এই ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন নির্যাতিতা। থানায়ও যেতে পারেননি। তিনি ইমেইল মারফত কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তরুণীর আরও অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যার জেরে চরম আতঙ্কে রয়েছেন তিনি।
'বাড়ির সবাই বেরিয়ে যেতেই...', কলকাতায় পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তরুণী পরিচারিকা
প্রতীকী ছবি
কলকাতা পুলিশের এক অফিসারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তরুণী পরিচারিকা। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ওই অফিসার তাঁর শ্লীলতাহানি করেন বলে তরুণীর অভিযোগ। ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন তিনি। এমনকি, থানায় গিয়েও অভিযোগ জানাতে ভয় পাচ্ছেন। ইমেইল মারফত ওই অফিসারের বিরুদ্ধে কসবা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।
নির্যাতিতা তরুণী সোনারপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি আয়া সেন্টারের মাধ্যমে কসবা থানা এলাকার কলকাতা পুলিশের ওই অফিসারের বাড়িতে রান্নার কাজ পান। সেইমতো কাজে যেতেন তিনি। আর ওই রান্নার কাজ করতে গিয়েই পুলিশ অফিসারের কুনজরে তিনি পড়েন। তারপরই বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ওই পুলিশ অফিসার শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ তরুণীর। তাঁর বক্তব্য, বাড়ির অন্য সদস্যরা বেরিয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার পিছন থেকে এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। এবং তাঁর সম্মানহানির চেষ্টা করেন। তিনি এর প্রতিবাদ করেন। তখন তাঁকে চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি জোর করে সাদা কাগজে কিছু লিখিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।
'আপনাদের একটা ভাল খবর দেব...', কী বললেন শুভেন্দু?
Amartya Sen: শুনানিতে অর্মত্য সেনের কাছে কমিশন কী-কী নথি চেয়েছে জানেন? অবাক হবেন
'বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মন্দির তৈরি হবে বাংলায়'
এই ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন নির্যাতিতা। থানায়ও যেতে পারেননি। তিনি ইমেইল মারফত কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তরুণীর আরও অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যার জেরে চরম আতঙ্কে রয়েছেন তিনি। ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন।
ওই তরুণী বলেন, “আমি ঘর ঝাঁট দিচ্ছিলাম। উনি পিছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরেন। আমার সম্মান নিয়ে টানাটানি করেন। তখন আমি তাঁকে ছিটকে ফেলে দিই। তখন উনি আমাকে হুমকি দেন, আমাকে দেখে নেবেন। তারপর উনি ময়লা ফেলার প্লাস্টিকে একটা বিস্কুটের প্যাকেট ও কিছু জিনিস ঢুকিয়ে রাখে। আমাকে চোর অপবাদ দেয়। আমি সেন্টারের দাদাকে ফোন করে ডাকি। সেন্টারের দাদা আসেন। আর উনি লিখিয়ে নেন, আমি আর কোনওদিন চুরি করব না। পরের দিন ওই অফিসারের বৌমা ফোন করে বলেন, আমি নাকি বাড়ি থেকে সোনা-দানা চুরি করে এনেছি।”
রক্ষকের ভূমিকায় থাকা পুলিশের বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ ওঠায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের এখনও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এখন পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই দেখার।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours