রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, গত ১৫ বছরে তাঁর সরকারের কাজের খতিয়ান প্রকাশ করে বিরোধীদের আক্রমণের জবাব দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সরকারের কাজের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করবেন মমতা। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, আর মাস পাঁচেক পর ভোট। তার আগে প্রশাসনিক কাজের খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে বার্তা দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী


১৫ বছরে কী কী কাজ করেছে রাজ্য সরকার? আজ রিপোর্ট প্রকাশ করবেন মমতা


৩৪ বছরের বাম সরকারকে হারিয়ে ২০১১ সালে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন। সেই থেকে রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে তাঁর দল। আর মাস পাঁচেক পরে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে গত ১৫ বছরে তাঁর সরকারের কাজের রিপোর্ট প্রকাশ করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে এই রিপোর্ট প্রকাশ করবেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।


২০১১ সালের ২০ মে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মমতা। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে তাঁর দল। ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রীকে একাধিকবার বলতে শোনা গিয়েছে, পূর্বতন বাম সরকারের ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে তাঁর সরকারকে। তারপরও উন্নয়ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বিভিন্ন প্রচারে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভান্ডার-সহ মেয়েদের জন্য সরকারের নানা প্রকল্পের কথা তৃণমূলের প্রচারে জোর পায়। মুখ্যমন্ত্রীর রিপোর্টে সেইসব প্রকল্পের কথা কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে। 


শুধুমাত্র মালদহে ৩১০০ জন HIV পজিটিভ, ৩০০ জনই নাবালক, উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতর
সম্পূর্ণ 'দাগি' তালিকা প্রকাশের নির্দেশ বিচারপতি সিনহার, বেঁধে দিলেন সময়ও
রাজ্যে শিল্প আনতে সরকারের প্রয়াসের কথা প্রায়ই তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পের জন্য জমি ব্যাঙ্ক তৈরি। বনধের জন্য যাতে কোনও কর্মদিবস নষ্ট না হয়, তার জন্য পদক্ষেপ করার কথা বলেন। বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করে রাজ্য সরকার। যদিও রাজ্যে শিল্প নিয়ে সরকারকে নিশানা করে বিরোধীরা।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, গত ১৫ বছরে তাঁর সরকারের কাজের খতিয়ান প্রকাশ করে বিরোধীদের আক্রমণের জবাব দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সরকারের কাজের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করবেন মমতা। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, আর মাস পাঁচেক পর ভোট। তার আগে প্রশাসনিক কাজের খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে বার্তা দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে, এই রিপোর্ট বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রচারের হাতিয়ার হতে পারে।


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours