তাঁর মতে, দেশভাগের অন্যতম কারণই হল, হিন্দুত্ব ভাব ও হিন্দু অস্মিতাকে ভুলে যাওয়া। মোহন ভগবতের অভিযোগ, "ধর্মের কারণেই দেশভাগ হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, আমরা প্রতিটি ধর্মকে সম্মান করি। কারণ আমরা হিন্দু। কিন্তু কিছু মানুষ ছিল, তাঁরা বলেছিল, এই ধারণা ভুল। আজ দেখুন, ভারতে মুসলিম, খ্রীস্টান — সবাই রয়েছে।"
'হিন্দুত্ব নিরাপত্তার গ্যারান্টি...', ভারত-হিন্দুসমাজকে এক সুতোয় বেঁধে বার্তা ভগবতের
মোহন ভগবত
হিন্দু কোনও সম্প্রদায় নয়, এটা একটা সভ্যতা। শনিবার মুম্বইয়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান থেকে এমনই বার্তা দিলেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবত। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিক হিন্দু।” এই মর্মে দেশের চার প্রকারের হিন্দুর কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ভগবতের যুক্তি অনুযায়ী —
যাঁরা নিজেদের গর্বের সঙ্গে হিন্দু বলেন, তাঁরা হিন্দু।
যাঁরা হিন্দু, কিন্তু তাতে গর্ব করার কী রয়েছে — এই কথা বলেন, তাঁরা হিন্দু।
যাঁরা ফিসফিস করে নিজেদের হিন্দু বলে পরিচয় দেন, তাঁরা হিন্দু।
যাঁরা ভুলে গিয়েছেন বা যাঁদের ভুলে যেতে বাধ্য় করা হয়েছে, তাঁরাও হিন্দু।
হিন্দু নিয়ে মোহন ভগবতের এই মন্তব্য আজ প্রথম নয়। গতবছরের গোড়া দিকে ১০ দিনের জন্য বাংলা সফরে এসেও এমন কথা বলতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সরসঙ্ঘচালক বলেছিলেন, “হিন্দু সমাজ ও ভারতবর্ষ একই কথা। আর এই স্বভাব পরম্পরার সঙ্গে যাঁদের কাছে এসেছে, তাঁরাই হিন্দু।”
এদিনের সভায় দেশভাগের নেপথ্যে হিন্দু অস্মিতাকে জুড়ে দেন সরসঙ্ঘচালক। তাঁর মতে, দেশভাগের অন্যতম কারণই হল, হিন্দুত্ব ভাব ও হিন্দু অস্মিতাকে ভুলে যাওয়া। মোহন ভগবতের অভিযোগ, “ধর্মের কারণেই দেশভাগ হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, আমরা প্রতিটি ধর্মকে সম্মান করি। কারণ আমরা হিন্দু। কিন্তু কিছু মানুষ ছিল, তাঁরা বলেছিল, এই ধারণা ভুল। আজ দেখুন, ভারতে মুসলিম, খ্রীস্টান — সবাই রয়েছে।” সরসঙ্ঘচালকের সংযোজন, “হিন্দুত্বকে গ্রহণ করা মানেই নিজের ধর্ম, বিশ্বাস, ধর্মীয় আচারকে ছেড়ে দেওয়া নয়। কেউ যদি হিন্দুত্ব গ্রহণ করেন, তা হলে তার পরিবর্তে তাঁকে কিছু হারাতে হচ্ছে না। হিন্দুত্ব আপনার নিরাপত্তার গ্যারান্টি।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours