রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আরও ৪৮ হাজার ৬৬১ জনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। সংক্রমণের পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে দেশে মোট মৃত্যু ছাড়াল ৩২ হাজার। দেশে করোনা আক্রান্তের গ্রাফটা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। দৈনিক আক্রান্তের ছবিটাও কিন্তু একেবারেই স্বস্তিদায়ক নয়। ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তের নিরিখেও একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে মোট ৩২ হাজার ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনার কারণে।আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৫২২ জন।

মৃত্যুর নিরিখে স্পেন ও ফ্রান্সকে আগেই টপকে গিয়েছে ভারত। সামনেই রয়েছে ইটালি। সেখানে মৃতের সংখ্যা ৩৫ হাজার। ইতোমধ্যে দেশে মৃতের সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মারা গিয়েছেন ১৩ হাজার ৩৮৯ জন। দেশে সর্বাধিক আক্রান্ত হয়েছে এই রাজ্যে। মৃত্যুর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৮০৬ জনের। এর পরে রয়েছে তামিলনাডু। সেখানে মৃতের সংখ্যা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯। গুজরাতেও ২ হাজার ৩০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন এই মারণ ভাইরাসের কারণে।
আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত হারে বাড়লেও, ভারতে করোনা রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যানটাও বেশ স্বস্তিদায়ক। আক্রান্ত হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন সাড়ে আট লক্ষেরও বেশি মানুষ। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৮৮২ জন রোগী। ইতিমধ্যেই করোনা জয়ের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৫ হাজার ৫৭৭ জন।

সামগ্রিক নেতিবাচক এই পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক খবর শুনিয়েছে বিজ্ঞান পত্রিকা নেচার। সদ্য প্রকাশিত একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, ২১টি পুরোনো ওষুধ করোনাভাইরাসকে ঠেকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। পরীক্ষাগারে এই সাফল্য পেয়েছেন তাঁরা। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন কয়েকজন ভারতীয় বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানীও। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা একযোগে বহু ওষুধের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান। তার মধ্যে রয়েছে আমেরিকার স্যানফোর্ড বার্নহ্যাম প্রিবিস মেডিক্যাল ডিজকভারি ইনস্টিটিউট। বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, এই ২১টি ওষুধ করোনাভাইরাসের রেপ্লিকেশন অর্থাৎ তার বাড়বৃদ্ধি থামিয়ে দিতে সক্ষম।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours