একুশের বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হন মুকুল। আর বছর ঘুরতেই তৃণমূলে ‘ঘর ওয়াপসি’ করেন বিজেপি বিধায়ক। এরপরই প্রশ্ন ওঠে তাঁর বিধায়ক পদ ঘিরে। একটা দলে ৩ বছর ৯ মাস কাটিয়ে, তাঁদের টিকিটে জিতে কীভাবে এই কাজ করতে পারেন মুকুল, প্রশ্ন তুলেছিল গেরুয়া শিবির।


বিধায়কই থাকছেন মুকুল রায়, 
বিধায়ক পদ থাকছে মুকুল রায়ের। দীর্ঘ বিতর্কের পর কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বাতিল হয়ে যায় মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ছেলে শুভ্রাংশু রায়। শুক্রবার সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ পদ যাচ্ছে না মুকুলের।

মুকুল রায়ের গুরুতর অসুস্থতার কথা মাথায় রেখে মানবিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “উনি গুরুতর অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের খরচ এবং অন‍্যান‍্য ক্ষেত্রে বিধায়ক পদের সুবিধার প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে।”



'আমি নিষেধ করেছিলাম', বেলডাঙায় উত্তেজনা নিয়ে এ কী বললেন হুমায়ুন?
বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ সব পক্ষকে নোটিস জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ‍্যে নোটিসের জবাব দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হবে। ৬ সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি।


২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর আসন থেকে ভোটে জিতে বিধায়ক হন মুকুল রায়। বিজেপির টিকিটে সেবার ভোটে লড়েছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন তৃণমূলে। এরপরই দলত্যাগ বিরোধী আইনে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানান শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। স্পিকার বিধায়ক পদ বাতিল করতে অস্বীকার করায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দুরা।

শুভেন্দুর আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে যদি উনি লড়েন, তাহলে আবেদন করবেন, ভেবে দেখব।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours