্রোফাইল মামলার শুনানিই বন্ধ হয়ে যায় মাঝপথে। কোর্টরুমের প্রবল ভিড়ের জেরে শুনানি না করেই উঠে চলে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।


তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘খুব হই হই হচ্ছিল। বিচারপতি বলেছেন, তিনি ওই পরিবেশে শুনানি করেন না।’ এদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এজলাসে ভিড় করে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিল তৃণমূল। শাসক দল অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে যে অর্ডার কপি সামনে এসেছে, তাতে বিচারপতি নিজে জানিয়েছেন, কোর্টরুমের অন্দরে শুক্রবার ঠিক কী ঘটেছিল।


একসময় প্র্যাকটিস করতেন, ১৩ বছর পর আজ হাইকোর্টের এজলাসে হঠাৎ হাজির চন্দ্রিমা
বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানিয়েছেন, আদালতের পরিবেশ শুনানির উপযোগী ছিল না। বিচারপতির বক্তব্য, “এজলাসে আইনজীবী থেকে শুরু করে উপস্থিত অন্যরা গোলযোগ তৈরি করেছিলেন। বারবার অনুরোধ করা হয় আদালতের মর্যাদা এবং শিষ্টাচার রক্ষা করার জন্য। কিন্তু সেই অনুরোধ কারও কানে পৌঁছয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আদালত মুলতুবি করা হল। আগামী ১৪ জানুয়ারি নতুন করে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হল।”


হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর ইতিমধ্যেই শনিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদন করেছে ইডি। তার আগেই রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে শীর্ষ আদালতে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours