নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলে এক শীর্ষ নেতার কথা, প্রতীকূর সিপিএম ছাড়ছেনই। তা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। দলবদলও হয়ে যাবে অভিষেকের হাত ধরে। তবে তিনি এখনই মগরাহাট থেকে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। তাঁকে দলের সাংগঠনিক স্তরের বড় পদ দেওয়া হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তিনি।
অভিষেকের সভাতেই তৃণমূলে ‘অভিষেক’ প্রতীক-উরের? পদ না টিকিট, কী পাচ্ছেন?
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা


ছাইয়ের ভিতর নাকি আগুন জ্বলছিল। হুমায়ুন কবীর-মহম্মদ সেলিম বৈঠক শুধু ঘি দিয়েছে মাত্র। SFI-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি প্রতীক উর রহমানের সদ্য মুখ খোলা থেকে দল ছাড়ার চিঠি- সেই জল্পনা আরও উস্কে দিয়েছে। এবার কী করবেন প্রতীক উর রহমান? এই প্রশ্ন যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়, প্রতীক উরের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। শোনা যাচ্ছে তিনি নাকি মগরাহাট পশ্চিম আসন থেকে দাঁড়াতে চান। তাও আবার তৃণমূলের টিকিটে। সিপিএম নেতারা সে কথা উড়িয়ে দিলেও উঠে আসছে আরও বড় খবর। 


সূত্রের খবর, আর মাত্র দিন তিন-চার পরেই তৃণমূলের সভায় খোদ দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দেবেন প্রতীকূর। সেই সভা হতে পারে আমতলায়। থাকতে পারেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রথমসারির এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব। 


 যুব সাথীর টাকা পাবেন না যদি আপনার এই তালিকায় নাম থাকে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার কথা, প্রতীক উর সিপিএম ছাড়ছেনই। তা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। দলবদলও হয়ে যাবে অভিষেকের হাত ধরে। তবে তিনি এখনই মগরাহাট থেকে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। তাঁকে দলের সাংগঠনিক স্তরের বড় পদ দেওয়া হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তিনি। তৃণমূল স্তরে ঘাসফুল শিবিরকে চাঙ্গা করার বড় দায়িত্ব থাকবে তাঁর কাঁধে। তবে কী সত্য়িই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পর আরও এক দাপুটে এসএফআই নেতার তৃণমূলে যোগদান সময়ের অপেক্ষা? জল্পনার মধ্যেই উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহলে। 


‘সাম্প্রতিক সময়ে পার্টির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছি না। মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। সেই কারণেই যাবতীয় পদ থেকে অব্যাহতি চাইছি।’ এই চিঠিই সেলিমকে লিখেছেন প্রতীক উর। তা যে ভোটের আগে বাম শিবিরের কাছে আদপে বিনা মেঘে বজ্রপাতের সামিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখনও মুখ খোলেলনি সেলিম। ১৯ আর ২০ তারিখ সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক। সেখানেই প্রতীকূর নিয়ে কোনও স্ট্যান্ড নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত যদিও বলছেন, “যাদের জল্পনা করার তাঁরা জল্পনা করুক। কেউ দল ছেড়ে কোথাও যায়নি। এ বিষয়ে যা বলার মহম্মদ সেলিম বলবে। আমরা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করাতেই বিশ্বাসী।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours