ঘটনায় সুর চড়াতে শুরু করেছে বিজেপি। বিজেপির কর্মী-নেতারা এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। যাদবপুর জেলা বিজেপির সম্পাদক মৌসুমী দাস বলছেন, “কাউন্সিলর লোকজন দিয়ে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। ওনার সাফ কথা ওনার মতে চলতে হবে। আমাকে তো বলেছিলেন আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমি করছি। এরপর অ্যাকশনটা বুঝে নেবেন।”
কলকাতা পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুকুন্দপুরের অহল্যানগরে এক বিএলও’ র অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা। পুলিশ জানিয়েছে মৃত বিএলও’ র নাম অশোক দাস (৪৭)। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির বাথরুমের মধ্যে ওই বিএলওর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে চাপানউতোর। এরইমধ্যে আবার এই ঘটনা ঘিরে একটি অডিয়ো ক্লিপও ভাইরাল হয়েছে। মৃতের স্ত্রী একজনের সঙ্গে কথোপকথনে জানিয়েছেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ রাজু দিনের পর দিন হুমকি দিচ্ছিল অশোক দাসকে। যে কারণেই আত্মহত্যা করেছে অশোক দাস।
ঘটনায় সুর চড়াতে শুরু করেছে বিজেপি। বিজেপির কর্মী-নেতারা এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। যাদবপুর জেলা বিজেপির সম্পাদক মৌসুমী দাস বলছেন, “কাউন্সিলর লোকজন দিয়ে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। ওনার সাফ কথা ওনার মতে চলতে হবে। আমাকে তো বলেছিলেন আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমি করছি। এরপর অ্যাকশনটা বুঝে নেবেন।”
আজকের মধ্যে ফর্ম ৭ জমা না হলে আরও বড় আন্দোলন! কী আছে এই SIR ফর্মে?
অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “আমার এলাকায় ৫৭টা পার্ট। ৫৭ জন বিএলও রয়েছেন। তাই তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে তাঁরা কোনওভাবে কোনও চাপ পেয়েছেন কিনা, চাপ দেওয়া হয়েছে কিনা! ভারতীয় জনতা পার্টি অডিয়ো ভাইরাল করার চেষ্টা করছে। এটা তো আসলে ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। এটার বাস্তবে কোনও বৈধতা নেই।”
যদিও পাল্টা তৃণমূলের বিধায়ক দেবব্রত মজুমদার আবার ঘুরিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধেই সুর চড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের অদূরদর্শিতা এবং অপরিকল্পিত এসআইআর এর কারণে ওই বিএলও আত্মহত্যা করেছেন। যদিও মৃত বিএলও-র দাদা তাপস দাস বলছেন, একটা মানসিক চাপ তো ছিলই। তবে এভাবে আত্মহত্যা করবে আমরা বুঝতে পারিনি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours