অন্যত্র গাঢাকা দিয়ে শেষ রক্ষা হলো না অবশেষে মগরাহাট পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত। পারিবারিক অশান্তির জের! মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের হাতে খুন হল মা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল মগরাহাট থানার গোকর্নি এলাকায়। দক্ষিণ নিজের মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। 

ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল অভিযুক্ত ছেলে। অবশেষে নদীয়া জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করল মগরাহাট থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম আকিলা গাজী(৬০)। তিনি মগরাহাট থানার অন্তর্গত এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারে অশান্তি চলছিল বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা লেগেই থাকত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ষার্টোধ্ব মহিলার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। এরপরেই পুলিসকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে মগরাহাট থানার পুলিস পৌঁছে মহিলার দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহত আকিলা গাজীর ৩ ছেলে। ছোট ছেলে আতাউল্লাহ গাজী পারিবারিক বিবাদের কারণে তার মাকে খুন করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত ছেলের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে মগরাহাট থানার পুলিস। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে মগরাহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরই অভিযুক্ত ছেলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মগরাহাট থানার পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ও গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নদীয়া জেলার একটি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

ডায়মন্ড হারবার এসডিপিও সজল মন্ডল জানিয়েছে, ধৃতকে নদীয়া থেকে গ্রেফতার করে মগরাহাটে নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তকে ডায়মন্ড হারবার মহকুমার আদালতে পেশ করা হচ্ছে আজ । মহামান্য আদালতের কাছে অভিযুক্তের পুলিশকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য মগরাহাট থানার পুলিশ আবেদন জানাবে। করে খুনের পিছনের আসল কারণ জানার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক অশান্তিকেই এই খুনের মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রতিবেশীরা এই নৃশংস ঘটনায় হতবাক। এ বিষয়ে অভিযুক্তের দাদা শালাউল্লা গাজী তিনি বলেন, আমি কর্মসূত্রে দুবাইয়ে থাকি। এই চারদিন হয়েছে আমি বাড়িতে এসেছি। প্রায় সময় মায়ের সঙ্গে ওর ঝামেলা লেগে থাকতো। আমার মাকে প্রায় সময় হুমকি দিত। তারপর এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা চাই ওর যাবজ্জীবন হোক।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours